লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কঙ্কালপেশি আমাদের শরীরের নড়াচড়া ও অঙ্গবিন্যাস নিয়ন্ত্রণে অত্যাবশ্যকীয়। এই পেশি প্রধানত মায়োসিন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত। এছাড়াও, অ্যাকটিন, ট্রপোমায়োসিন ও ট্রোপোনিন-এর মতো অন্যান্য প্রোটিনও কঙ্কালপেশির গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 👇
পেশি সংকোচন একটি জটিল প্রক্রিয়া। এখানে মায়োসিন, অ্যাকটিন এবং ক্যালসিয়াম আয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
| প্রোটিন | ভূমিকা |
|---|---|
| মায়োসিন | ATP ভেঙে শক্তি সরবরাহ করে এবং অ্যাকটিনের সাথে যুক্ত হয়ে পেশি সংকোচন ঘটায়। |
| অ্যাকটিন | মায়োসিনের সাথে যুক্ত হওয়ার স্থান সরবরাহ ???রে। |
| ট্রপোমায়োসিন | পেশি যখন বিশ্রামরত থাকে তখন মায়োসিনের সাথে অ্যাকটিনের সংযোগ বন্ধ রাখে। |
| ট্রোপোনিন | ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে ট্রপোমায়োসিনের অবস্থান পরিবর্তন করে মায়োসিনকে অ্যাকটিনের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে। |
কঙ্কালপেশি অসংখ্য পেশি তন্তু দিয়ে গঠিত। প্রতিটি তন্তু আবার মায়োফাইব্রিল নামক আরও ছোট তন্তু দিয়ে তৈরি। মায়োফাইব্রিলে অ্যাকটিন ও মায়োসিন ফিলামেন্টগুলো সারকোমিয়ার নামক একটি নির্দিষ্ট বিন্যাসে সজ্জিত থাকে। এই সারকোমিয়ারগুলোই পেশি সংকোচনের মূল একক।
আরও জানতে এই বিষয়ে গবেষণা পত্র 🔎 এবং পাঠ্যবই 📚 পড়ুন। সুস্থ থাকুন! 😊