টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

দুর্বল নিউক্লীয় বল সৃষ্টি হয়-

A.

বিটা ক্ষয়ের জন্য

B.

প্রোটন ক্ষয়ের জন্য

C.

গামা ক্ষয়ের জন্য

D.

নিউট্রন ক্ষয়ের জন্য

সঠিক উত্তরঃ A.

বিটা ক্ষয়ের জন্য

Explanation:

দুর্বল নিউক্লিয় বলের উদ্ভব হয় যখন কোনো নিউক্লিয়াস থেকে রশ্মির নির্গমন ঘটে। β রশ্মির নির্গমনের সময় নিউক্লিয়াস থেকে একটি ইলেকট্রন এবং একটি অনাহিত কণা নিউট্রিনো (neutrino) নির্গত হয়। দুর্বল নিউক্লিয় বল মহাকর্ষ বলের ন্যায় অত দুর্বল নয় তবে সবল নিউক্লিয় বল ও তাড়িতচৌম্বক বলের চেয়ে অনেকটাই দুর্বল।

Another Explanation (5):

দুর্বল নিউক্লীয় বল ও বিটা ক্ষয়: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা ⚛️

দুর্বল নিউক্লীয় বল (Weak Nuclear Force):

দুর্বল নিউক্লীয় বল হলো চারটি মৌলিক বলের মধ্যে একটি। এটি তড়িৎ চুম্বকীয় বল, সবল নিউক্লীয় বল এবং মহাকর্ষ বলের চেয়ে দুর্বল। এই বলের পাল্লা খুবই কম (প্রায় 10⁻¹⁷ মিটার)। দুর্বল নিউক্লীয় বল মূলত মৌলিক কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়া করে এবং এদের রূপান্তরে (decay) ভূমিকা রাখে।

দুর্বল নিউক্লীয় বলের বৈশিষ্ট্য:

  • দুর্বলতম চারটি মৌলিক বলের মধ্যে একটি
  • ক্ষুদ্র পাল্লা 🤏 (Short Range)
  • ভারী কণা W ও Z বোসন দ্বারা বাহিত
  • ভরযুক্ত কণার উপর কাজ করে
  • পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের স্থিতিশীলতা পরিবর্তন করে

বিটা ক্ষয় (Beta Decay):

বিটা ক্ষয় হলো একটি তেজস্ক্রিয় ক্ষয় প্রক্রিয়া, যেখানে একটি পারমাণবিক নিউক্লিয়াস থেকে একটি বিটা কণা (ইলেকট্রন e⁻ অথবা পজিট্রন e⁺) নির্গত হয়। এই প্রক্রিয়া দুর্বল নিউক্লীয় বলের মাধ্যমে সংঘটিত হয়।

বিটা ক্ষয়ের প্রকারভেদ:

  1. বিটা মাইনাস ক্ষয় (β⁻ decay): একটি নিউট্রন (n) একটি প্রোটন (p), একটি ইলেকট্রন (e⁻) এবং একটি অ্যান্টিনিউট্রিনোতে (ν̄ₑ) রূপান্তরিত হয়।
  2. বিটা প্লাস ক্ষয় (β⁺ decay): একটি প্রোটন (p) একটি নিউট্রন (n), একটি পজিট্রন (e⁺) এবং একটি নিউট্রিনোতে (νₑ) রূপান্তরিত হয়।
  3. ইলেকট্রন ক্যাপচার (Electron Capture): নিউক্লিয়াস তার ভেতরের কক্ষপথ থেকে একটি ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে, যার ফলে একটি প্রোটন একটি নিউট্রনে রূপান্তরিত হয় এবং একটি নিউট্রিনো নির্গত হয়।

দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং বিটা ক্ষয়ের মধ্যে সম্পর্ক 🤝:

বিটা ক্ষয় দুর্বল নিউক্লীয় বলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এই প্রক্রিয়ায়, দুর্বল নিউক্লীয় বল নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে নিউট্রন অথবা প্রোটনের রূপান্তর ঘটায়। W ও Z বোসন নামক কণা বিনিময়ের মাধ্যমে এই বল কাজ করে।

উদাহরণস্বরূপ, বিটা মাইনাস ক্ষয়ে, একটি নিউট্রন একটি প্রোটনে রূপান্তরিত হওয়ার সময় একটি W⁻ বোসন নির্গত হয়, যা পরবর্তীতে একটি ইলেকট্রন ও একটি অ্যান্টিনিউট্রিনোতে বিভক্ত হয়।

W ও Z বোসন

W ও Z বোসন হলো দুর্বল নিউক্লীয় বলের বাহক। W বোসন (+/- চার্জযুক্ত) এবং Z বোসন (চার্জবিহীন) কণা বিনিময়ের মাধ্যমে এই বল কাজ করে।

সংক্ষেপে 🤔:

দুর্বল নিউক্লীয় বল বিটা ক্ষয়ের জন্য দায়ী। এই বল নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে কণাগুলোর রূপান্তর ঘটায়, যার ফলে নিউক্লিয়াস থেকে বিটা কণা নির্গত হয়।

দুর্বল নিউক্লীয় বল ও বিটা ক্ষয়
বৈশিষ্ট্য দুর্বল নিউক্লীয় বল বিটা ক্ষয়
কারণ মৌলিক কণাগুলোর মিথস্ক্রিয়া unstable নিউক্লিয়াস
ভূমিকা কণা রূপান্তর তেজস্ক্রিয় ক্ষয়
মাধ্যম W ও Z বোসন দুর্বল নিউক্লীয় বল

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং বিটা ক্ষয়ের মধ্যে সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করবে। 👍