ডাইপোল মোমেন্ট আছে যে যৌগে-
Another Explanation (5): ডাইপোল মোমেন্ট এমন একটি যৌগের মধ্যে থাকে যেখানে অণুর মধ্যে দ্যোতনাগুলির মধ্যে বৈদ্যুতিক বিভাজন বা ডাইপোল পারস্পরিক বিরোধিতা রয়েছে। যদি কোনও যৌগের মধ্যে দ্যোতনাগুলির সমন্বয়ে এমন একটি অবস্থা তৈরি হয় যেখানে দ্যোতনাগুলির দিক বা পারস্পরিক অবস্থান একে অপরকে সমর্থন করে, তাহলে সেই যৌগে ডাইপোল মোমেন্ট থাকে।
উপযুক্ত উদাহরণ হলো **CH₂Cl₂** (ডাই ক্লোরোমেথেন)। কারণ:
- **অটোমিক গঠন**: CH₂Cl₂-এ কেন্দ্রীয় কার্বন পরমাণুর সাথে দুটি হাইড্রোজেন ও দুটি ক্লোরিন পরমাণু বাঁধা।
- **অন্তর্বর্তী বৈদ্যুতিক বিভাজন**: ক্লোরিন পরমাণুরা হাইড্রোজেনের তুলনায় বেশি ইলেকট্রোনেগেটিভ। ফলে ক্লোরিনের দিক থেকে কেন্দ্রীয় কার্বনের দিকে ইলেকট্রন আকর্ষণ বেশি হয়।
- **অ্যামোডের অ্যাংগেল (অর্থাৎ, চারটি লাইন বা দ্যোতনাগুলির দিক)**: ক্লোরিনের দ্যোতনাগুলি কেন্দ্রীয় কার্বনের দিকে ঝুঁকে থাকে, ফলে ডাইপোল মোমেন্টের দিক নির্ধারিত হয়।
- **অর্থাৎ**: এই বৈদ্যুতিক বিভাজন কারণে, **CH₂Cl₂**-এর মধ্যে দ্যোতনাগুলির সমন্বয়ে একটি অভিন্ন দিক নির্দেশক বৈদ্যুতিক ক্ষেপণ বা ডাইপোল মোমেন্ট তৈরি হয়, যা যৌগের বৈদ্যুতিন বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে।
**সারসংক্ষেপ**:
- **CH₂Cl₂** এর মধ্যে ক্লোরিন পরমাণুর ইলেকট্রোনেগেটিভিটি বেশি, যা কেন্দ্রীয় কার্বনের দিকে দ্যোতনাগুলির অগ্রভাগ সৃষ্টি করে।
- এই দ্যোতনাগুলির সমন্বয়ে ডাইপোল মোমেন্ট তৈরি হয়।
- অন্যদিকে, যদি কোনও যৌগের দ্যোতনাগুলির দিক বা পারস্পরিক অবস্থান সমানভাবে বিতরণ হয়, তবে ডাইপোল মোমেন্ট শূন্য হতে পারে। কিন্তু **CH₂Cl₂**-এ এটি হয় না, তাই এতে ডাইপোল মোমেন্ট বিদ্যমান।