টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোন অণুজীব পাটের আঁশ ছাড়াতে সাহায্য করে? 

A. Clostridium
B. Azotobacter
C. Rhizobium
D. Agrobacterium
সঠিক উত্তরঃ A. Clostridium
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

পাটের আঁশ ছাড়ানোয় ক্লস্ট্রিডিয়ামের ভূমিকা

পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর প্রক্রিয়ায় Clostridium🦠 নামক অণুজীবের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এটি একটি অবাতজীবী (anaerobic) ব্যাকটেরিয়া। নিচে এর কার্যাবলী আলোচনা করা হলো:

ক্লস্ট্রিডিয়ামের কার্যাবলী:

  • পেকটিনase নিঃসরণ: ক্লস্ট্রিডিয়াম পেকটিনেজ নামক এনজাইম নিঃসরণ করে।
  • পেকটিনের বিয়োজন: এই এনজাইম পাটের আঁশের মধ্যে থাকা পেকটিন নামক আঠালো পদার্থকে ভেঙে দেয়।
  • আঁশ পৃথকীকরণ: পেকটিন ভেঙে যাওয়ায় আঁশগুলো সহজেই আলাদা হয়ে যায়।🌱

পেকটিনেজ এনজাইমের কার্যকারিতা:

পেকটিনেজ এনজাইম কিভাবে কাজ করে তা নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে দেখানো হলো:

কার্যকারিতা ফলাফল
পেকটিনের আদ্রবিশ্লেষণ 💧 পেকটিনের রাসায়নিক বন্ধন দুর্বল হয়ে যায়।
কোষ প্রাচীর বিয়োজন 🧱➡️ 🗑️ পাট গাছের কোষ প্রাচীর দুর্বল হয়ে যায়।
আঁশ ছাড়ানো fibres release সহজে আঁশ ছাড়ানো যায়।🌾

ক্লস্ট্রিডিয়াম ব্যবহারের সুবিধা:

  • পরিবেশ-বান্ধব 🌱🌎: রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যবহারের চেয়ে এটি পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর।
  • কম খরচ 💰: তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী।
  • আঁশের গুণগত মান ভালো fibres quality 👍: আঁশের গুণগত মান বজায় থাকে।

সতর্কতা ⚠️:

ক্লস্ট্রিডিয়াম ব্যবহারের সময় কিছু বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত:

  1. সঠিক ঘনত্বে ব্যবহার 🧪: ব্যাকটেরিয়ার ঘনত্ব সঠিক না হলে আশানুরূপ ফল নাও পাওয়া যেতে পারে।
  2. নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা 🌡️: তাপমাত্রা অনুকূল না থাকলে ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
  3. পর্যাপ্ত সময় ⏳: আঁশ ছাড়ানোর জন্য যথেষ্ট সময় দিতে হবে।

উপসংহার:

পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর জন্য ক্লস্ট্রিডিয়াম একটি অত্যন্ত উপযোগী অণুজীব। সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এটি পরিবেশ-বান্ধব এবং সাশ্রয়ী একটি পদ্ধতি।🥳

আরও জানতে ভিজিট করুন : উইকিপিডিয়া

ধন্যবাদ 🙏

```
Option A Explanation:
  • Clostridium: এটি একটি ধনাত্মক অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে, যেমন টেটানাস এবং কোলাইটিস।
  • অতীতে কিছু ক্লোস্ট্রিডিয়াম প্রজাতি ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়াশেজ বা অন্যান্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে দই তৈরিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
  • প্রাকৃতিক অবস্থানে কিছু ক্লোস্ট্রিডিয়াম প্রজাতি অক্সিজেনের অভাবে বিভিন্ন দ্রব্যের মধ্যে উপস্থিত থাকতে পারে।
Option B Explanation:
  • Azotobacter হলো একটি গ্রাম-নেগেটিভ, অ-অ্যানারোবিক ব্যাক্টেরিয়া।
  • এটি মূলত মাটিতে পাওয়া যায় এবং প্রাকৃতিকভাবে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন করে, যা উদ্ভিদ বৃদ্ধিতে সহায়ক।
  • অক্সিজেনের উপস্থিতিতে এটি সক্রিয়ভাবে নাইট্রোজেন গ্যাসকে অ্যামোনিয়াতে রূপান্তর করে, যা পুষ্টি হিসেবে উদ্ভিদ গ্রহণ করে।
  • এটি সাধারণত কৃষিক্ষেত্রে প্রাকৃতিক সার হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পরিবেশের জন্য উপকারী।
Option C Explanation:
  • Rhizobium: Rhizobium হলো একটি প্রজাতির অণুজীব যা মূলত উদ্ভিদের গোড়ায় বাস করে। এটি নাইট্রোজেন-ফিক্সেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, অর্থাৎ বাতাসের নাইট্রোজেনকে ফার্মে ব্যবহারের যোগ্য অণুতে রূপান্তর করে।
  • এই অণুজীবটি মূলত ফসলে নাইট্রোজেন যোগানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • জীব প্রযুক্তিতে, Rhizobium ব্যবহৃত হয় কৃত্রিমভাবে নাইট্রোজেন যোগানোর জন্য, যা ফসলে উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
  • তবে, এটি সরাসরি ইনসুলিন প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয় না।
Option D Explanation:
  • Agrobacterium হলো একটি জৈবঅণুজীব যা মূলতঃ উদ্ভিদ জৈবপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়।
  • এটি একটি গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া, যা সাধারণতঃ উদ্ভিদের টিস্যুতে আক্রমণ করে এবং টার্মিনাল টেপ তৈরি করে।
  • এটি ডিএনএ ট্রান্সফার করার ক্ষমতা রাখে, যা জৈবপ্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভিদের জেনেটিক পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • প্রযুক্তিগত দিক থেকে, Agrobacterium এর মাধ্যমে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিভিন্ন জৈবপ্রযুক্তি প্রকল্পে নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়।
  • উদ্ভিদ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এর ব্যবহার উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য উন্নয়ন এবং ফসলের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।