টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

‘কিয়োটো প্রটোকল' কী সম্পর্কিত?

A. শরণার্থী পূর্ণবাসন
B. কোপা আমেরিকা প্রতিযোগিতা
C. জলবায়ু পরিবর্তন
D. পানি দূষণ
সঠিক উত্তরঃ C. জলবায়ু পরিবর্তন
Explanation:

Another Explanation (5):

কিয়োটো প্রোটোকল: একটি বিশদ আলোচনা 🌍

কিয়োটো প্রোটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত হয়েছিল এবং ২০০৫ সালে কার্যকর হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা।

পটভূমি 📜

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC)-এর অধীনে এই প্রোটোকল তৈরি করা হয়। UNFCCC ১৯৯২ সালে গৃহীত হলেও, এটি সদস্য দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর কোনো বাধ্যবাধকতা রাখেনি। কিয়োটো প্রোটোকল সেই অভাব পূরণ করে উন্নত দেশগুলোকে আইনি বাধ্যবাধকতার মধ্যে আনে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য🎯

  • গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো ⬇️
  • বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস করা 🔥➡️❄️
  • জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বিশ্বকে রক্ষা করা 🛡️
  • জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (UNFCCC) লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা 🤝

প্রধান বৈশিষ্ট্য ⚙️

  1. বাধ্যবাধকতা: উন্নত দেশগুলোর জন্য নির্দিষ্??? গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
  2. সময়কাল: প্রথম কমিটমেন্ট পিরিয়ড ছিল ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত। পরবর্তীতে দোহা অ্যামেন্ডমেন্টের মাধ্যমে দ্বিতীয় কমিটমেন্ট পিরিয়ড ২০১৩ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
  3. গ্যাসের তালিকা: প্রোটোকলে ৬টি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:
    • কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) 💨
    • মিথেন (CH4) 🐄
    • নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) 🚜
    • হাইдроফ্লুরোকার্বন (HFCs) ❄️
    • পারফ্লুরোকার্বন (PFCs) 🏭
    • সালফার হেক্সাফ্লুরাইড (SF6) ⚡
  4. ফ্লেক্সিবিলিটি মেকানিজম: লক্ষ্য পূরণের জন্য তিনটি নমনীয় পদ্ধতি রাখা হয়েছে:
    • ইন্টারন্যাশনাল এমিশনস ট্রেডিং (IET): দেশগুলো তাদের বরাদ্দকৃত নিঃসরণের অংশ অন্য দেশের কাছে বিক্রি করতে পারত। 💰
    • ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM): উন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল দেশে গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর প্রকল্পে বিনিয়োগ করে ক্রেডিট অর্জন করতে পারত। 🏢➡️🌍
    • জয়েন্ট ইমপ্লিমেন্টেশন (JI): উন্নত দেশগুলো অন্য উন্নত দেশে গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর প্রকল্পে বিনিয়োগ করে ক্রেডিট অর্জন করতে পারত। 🤝

অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ 🌎

কিয়োটো প্রোটোকলে ১৯২টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। তবে, কিছু দেশ (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র) এই প্রোটোকলে স্বাক্ষর করলেও পরবর্তীতে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।

সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা ✅/❌

সাফল্য 👍 সীমাবদ্ধতা 👎
  • গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে সহায়ক হয়েছে।
  • জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি কাঠামো তৈরি করেছে।
  • নমনীয় পদ্ধতিগুলো দেশগুলোকে লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করেছে।
  • যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় অর্থনীতির দেশের অংশগ্রহণ না থাকায় কার্যকারিতা সীমিত হয়েছে।
  • উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় সমালোচিত হয়েছে।
  • দ্বিতীয় কমিটমেন্ট পিরিয়ডের পরিধি ছোট ছিল এবং খুব কম দেশ এতে অংশ নিয়েছিল।

বর্তমান প্রেক্ষাপট 🕰️

কিয়োটো প্রোটোকলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) গৃহীত হয়েছে। প্যারিস চুক্তি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি নতুন আন্তর্জাতিক কাঠামো, যেখানে উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয় দেশকেই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর জন্য জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDC) রাখতে বলা হয়েছে। কিয়োটো প্রোটোকল থেকে প্যারিস চুক্তি - জলবায়ু কূটনীতির বিবর্তন🌎➡️ 🤝।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কিয়োটো প্রোটোকল একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। যদিও এর কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল, তবুও এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জলবায়ু নীতি প্রণয়নে একটি মূল্যবান অভিজ্ঞতা দিয়েছে। 🌳