লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মানবদেহে ইউরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ। এটি প্রোটিন বিপাকের একটি উপজাত এবং শরীর থেকে নির্গত হওয়া প্রয়োজন। ইউরিয়া তৈরি হওয়ার প্রধান স্থান হলো যকৃত (লিভার)।
যকৃতে ইউরিয়া চক্রের মাধ্যমে অ্যামোনিয়া (NH₃) থেকে ইউরিয়া তৈরি হয়। অ্যামোনিয়া একটি বিষাক্ত পদার্থ, যা প্রোটিন বিপাকের সময় উৎপন্ন হয়। ইউরিয়া চক্রের মাধ্যমে অ্যামোনিয়াকে কম ক্ষতিকর ইউরিয়াতে রূপান্তরিত করা হয়। নিচে ইউরিয়া চক্রের মূল ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো:
| ধাপ | এনজাইম | উপাদান | উৎপাদ |
|---|---|---|---|
| ১ | কার্বোময়েল ফসফেট সিন্থেটেজ I | NH₃, CO₂, ATP | কার্বোময়েল ফসফেট |
| ২ | অরনিথিন ট্রান্সকার্বোমাইলেজ | কার্বোময়েল ফসফেট, অরনিথিন | সিট্রোলিন |
| ৩ | আর্গিনোসাক্সিনেট সিন্থেটেজ | সিট্রোলিন, অ্যাসপার্টেট, ATP | আর্গিনোসাক্সিনেট |
| ৪ | আর্গিনোসাক্সিনেট লায়েজ | আর্গিনোসাক্সিনেট | আর্গিনিন, ফিউমারেট |
| ৫ | আর্জিনেজ | আর্গিনিন | ইউরিয়া, অরনিথিন |
যদি যকৃতের কার্যকারিতা কমে যায়, তাহলে রক্তে অ্যামোনিয়ার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। এই অবস্থাকে হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি বলা হয়। ইউরিয়া কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গত হয়। কিডনি রোগ হলে রক্তে ইউরিয়ার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে (ইউরেমিয়া)।
সুস্থ থাকুন! 💖