টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

চোখের কোন ধরণের কোষ রঙ্গিন বস্তু দেখতে সাহায্য করে? 

A. রড কোষ
B. কোন কোষ
C. রড ও কোন কোষ
D. কর্ণিয়া কোষ
E. আইরিস কোষ
সঠিক উত্তরঃ B. কোন কোষ
Explanation:

Another Explanation (5):

চোখের রঙ্গিন বস্তু দেখার কোষ: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 🌈

চোখের রেটিনার মধ্যে দুই ধরণের আলোক সংবেদী কোষ থাকে যা আমাদের দেখতে সাহায্য করে: রড কোষ (Rod cells) এবং কোণ কোষ (Cone cells)। এদের মধ্যে কোণ কোষই মূলত রঙিন বস্তু দেখতে সাহায্য করে। নিচে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

কোণ কোষ (Cone Cells)

  • অবস্থান: রেটিনার ম্যাকুলা এবং সেন্ট্রাল ফোভিয়াতে এদের ঘনত্ব বেশি থাকে।
  • প্রকারভেদ: মানুষের চোখে তিন ধরনের কোণ কোষ থাকে:
    1. লাল সংবেদী (Red-sensitive) 🔴
    2. সবুজ সংবেদী (Green-sensitive) 🟢
    3. নীল সংবেদী (Blue-sensitive) 🔵
  • কার্যকারিতা: এই তিন ধরনের কোণ কোষ বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে এবং মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। এই সংকেতগুলোর সমন্বয়ে আমরা বিভিন্ন রং দেখতে পাই।
  • আলোর সংবেদনশীলতা: কোণ কোষগুলি রড কোষের চেয়ে কম সংবেদনশীল। তাই, উজ্জ্বল আলোতে এরা ভালো কাজ করে। দিনের আলোতে বা উজ্জ্বল পরিবেশে আমরা প্রধানত কোণ কোষের মাধ্যমেই দেখি। ☀️

রড কোষ (Rod Cells)

  • অবস্থান: রেটিনার পরিধিতে এদের ঘনত্ব বেশি।
  • কার্যকারিতা: রড কোষগুলি মূলত মৃদু আলোতে (low light) দেখতে সাহায্য করে। এরা রংয়ের পার্থক্য করতে পারে না, তাই এদের মাধ্যমে আমরা সাদা-কালোয় দেখি। 🌑
  • আলোর সংবেদনশীলতা: রড কোষগুলি কোণ কোষের চেয়ে অনেক বেশি সংবেদনশীল।

কোণ কোষের প্রকারভেদ ও তাদের সংবেদনশীলতা

কোণ কোষের প্রকার সংবেদী আলোর বর্ণ সর্বোচ্চ সংবেদনশীলতার তরঙ্গদৈর্ঘ্য (ন্যানোমিটার)
লাল সংবেদী লাল 564-580 nm
সবুজ সংবেদী সবুজ 534-545 nm
নীল সংবেদী নীল 420-440 nm

বর্ণান্ধতা (Color Blindness)

বর্ণান্ধতা হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তি এক বা একাধিক রঙের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না। এটি সাধারণত কোণ কোষের ত্রুটির কারণে হয়ে থাকে। 🧑‍⚕️ বিভিন্ন ধরনের বর্ণান্ধতা দেখা যায়, যেমন:

  • ডালটনিজম (লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা): সবচেয়ে সাধারণ। লাল ও সবুজ রঙের পার্থক্য করতে সমস্যা হয়।
  • ট্রাইটানোপিয়া (নীল-হলুদ বর্ণান্ধতা): নীল ও হলুদ রঙের পার্থক্য করতে সমস্যা হয়।
  • পূর্ণ বর্ণান্ধতা (Monochromacy): এক্ষেত্রে ব্যক্তি কোনো রং দেখতে পায় না, সবকিছু সাদা-কালো দেখায়। 🖤🤍

সারসংক্ষেপ

সুতরাং, চোখের কোণ কোষই আমাদের রঙিন বস্তু দেখতে সাহায্য করে। এই কোষগুলি তিন প্রকার - লাল, সবুজ ও নীল সংবেদী। এদের সম্মিলিত কার্যকলাপের ফলেই আমরা বিভিন্ন রঙের জগৎ দেখতে পাই। ✨

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি বোধগম্য হয়েছে। 🙏