লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
মেন্ডেলের প্রথম সূত্র, যা পৃথকীকরণের সূত্র নামেও পরিচিত, বংশগতির মৌলিক ভিত্তি স্থাপন করেছে। এই স??ত্র অনুযায়ী, জীবের মধ্যে কোনো বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিনগুলো জোড়ায় অবস্থান করে এবং জননকোষ (Gamete) তৈরির সময় তারা পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়। এর ফলে প্রতিটি জননকোষ একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি মাত্র অ্যালিল (Allele) ধারণ করে।
মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হলো F2 বংশধরের ৩:১ অনুপাত। এটি একটি মনোহাইব্রিড ক্রসের (Monohybrid cross)ফলাফল, যেখানে একটি বৈশিষ্ট্যের দুটি ভিন্ন অ্যালিলের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটানো হয়।
F1 জনুর সংকর জীব (Tt) থেকে দুই ধরনের জননকোষ সৃষ্টি হয়: T এবং t। যখন দুটি F1 জীবের মধ্যে ক্রস ঘটানো হয়, তখন চারটি সম্ভাব্য সমন্বয় তৈরি হতে পারে:
| T | t | |
|---|---|---|
| T | TT (লম্বা) | Tt (লম্বা) |
| t | Tt (লম্বা) | tt (খাটো) |
উপরের টেবিল থেকে দেখা যায়, চারটি সম্ভাব্য সমন্বয়ের মধ্যে তিনটি লম্বা (TT, Tt, Tt) এবং একটি খাটো (tt)। সুতরাং, F2 জনুতে লম্বা এবং খাটো গাছের অনুপাত হয় ৩:১।
🌻 ধরি, মটরশুঁটি গাছের ফুলের রং নিয়ে একটি ক্রস করা হলো। লাল ফুল (RR) এবং সাদা ফুল (rr)। F1 generation এ সব গাছ সংকর (Rr) এবং লাল ফুল হবে। F2 generation এ ৩:১ অনুপাতে লাল ও সাদা ফুল পাওয়া যাবে। 🌷
🤔 এই ৩:১ অনুপাত মেন্ডেলের বংশগতির ধারণাকে বুঝতে সহায়ক। 🧬
📚 আরও জানতে, মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র এবং মনোহাইব্রিড ক্রস নিয়ে আরও পড়ুন। 📖