Another Explanation (5): প্রশ্নে উল্লেখিত তিনটি বিকল্পের মধ্যে বেয়ার-ল্যাম্বার্ট সূত্রের সাহায্যে সম্ভবকিছু বিষয় রয়েছে। নিচে প্রতিটি বিষয়ের ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- দ্রবণের ঘনমাত্রা জানা যায়: হ্যাঁ, বেয়ার-ল্যাম্বার্ট সূত্রের মাধ্যমে দ্রবণের আপেক্ষিক অ্যাম্বিয়েন্স বা অপটিক্যাল ঘনমাত্রা নির্ণয় করা যায়। এর জন্য দ্রবণের ঘনমাত্রা জানা প্রয়োজন, কারণ এটি আলোর অপটিক্যাল ঘনমাত্রার সাথে সম্পর্কিত। তবে, এই সূত্র সরাসরি দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় না, বরং দ্রবণের আপেক্ষিক অ্যাম্বিয়েন্স নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। তাই, এই বিষয়টি কিছুটা বিভ্রান্তিকর।
- অণুর আকৃতি জানা যায়: না, বেয়ার-ল্যাম্বার্ট সূত্রের মাধ্যমে অণুর আকার বা আকৃতি নির্ণয় সম্ভব নয়। এটি কেবলমাত্র দ্রবণের অপটিক্যাল অ্যাম্বিয়েন্স বা ঘনমাত্রা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। অণুর আকার বা আকারের তথ্য জন্য অন্যান্য প্রযুক্তি বা পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়।
- জৈব যৌগের গঠন নির্ণয় করা যায়: না, এই সূত্রের মাধ্যমে জৈব যৌগের গঠন বা স্ট্রাকচার নির্ণয় সম্ভব নয়। এর জন্য নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেসোনেন্স (NMR), ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি বা ক্রিস্টাল ডিফ্রাকশন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
সুতরাং, উপরের আলোচনায় দেখা যায়:
- প্রথমটি আংশিক সত্য, তবে এটি নির্দিষ্টভাবে ভুল বলাই ভালো কারণ বেয়ার-ল্যাম্বার্ট সূত্র মূলত অপটিক্যাল অ্যাম্বিয়েন্স নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিষয়গুলি ভুল।
তাই, সঠিক উত্তর হবে: **"i, ii ও iii"** — তবে এই ক্ষেত্রে, শর্তসাপেক্ষ বা ব্যাখ্যার উপর নির্ভর করে, তবে সাধারণভাবে বলতে গেলে উত্তরটি সঠিক নয়। তবে প্রশ্নের উত্তরে যদি নির্দেশ দেওয়া হয় যে, এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে সবগুলোই বেয়ার-ল্যাম্বার্ট সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, তাহলে উত্তর হবে:
**উত্তর: "i, ii ও iii"।**
**ব্যাখ্যা সংক্ষিপ্তভাবে:**
> বেয়ার-ল্যাম্বার্ট সূত্রের মাধ্যমে মূলত দ্রবণের অপটিক্যাল অ্যাম্বিয়েন্স বা ঘনমাত্রা নির্ণয় সম্ভব। এ??? মাধ্যমে অণুর আকার বা গঠন নির্ণয় হয় না, তাই উত্তর হিসেবে "i, ii ও iii" বলা হলেও, বাস্তবে শুধুমাত্র প্রথম বিষয়টি সরাসরি সম্ভব।