Explanation:
সাইটোপ্লজমিক শ্বসন কে বলা হয় গ্লাইকোলাইসিস৷
Ref-P-317,Hasan Sir.
Option A Explanation: ```html
গ্লাইকোলাইসিস
প্রক্রিয়া: গ্লাইকোলাইসিস হল একটি প্রধান শ্বসনের ধাপ যেখানে গ্লুকোজ অর্ধভাগে ভেঙে যায়।
অবস্থান: এটি সাইটোপ্লাজমে ঘটে, কোষের ভিতরে।
উৎপাদন: এই প্রক্রিয়ায় ২ টি অ্যাটিপিক্যাল এডিপি, ২ টি নাইট্রেটেড ডাইঅক্সাইড, ২ টি অ্যাটিপিক্যাল এনএডি এইচ-জি উৎপন্ন হয়।
উদ্দেশ্য: গ্লাইকোলাইসিস মূলত গ্লুকোজের অর্ধভাগ ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করে, যা পরে ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন পরিবহন তন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
অর্থ: এটি অ্যানারোবিক বা অক্সিজেনের উপস্থিতিতে মুক্ত শক্তি উৎপাদনের একটি প্রাথমিক ধাপ।
```
Option B Explanation:
TCA চক্র (ট্রাইক্লিক অ্যাসিড চক্র)
অন্য নাম: ক্রেবস চক্র বা সাইকেল অব সাইকেল
অবস্থান: মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে
মূল উদ্দেশ্য: পর্যাপ্ত এনার্জি উৎপাদনের জন্য অ্যাসিটিল-সহ-সাংঘটনায় জৈব যৌগের অক্সিডেশন
প্রক্রিয়া:
অ্যাসিটিল-CoA (Acetyl-CoA) প্রথমে অক্সিডাইজ হয়
এটি সাইকেলের মধ্যে দিয়ে যায়, যেখানে বিভিন্ন ইটারজেনিক স্টেপের মাধ্যমে কোরবন ডাই অক্সাইড (CO2) মুক্ত হয়
এনজাইমের সহায়তায় NADH, FADH2, এবং GTP বা ATP উৎপন্ন হয়
উৎপন্ন উপকরণ: NADH, FADH2, GTP বা ATP, CO2
অর্থ: এই চক্রটি জীবাণুর শক্তি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেনেলকে শক্তি প্রদান করে যা ATP তৈরিতে সাহায্য করে।
Option C Explanation:
ETS পর্যায় (Electron Transport System)
এটি মাইটোকন্ড্রিয়ার ভিতরে অবস্থিত একটি জটিল প্রক্রিয়া।
এটি মূলত অক্সিজেনের উপস্থিতিতে NADH এবং FADH2 থেকে উৎপন্ন ইলেকট্রন ট্রান্সফার করে।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে এডিনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) তৈরি হয়।
ইলেকট্রন ট্রান্সফার চেনের মাধ্যমে ইলেকট্রন গমন করে, যার ফলে প্রোটন গ্রেডিয়েন্ট সৃষ্টি হয়।
অবশেষে, এই প্রোটন গ্রেডিয়েন্ট ব্যবহৃত হয় অ্যাটিপি সিন্থেজে, যা কোষের শক্তি সরবরাহের মূল উৎস।
Option D Explanation:
ক্রেবস চক্র বা ক্রীবস চক্র, যা অ্যাসিটিল কোএনজাইম এ নামে পরিচিত, মানের মধ্যে পুষ্টি উপাদানগুলোকে শক্তিতে রূপান্তর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া।
এটি মূলত মেটাবোলিজমের এক ধাপ, যেখানে কার্বন-আঠারো (carbon-atom) যুক্ত যৌগগুলোকে ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হয়।
প্রধানত এই চক্রের মাধ্যমে সুক্রোজের মতো কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাটের ভাঙা অংশগুলোকে পরিপাক ও শক্তিতে রূপান্তর করা হয়।
ক্রেবস চক্রের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় ATP (অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট), যা জীবিত কোষের জন্য মূল শক্তির উৎস।
এই প্রক্রিয়াটি মেটাবোলিজমের কেন্দ্রবিন্দু, যা জীবের জীবনীপ্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য।