লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

পরমাণুর তড়িৎ ঋণাত্মকতার ধারণা সর্বপ্রথম প্রদান করেন লিনাস পাউলিং। তিনি এই ধারণা প্রদানের মাধ্যমে রসায়ন বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।
তড়িৎ ঋণাত্মকতা হলো কোনো পরমাণুর রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় ইলেকট্রন মেঘকে নিজের দিকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা। অর্থাৎ, একটি পরমাণু অন্য পরমাণুর তুলনায় কতটা শক্তিশালীভাবে ইলেকট্রনকে নিজের দিকে টানতে পারে, সেটিই হলো তার তড়িৎ ঋণাত্মকতা। ⚡
পাউলিং একটি স্কেল তৈরি করেন যার মাধ্যমে বিভিন্ন মৌলের তড়িৎ ঋণাত্মকতা পরিমাপ করা যায়। এই স্কেলে ফ্লুরিনের (F) তড়িৎ ঋণাত্মকতা সর্বোচ্চ (3.98)।
তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য রাসায়নিক বন্ধনের ধরণ (যেমন: সমযোজী, আয়নীয়) নির্ধারণ করে। এছাড়াও, এটি যৌগের ধর্ম এবং বিক্রিয়া করার ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে।
জলের (H2O) অণুতে অক্সিজেনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা হাইড্রোজেনের চেয়ে বেশি। ফলে অক্সিজেন আংশিক ঋণাত্মক (δ-) এবং হাইড্রোজেন আংশিক ধনাত্মক (δ+) চার্জযুক্ত হয়। এই চার্জের পার্থক্যের কারণে জলের অণু পোলার হয় এবং এর বিশেষ দ্রবণ ক্ষমতা তৈরি হয়। 💧
| মৌল | তড়িৎ ঋণাত্মকতা |
|---|---|
| লিথিয়াম (Li) | 0.98 |
| বেরিলিয়াম (Be) | 1.57 |
| বোরন (B) | 2.04 |
| কার্বন (C) | 2.55 |
| সোডিয়াম (Na) | 0.93 |
পাউলিং এর তড়িৎ ঋণাত্মকতার ধারণা রসায়ন শাস্ত্রের অনেক জটিল বিষয় সহজে বুঝতে সাহায্য করে। তাঁর এই অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। 👍
আরও জানতে বিভিন্ন রসায়ন বিষয়ক ওয়েবসাইট ও বই দেখতে পারো। 📚
ধন্যবাদ! 🙏
```