টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোষের শক্তিঘর বলে কোনটিকে?

A. নিউক্লিয়াস
B. মাইটোকন্ড্রিয়া
C. রাইবোজোম
D. লাইসোজোম
E. গলগি বডি
সঠিক উত্তরঃ B. মাইটোকন্ড্রিয়া
Explanation:

Another Explanation (5):

কোষের শক্তিঘর: মাইটোকন্ড্রিয়া ⚡

মাইটোকন্ড্রিয়া হচ্ছে কোষের প্রধান শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র। এটি ইউক্যারিওটিক কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত ডিম্বাকৃতির অঙ্গাণু। এদেরকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তিঘর বলা হয়। নিচে এর গঠন ও কার্যাবলী আলোচনা করা হলো:

মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন 🔬

  • আকৃতি: সাধারণত ডিম্বাকার বা উপবৃত্তাকার। 🥚
  • আবরণী: দুটি ঝিল্লি দ্বারা বেষ্টিত – বহিঃঝিল্লি (outer membrane) ও অন্তঃঝিল্লি (inner membrane)।
  • ক্রিস্টি: অন্তঃঝিল্লিটি ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে ক্রিস্টি গঠন করে। 🧬
  • ম্যাট্রিক্স: ক্রিস্টির ভিতরের তরল পদার্থকে ম্যাট্রিক্স বলে। এতে বিভিন্ন এনজাইম, রাইবোসোম, DNA ও অন্যান্য উপাদান থাকে।
  • রাইবোসোম: মাইটোকন্ড্রিয়ার নিজস্ব রাইবোসোম (70S) আছে।
মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন

মাইটোকন্ড্রিয়ার কার্যাবলী ⚙️

  1. শক্তি উৎপাদন: ক্রেবস চক্র (Krebs cycle) ও ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইনের (electron transport chain) মাধ্যমে ATP (অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট) তৈরি করে, যা কোষের প্রধান শক্তি উৎস। 🔋
  2. কোষীয় শ্বসন: অক্সিজেন ব্যবহার করে খাদ্যকে জারিত করে শক্তি উৎপন্ন করে। 💨
  3. ক্যালসিয়াম আয়ন নিয়ন্ত্রণ: কোষের মধ্যে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ⚖️
  4. programmed cell death (apoptosis) নিয়ন্ত্রণ: কোষের স্বাভাবিক মৃত্যু প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 💀
  5. হরমোন সংশ্লেষ: কিছু হরমোন সংশ্লেষে সাহায্য করে। hormone💊

মাইটোকন্ড্রিয়ার গুরুত্ব 🌟

মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এটি শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে কোষকে সচল রাখে। মাইটোকন্ড্রিয়ার কার্যকারিতা ব্যাহত হলে বিভিন্ন রোগ হতে পারে।

মাইটোকন্ড্রিয়া সম্পর্কিত কিছু তথ্য
বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
আবিষ্কারক আলবার্ট ভন কলিকার (1857) 👨‍🔬
নামকরণ কার্ল বেন্ডা (1898) ✍️
প্রধান কাজ ATP উৎপাদন (শক্তি উৎপাদন) 💪
অবস্থান ইউক্যারিওটিক কোষের সাইটোপ্লাজম 🌍

