টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মসের স্ত্রী জননাঙ্গের নাম কি?

A. অ্যান্থেরিডিয়াম
B. আর্কিগোনিয়াম
C.  স্পোর
D. ডিম্বানু 
E. শুক্রানু 
সঠিক উত্তরঃ B. আর্কিগোনিয়াম
Explanation:

Another Explanation (5):

মস উদ্ভিদের স্ত্রী জননাঙ্গ: আর্কিগোনিয়াম 🌿

মস (Moss) হলো ব্রায়োফাইটা (Bryophyta) বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি উদ্ভিদ। এদের জীবনচক্রে সুস্পষ্ট জনুক্রম (Alternation of Generations) দেখা যায়। মস উদ্ভিদের স্ত্রী জননাঙ্গকে আর্কিগোনিয়াম (Archegonium) বলা হয়। নিচে আর্কিগোনিয়াম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

আর্কিগোনিয়াম কী? 🤔

আর্কিগোনিয়াম হলো মসের স্ত্রী জননকোষ ধারণকারী একটি কলস আকৃতির গঠন। এটি ফ্লাস্কের মতো দেখতে এবং এর মধ্যে ডিম্বাণু (Egg cell) উৎপন্ন হয়। আর??কিগোনিয়ামের অভ্যন্তরে ডিম্বাণু সুরক্ষিত থাকে এবং নিষিক্তকরণের (Fertilization) জন্য অপেক্ষা করে।

আর্কিগোনিয়ামের গঠন 🔬

আর্কিগোনিয়ামের গঠন বেশ জটিল। এর প্রধান অংশগুলো হলো:
  1. ভেন্টার (Venter): এটি আর্কিগোনিয়ামের স্ফীত নিচের অংশ। এর মধ্যে ডিম্বাণু অবস্থান করে।
  2. নেক (Neck): এটি লম্বা এবং সরু নলের মতো গঠন যা ভেন্টারের উপরে অবস্থিত। নেকের মধ্যে নেক ক্যানাল সেল (Neck canal cells) থাকে।
  3. নেক ক্যানাল সেল (Neck Canal Cells): এগুলো নেকের মধ্যে অবস্থিত কোষ। নিষিক্তকরণের সময় এগুলো ভেঙে যায় এবং একটি পিচ্ছিল পথ তৈরি করে যা শুক্রাণুকে ডিম্বাণু পর্যন্ত পৌঁছাতে সাহায্য করে।
  4. কভার সেল (Cover Cell): এটি নেকের একদম উপরের দিকের কোষ যা নেকের মুখ ঢেকে রাখে।

আর্কিগোনিয়ামের কাজ 🎯

আর্কিগোনিয়ামের প্রধান কাজগুলো হলো:
  • ডিম্বাণু উৎপাদন ও ধারণ করা।
  • ডিম্বাণুকে সুরক্ষা প্রদান করা।
  • শুক্রাণুকে ডিম্বাণুর কাছে পৌঁছানোর জন্য পথ তৈরি করা।
  • নিষিক্তকরণে সাহায্য করা।

আর্কিগোনিয়ামের বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝

বৈশিষ্ট্য বিবরণ
আকৃতি ফ্লাস্ক বা কলসের মতো 🏺
অবস্থান মস উদ্ভিদের স্ত্রী জননাঙ্গ ♀️
কাজ ডিম্বাণু ধারণ ও নিষিক্তকরণে সাহায্য করা 🤰
গঠন ভেন্টার, নেক, নেক ক্যানাল সেল এবং কভার সেল নিয়ে গঠিত 🧱

নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া 🤝

1. বৃষ্টির পানি অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে শুক্রাণু আর্কিগোনিয়ামের কাছে আসে। 🌧️ 2. নেক ক্যানাল সেল ভেঙে গিয়ে একটি পিচ্ছিল পথ তৈরি করে। 💧 3. শুক্রাণু সেই পথ দিয়ে ডিম্বাণুর কাছে পৌঁছায়। ➡️ 4. শুক্রাণু ও ডিম্বাণু মিলিত হয়ে জাইগোট (Zygote) গঠন করে। 👶 5. জাইগোট থেকে স্পোরোফাইট (Sporophyte) তৈরি হয়। 🌱

