টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Law of segregation সূত্রটি কোন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন?

A. G.J.Mendel
B. J.D.Watson
C. F.H.C.Criek
D. Watson & Criek
সঠিক উত্তরঃ A. G.J.Mendel
Explanation:

Another Explanation (5):

Law of Segregation: একটি একাডেমিক আলোচনা 🧬

Law of Segregation, বংশগতির মৌলিক নীতিগুলির মধ্যে অন্যতম, যা গ্রেগর জোহান মেন্ডেল আবিষ্কার করেন। এটি মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র। এটি মূলত জীবের জননকোষ (gamete) তৈরির সময় অ্যালিলগুলি কীভাবে পৃথক হয়ে যায়, তা ব্যাখ্যা করে।

সূত্রের মূল বক্তব্য 📝

এই সূত্র অনুসারে:

  • প্রতিটি জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য দুটি করে অ্যালিল থাকে।
  • জননকোষ তৈরির সময়, এই অ্যালিলগুলি পরস্পর থেকে আলাদা হয়ে যায়।
  • প্রতিটি জননকোষ একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য শুধুমাত্র একটি অ্যালিল বহন করে।
  • নিষেক প্রক্রিয়ার সময়, ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলনের ফলে সৃষ্ট জাইগোটে প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য আবার দুটি অ্যালিল ফিরে আসে।

Law of Segregation এর ব্যাখ্যা 🤔

সহজ ভাষায়, ধরা যাক একটি মটরশুঁটি গাছের বীজ হলুদ (Y) অথবা সবুজ (y) হতে পারে। একটি গাছের জিনোটাইপ Yy হলে, এর জননকোষগুলো হয় Y অ্যালিল অথবা y অ্যালিল বহন করবে। এর ফলে যখন দুটি জননকোষ মিলিত হবে, তখন resultant offspring এর জিনোটাইপ YY, Yy অথবা yy হতে পারে।

মেন্ডেলের পরীক্ষার উদাহরণ 🧪

মেন্ডেল তার বিখ্যাত মটরশুঁটি গাছের পরীক্ষার মাধ্যমে এই সূত্রটি প্রমাণ করেন। তিনি প্রথমে বিশুদ্ধ হলুদ (YY) এবং বিশুদ্ধ সবুজ (yy) বীজযুক্ত গাছের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটান। প্রথম বংশধরের (F1) সব গাছই সংকর হলুদ (Yy) হয়েছিল। এরপর F1 বংশধরের মধ্যে স্ব-পরাগায়ন ঘটিয়ে তিনি দ্বিতীয় বংশধরে (F2) হলুদ ও সবুজ বীজযুক্ত গাছ ৩:১ অনুপাতে পান।

ফলাফল বিশ্লেষণ 📊

F2 বংশধরের এই অনুপাত Law of Segregation -এর ধারণা সমর্থন করে। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে বিষয়টি দেখানো হলো:

জিনোটাইপ ফেনোটাইপ অনুপাত
YY হলুদ ১
Yy হলুদ ২
yy সবুজ ১

গুরুত্ব 💡

Law of Segregation বংশগতির জটিল প্রক্রিয়া বুঝতে এবং বংশানুক্রমে বৈশিষ্ট্য কীভাবে সঞ্চারিত হয়, তা জানতে সহায়ক। এটি জেনেটিক কাউন্সেলিং এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কিছু অতিরিক্ত তথ্য ➕

  • মেন্ডেলকে বংশগতির জনক বলা হয়। 👨‍🌾
  • তিনি ১৮৬৫ সালে তার এই সূত্র প্রকাশ করেন। 🗓️
  • এই সূত্রটি জিনতত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছে। 🧱

আশা করি Law of Segregation সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। Happy learning! 😊📚

Option A Explanation:
  • G.J. Mendel: তিনি ম্যান্ডেলিয়ান নিয়মের জনক ছিলেন, যা জীনবিজ্ঞান ও জেনেটিক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে।
  • প্রথম ব্যক্তি হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং বিচ্ছিন্নতা সম্পর্কিত নিয়ম আবিষ্কার করেন।
  • ম্যান্ডেলিয়ান নিয়মের মাধ্যমে তিনি প্রজননে জিনের বৈচিত্র্য ও প্রজনন সংক্রান্ত নিয়ম ব্যাখ্যা করেন।
  • তাঁর গবেষণাগুলি মূলত গাঁজন, বীজের রঙ ও উচ্চতা সম্পর্কিত ছিল।
Option B Explanation: J.D. Watson এর ব্যাখ্যা

J.D. Watson এর সম্পর্কে তথ্য

  • সম্প্রতি পরিচিত: জেমস ডব্লিউটন (James D. Watson)
  • জন্ম: 1928 সালে
  • প্রসিদ্ধ: ডিএনএ এর গঠন আবিষ্কারের জন্য
  • উপলব্ধি: তিনি নিউক্লিক অ্যাসিডের গঠন ও কার্যপ্রণালী সম্পকে গবেষণা করেন
  • অন্য কাজ: জেনেটিক্সের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন
  • নামানুসারে: তিনি আধুনিক জেনেটিক্সের অন্যতম পথপ্রদর্শক
Option C Explanation:
  • F.H.C. Crick ছিলেন একজন ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী ও ক্ররাসি ক্রিকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
  • তিনি মূলত ডিএনএ গঠন ও ক্রমিকের গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
  • F.H.C. Crick এর কাজ জীববিজ্ঞান এবং জেনেটিক্সের ক্ষেত্রে মৌলিক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করেছে।
  • তিনি নোবেল পুরস্কারও লাভ করেছিলেন, যা জীববিজ্ঞান ও ভৌতবিজ্ঞান ক্ষেত্রের অসামান্য অবদানের জন্য।
Option D Explanation:
  • Watson & Crick: এই দম্পতি 1953 সালে ডিএনএ এর স্নায়ু গঠন (অভ্যন্তরীণ গঠন) আবিষ্কার করেন।
  • তাদের গবেষণার মাধ্যমে ডিএনএ এর দ্বৈত হেলিক্স মডেল প্রমাণিত হয়।
  • এটি জেনেটিক ইনফরমেশনের মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত।
  • তাদের কাজ জীববিদ্যার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সহায়ক হয়েছে।