আশা করি মাইটোকন্ড্রিয়া সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 👍

Option A Explanation:
  • নিউক্লিয়াস: নিউক্লিয়াস কোষের কেন্দ্রীয় অঙ্গাণুটি, যা কোষের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে।
  • পানি ও pH বজায় রাখা: নিউক্লিয়াসের মূল কাজের মধ্যে নয়, বরং এটি ডিএনএ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী।
  • অঙ্গাণু হিসেবে ভূমিকা: নিউক্লিয়াসের মাধ্যমে কোষের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ হয়, তবে পানি ও pH এর মাত্রা ঠিক রাখতে অন্যান্য অঙ্গাণুগুলি বেশি কার্যকর।
Option B Explanation:
  • মাইটোকন্ড্রিয়া হল কোষের একপ্রকার অঙ্গ, যা জীবনীশক্তি উৎপাদনে মূল ভূমিকা পালন করে।
  • এটি কোষের শক্তি কেন্দ্র (Powerhouse of the Cell) হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি এন্ট্রি করে শক্তি সংশ্লেষণে সহায়তা করে।
  • মাইটোকন্ড্রিয়া নিজেদের ডিএনএ ধারণ করে এবং নিজেদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন উৎপাদন করতে সক্ষম।
  • এটি প্রায় সব ধরনের ইওক্যারিয়টিক কোষে পাওয়া যায়, যেমন উদ্ভিদ, প্রাণী ও ছত্রাক কোষে।
  • মাইটোকন্ড্রিয়ার অভ্যন্তরে ক্রিয়াকলাপের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ও প্রোটিন রয়েছে যা শর্করা, ফ্যাট ও প্রোটিনের বিপাকের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করে।
Option C Explanation:
  • রাইবোজোম: রাইবোজোম হল কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী অঙ্গানু। এটি সাধারণত কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এবং দুটি ধরণের হতে পারে: ফ্রি রাইবোজোম এবং রিটিকুলার এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER)-এর সাথে যুক্ত রাইবোজোম।
  • অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: রাইবোজোমের মধ্যে রাইবোজোমের উপাদানগুলি প্রধানত RNA এবং প্রোটিন। এগুলি ছোট, গোলাকার গঠন, যা প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
  • অঙ্গানুর গঠন: রাইবোজোম সাধারণত দুটি উপাদানে গঠিত: ছোট এবং বড় উপাদান। এগুলি একসাথে জোড়া হয়ে কাজ করে, এবং এর মধ্যে RNA এর উপস্থিতি প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক।
  • অঙ্গানুর কার্যকারিতা: রাইবোজোমের মূল কাজ হল অ্যামিনো অ্যাসিডের যোগান দিয়ে প্রোটিন তৈরি করা, যা কোষের বিভিন্ন কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • লাইসোজোম: লাইসোজোম হল একটি অণুকোষী বা ইউক্যারিওটিক কোষে থাকা এক ধরনের অঙ্গাণু যা জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ও কণিকাগুলি ভেঙে ফেলার জন্য কাজ করে।
  • ভিত্তি: লাইসোজোমের মধ্যে বিভিন্ন এঞ্জাইম থাকে, যেমন হাইড্রোলাইসিস এঞ্জাইম, যা পচনপ্রক্রিয়া চালায়।
  • গঠন: এটি সাধারণত গ্লাইকলিপিড দিয়ে আবৃত, যার ভিতরে এঞ্জাইম ও বিভিন্ন প্রকারের প্রোটিন থাকে।
  • কাজ: এটি জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ভেঙে নতুন উপাদানে রূপান্তর করে, যা কোষের স্বাভাবিক কার্যকলাপে সহায়তা করে।
  • উপকারিতা: কোষের পরিপক্বতা ও পুনঃপ্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option E Explanation:

গলগি বডি (Golgi Apparatus) সম্পর্কে ব্যাখ্যা:

  • অবস্থান: গলগি বডি কোষের সেন্ট্রোলের কাছাকাছি অবস্থিত, সাধারণত পরিপাকতন্ত্রের পাশে দেখা যায়।
  • গঠন: এটি স্তরযুক্ত ঝিল্লিযুক্ত ভাস্কর্য, যা একাধিক স্ল্যাম বা স্তরের মতো দেখায়।
  • মূল কাজ:
    • প্রোটিন ও লিপিডের প্যাকেজিং ও ট্রান্সপোর্ট;
    • প্রোটিনের সংশোধন ও গন্তব্যে পৌঁছানো নিশ্চিতকরণ;
    • নতুন লিপিড ও প্রোটিন তৈরির জন্য সহায়তা।
  • অন্য নাম: এটি "সেলের প্যাকেজিং প্ল্যান্ট" বা "রিপোর্টিং স্টেশন" হিসেবেও পরিচিত।
  • সাধারণত পাওয়া যায়: সমস্ত ইউক্যারিওটিক কোষে, বিশেষ করে পশু ও উদ্ভিদ কোষে।