টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

হিমোজয়েন কোথায় তৈরী হয়?

A. অযৌন  চক্রে
B. স্পোরোগনিতে
C. সাইজোগনিতে
D. মেরোগনিতে
সঠিক উত্তরঃ A. অযৌন  চক্রে
Explanation:

Another Explanation (5):

হিমোজয়েন উৎপাদন: একটি একাডেমিক আলোচনা 🔬

হিমোজয়েন ম্যালেরিয়া পরজীবীর (Plasmodium) লোহিত রক্তকণিকার অভ্যন্তরে অযৌন প্রজনন চক্রের একটি উপজাত। এটি ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টিকারী পরজীবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। নিচে এর উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং তাৎপর্য আলোচনা করা হলো:

হিমোজয়েন কি? 🤔

হিমোজয়েন হলো মূলত পলিহেমিটিন নামক একটি রাসায়নিক যৌগ যা ম্যালেরিয়া পরজীবী কর্তৃক হেমোগ্লোবিন হজম করার সময় তৈরি হয়। এটি পরজীবীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই তারা এটিকে দ্রবণীয় এবং অবিষাক্ত স্ফটিক আকারে পরিণত করে নিজেদের রক্ষা করে।

উৎপাদন প্রক্রিয়া ⚙️

  1. হেমোগ্লোবিন গ্রহণ: ম্যালেরিয়া পরজীবী লোহিত রক্তকণিকা থেকে সাইটোস্টোম নামক বিশেষ অঙ্গাণুর মাধ্যমে হেমোগ্লোবিন গ্রহণ করে। 🩸
  2. হেমের মুক্তি: হেমোগ্লোবিন হজম করার সময় হেম (heme) নামক একটি বিষাক্ত উপাদান নির্গত হয়।
  3. হিমোজয়েন গঠন: এই হেম অণুগুলো একত্রিত হয়ে হিমোজয়েন স্ফটিক গঠন করে। এটি মূলত হেমের পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়া।
  4. কোষে জমা: হিমোজয়েন পরজীবীর খাদ্য গহ্বরে (food vacuole) জমা থাকে।

হিমোজয়েনের তাৎপর্য importance ✨

  • পরজীবীর সুরক্ষা: হিমোজয়েন তৈরির মাধ্যমে পরজীবী হেমের বিষাক্ততা থেকে নিজেকে রক্ষা করে। 🛡️
  • রোগ নির্ণয়: রক্তে হিমোজয়েনের উপস্থিতি ম্যালেরিয়া সংক্রমণের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক।
  • ঔষধের লক্ষ্যবস্তু: হিমোজয়েন গঠন প্রক্রিয়া ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ঔষধ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু। অনেক ঔষধ, যেমন ক্লোরোকুইন, হিমোজয়েন উৎপাদনে বাধা দেয়। 💊

হিমোজয়েন গঠন প্রক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত চিত্র 🖼️

ধাপ বর্ণনা গুরুত্ব
হেমোগ্লোবিন গ্রহণ পরজীবী লোহিত রক্তকণিকা থেকে হেমোগ্লোবিন গ্রহণ করে। পরজীবীর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে।
হেম মুক্তি হেমোগ্লোবিন হজম হওয়ার সময় বিষাক্ত হেম নির্গত হয়। হিমোজয়েন তৈরির পূর্ব শর্ত।
হিমোজয়েন গঠন হেম অণুগুলো একত্রিত হয়ে স্ফটিক গঠন করে। পরজীবীকে বিষাক্ততা থেকে রক্ষা করে।
জমা হিমোজয়েন খাদ্য গহ্বরে জমা থাকে। পরজীবীর অভ্যন্তরে নিরাপদ almacenamiento নিশ্চিত করে।

আরও কিছু তথ্য ➕

ক্লিক করুন
  • হিমোজয়েন গঠন প্রক্রিয়া ম্যালেরিয়া পরজীবীর বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যক।
  • হিমোজয়েনকে লক্ষ্য করে নতুন ঔষধ তৈরির গবেষণা চলছে।
  • বিভিন্ন প্রকার ম্যালেরিয়া পরজীবীর মধ্যে হিমোজয়েনের গঠন ভিন্ন হতে পারে।

আশা করি, এই আলোচনা হিমোজয়েন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে। 🙏

Option A Explanation:
  • অযৌন চক্রে হিমোজয়েনের উৎপাদন ঘটে যখন বিভিন্ন জীবাণু বা শৈবাল গোষ্ঠীর কোষ বিভাজনের মাধ্যমে নতুন ব্যক্তির সৃষ্টি হয়।
  • এতে সাধারণত জেনেটিক উপাদান পরিবর্তিত হয় না, অর্থাৎ এটি অযৌন প্রজননের একটি রূপ।
  • প্রক্রিয়াটি দ্রুত এবং সহজ, কারণ এতে যৌন সংস্পর্শের প্রয়োজন হয় না।
  • উৎপাদিত হিমোজয়েন সাধারণত একই প্রজাতির অন্যান্য কোষের সাথে সমান হয়।
  • উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের বিভাজন হতে পারে, যেমন বিভাজন বা কণিকা বিভাজন।
Option B Explanation: ```html
  • স্পোরোগনিতে: স্পোরোগনি হলো একটি পর্যায় যেখানে অণুজীবের জীবনচক্রে স্পোরের উৎপাদন ঘটে।
  • এটি সাধারণত সুমিষ্ট, শীতল বা আর্দ্র পরিবেশে ঘটে।
  • স্পোরোগনি প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক স্পোর সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে নতুন অণুজীবের জন্ম দিতে সক্ষম।
  • এটি বেশিরভাগতই ছত্রাকের জীবনচক্রের অংশ।
```
Option C Explanation:

সাইজোগনি (Sporogony) এর ব্যাখ্যা:

  • সাইজোগনি হলো একটি জীববৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া, যেখানে পরজীবী প্রজাতির অজৈব অণুজীব বা পরজীবী একক কোষ থেকে মাল্টি কোষে পরিণত হয়।
  • এটি সাধারণত পরজীবী পরজীবীর জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
  • সাইজোগনি প্রক্রিয়ায়, কোষ বিভাজনের মাধ্যমে নতুন পরজীবী উৎপন্ন হয়।
  • প্রক্রিয়াটি বিভিন্ন পরজীবীর জীবচক্রে বিভিন্ন ধাপে ঘটে, যেমন প্যারাসাইটিক জীববৈচিত্র্যে।
  • উদাহরণস্বরূপ, প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপারাম পরজীবীর জীবনচক্রে সাইজোগনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation: ```html
  • মেরোগনি: এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে অঙ্কুরের মাধ্যমে নতুন গাছ বা উদ্ভিদ গঠিত হয়।
  • মেরোগনি সাধারণত বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শৈলীতে ঘটে, যেমন কিছু অ্যাম্বুবিয়ান, শৈবাল ও ছত্রাকের মধ্যে।
  • এটি প্রাকৃতিকভাবে বা কৃষি ও বাগানপ্রণালীতে ব্যবহৃত হয় নতুন গাছ উৎপাদনের জন্য।
```