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

* আর্কিগোনিয়াম মস উদ্ভিদের জনন প্রক্রিয়ার একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ। * এটি স্ত্রী জননকোষকে সুরক্ষা দেয় এবং নিষিক্তকরণে সাহায্য করে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। * ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য বুঝতে আর্কিগোনিয়ামের গঠন ও কাজ জানা জরুরি। আশা করি, এই আলোচনা থেকে মসের স্ত্রী জননাঙ্গ আর্কিগোনিয়াম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। 📚
Option A Explanation:
  • অ্যান্থেরিডিয়াম হলো মসের পুরুষের জননাঙ্গের অংশ, যা মূলত: শুক্রাণু উৎপন্ন করে।
  • এটি সাধারণত পুষ্পের মূল অংশের মধ্যে অবস্থিত, যেখানে শুক্রাণু তৈরি হয়।
  • অ্যান্থেরিডিয়াম বিভিন্ন ধরণের ফুলে পাওয়া যায়, যেমনঃ গুল্মজাতীয় ও ফুলের মধ্যে।
  • এটি ফুলের মূল অংশের অংশ, এবং ফুলের পুষ্পের পুরুষাঙ্গের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
Option B Explanation:
  • আর্কিগোনিয়াম: এটি একটি জৈবনিক শব্দ যা মূলত অ্যানিম্যালের যৌনসংক্রান্ত অঙ্গের নাম।
  • প্রাকৃতিক জীববিজ্ঞানে, এটি মূলত কিছু অণুজীবের প্রজনন অঙ্গ হিসেবে পরিচিত, যেমন কিছু প্রাচীন জলজ অর্গানিজমে।
  • এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয় অঙ্গের আকার বা গঠনের জন্য, যা যৌনসংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • অর্থাৎ, এটি জীবের প্রজনন বা যৌন অঙ্গের একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
Option C Explanation:
  • স্পোর হলো এক ধরনের জীবনচক্রের অংশ, যা বিশেষ করে প্যাথোজেনিক বা পুনরুৎপাদনশীল জীবের মধ্যে দেখা যায়।
  • এটি একটি ক্ষুদ্র, শক্তিপূর্ণ কোষ বা পরিপাক্য অংশ, যা পরিবেশের অস্থিতিশীলতা সহ্য করে এবং নতুন জীবের উৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • স্পোর সাধারণত একক বা একাধিক কোষের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং এটি বিকাশের মাধ্যমে নতুন জীবের রূপ নেয়।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশে স্পোর দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে এবং উত্তাপে বা আর্দ্রতায় সক্রিয় হয়ে নতুন জীবের জন্ম দেয়।
Option D Explanation:
  • ডিম্বানু: এটি হলো মহিলাদের শরীরের অঙ্গবিশেষ, যেখানে ডিমের উৎপাদন হয়।
  • এটি মূলত মহিলাদের প্রজনন অঙ্গের অংশ, যা ডিম্বাশয় (অভ্যন্তরীণ অঙ্গ) থেকে ডিম সংগ্রহ করে।
  • ডিম্বানু থেকে শুক্রানুর সাথে মিলনের মাধ্যমে গর্ভধারার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
  • সাধারণত, নারীদের শরীরে এক বা একাধিক ডিম্বানু তৈরি হয় মাসে একবার।
  • ডিম্বানু ছোট আকারের হয় এবং সাধারণত অঙ্গের ভিতরে অবস্থিত থাকে।
Option E Explanation:
  • শুক্রানু (Sperm) হচ্ছে পুরুষের শুক্রাণু, যা শুক্রনালীর মাধ্যমে স্ত্রীের ডিম্বানু (Egg) এর সঙ্গে মিলিত হয়ে নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
  • এটি জীবনচক্রের প্রাথমিক ধাপ, যার মাধ্যমে জীবের প্রজনন সম্পন্ন হয়।
  • শুক্রানু সাধারণত শুক্রাণুর কোষের মধ্যে থাকে এবং তা শুক্রনালীর মাধ্যমে নারীর শরীরে প্রবেশ করে।
  • শুক্রানু ডিম্বানুর সঙ্গে মিলিত হলে গর্ভাবস্থা শুরু হয় এবং embryo গঠিত হয়।