টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মানুষের ব্লাড ক্লটিং ফ্যাক্টর কয়টি?

A.

১২টি

B.

১৩টি

C.

১৮টি

D.

১৫টি

সঠিক উত্তরঃ B.

১৩টি

Explanation:

Another Explanation (5):

মানুষের রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান (Blood Clotting Factors) 🩸

রক্ত জমাট বাঁধা একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে ১৩টি ভিন্ন ভিন্ন ক্লটিং ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ফ্যাক্টরগুলো মূলত প্রোটিন, যা একটি ধার??বাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। কোনো একটি ফ্যাক্টরের অভাব হলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে এবং রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। 🤕

ক্লটিং ফ্যাক্টরগুলোর তালিকা: 📝

  1. ফ্যাক্টর I (ফাইব্রিনোজেন): এটি ফাইব্রিন তৈরির মাধ্যমে জমাট বাঁধার মূল কাঠামো তৈরি করে।
  2. ফ্যাক্টর II (প্রোথ্রম্বিন): থ্রম্বিনে রূপান্তরিত হয়ে ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিনে পরিণত করে।
  3. ফ্যাক্টর III (টিস্যু ফ্যাক্টর): রক্তনালীর বাইরের কোষ থেকে নির্গত হয়ে জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া শুরু করে।
  4. ফ্যাক্টর IV (ক্যালসিয়াম): জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে কো-ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে।
  5. ফ্যাক্টর V (প্রোঅ্যাক্সিলেরিন): প্রোথ্রম্বিনেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
  6. ফ্যাক্টর VII (প্রোকনভার্টিন): টিস্যু ফ্যাক্টরের সাথে মিলিত হয়ে ফ্যাক্টর X কে সক্রিয় করে।
  7. ফ্যাক্টর VIII (অ্যান্টিহেমোফিলিক ফ্যাক্টর): এর অভাবে হেমোফিলিয়া এ রোগ হয়।
  8. ফ্যাক্টর IX (ক্রিসমাস ফ্যাক্টর): এর অভাবে হেমোফিলিয়া বি রোগ হয়।
  9. ফ্যাক্টর X (স্টুয়ার্ট-পাওয়ার ফ্যাক্টর): প্রোথ্রম্বিনেজের একটি উপাদান, যা প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে পরিণত করে।
  10. ফ্যাক্টর XI (প্লাজমা থ্রম্বোপ্লাস্টিন এন্টিসিডেন্ট): জমাট বাঁধার অভ্যন্তরীণ পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  11. ফ্যাক্টর XII (হ্যাগেমান ফ্যাক্টর): জমাট বাঁধার অভ্যন্তরীণ পথ শুরু করে এবং ইনফ্লামেশন প্রক্রিয়ায় জড়িত।
  12. ফ্যাক্টর XIII (ফাইব্রিন স্ট্যাবিলাইজিং ফ্যাক্টর): ফাইব্রিন জালককে স্থিতিশীল করে জমাটকে শক্ত করে।
  13. প্রিকালিক্রেইন (ফ্লেচার ফ্যাক্টর): উচ্চ আণবিক ওজন কাইনিনোজেন (HMWK) এর সাথে মিলিত হয়ে ব্র্যাডিকিনিন তৈরি করে এবং জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।

ক্লটিং ফ্যাক্টরগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ: 📊

ফ্যাক্টর নম্বর নাম গুরুত্বপূর্ণ কাজ
I ফাইব্রিনোজেন ফাইব্রিন তৈরি 🕸️
II প্রোথ্রম্বিন থ্রম্বিন তৈরি 🔪
III টিস্যু ফ্যাক্টর জমাট বাঁধা শুরু 🏁
IV ক্যালসিয়াম কো-ফ্যাক্টর ⚙️
V প্রোঅ্যাক্সিলেরিন প্রোথ্রম্বিনেজ তৈরি 🧱
VII প্রোকনভার্টিন ফ্যাক্টর X সক্রিয়করণ ✅
VIII অ্যান্টিহেমোফিলিক ফ্যাক্টর হেমোফিলিয়া প্রতিরোধ 🛡️
IX ক্রিসমাস ফ্যাক্টর হেমোফিলিয়া প্রতিরোধ ➕🛡️
X স্টুয়ার্ট-পাওয়ার ফ্যাক্টর প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে রূপান্তর 🔄
XI প্লাজমা থ্রম্বোপ্লাস্টিন এন্টিসিডেন্ট অভ্যন্তরীণ পথ সক্রিয়করণ ⚛️
XII হ্যাগেমান ফ্যাক্টর অভ্যন্তরীণ পথ শুরু এবং প্রদাহ 💢
XIII ফাইব্রিন স্ট্যাবিলাইজিং ফ্যাক্টর জমাটকে স্থিতিশীল করা 🔩
প্রিকালিক্রেইন ফ্লেচার ফ্যাক্টর ব্র্যাডিকিনিন তৈরি ও জমাট বাঁধা ➕⚛️

রক্ত জমাট বাঁধার এই উপাদানগুলো একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। এদের সঠিক কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমাদের শরীর রক্তক্ষরণ থেকে রক্ষা পায়। 🙏

আরও জানতে বিভিন্ন মেডিকেল ওয়েবসাইট ও বইয়ের সাহায্য নিতে পারেন। 📚