টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

লিথাল জিনের প্রভাবে কোনটি হয় না?

A. অটিজম
B. হিমোফিলিয়া
C. থ্যালাসেমিয়া
D. ড্রসোফিলার লুপ্তপ্রায় ডানা
সঠিক উত্তরঃ A. অটিজম
Explanation: লিথাল জিনের প্রভাবজনিত রোগ: হিমোফিলিয়া, ড্রাসোফিলার লুপ্তপ্রায় ডানা, থ্যালাসেমিয়া, সিকল সেল অ্যানিমিয়া, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, রেটিনোব্লাস্টোমা, ব্রাকিফ্যালাঞ্জি, কনজেনিটাল ইকথিওসিস।
Another Explanation (3):

লিথাল জিনের প্রভাবে কোনটি হয় না?

  1. অটিজম (Correct)
  2. হিমোফিলিয়া (Incorrect)
  3. থ্যালাসেমিয়া (Incorrect)
  4. ড্রসোফিলার লুপ্তপ্রায় ডানা (Incorrect)

ব্যাখ্যা:

সঠিক উত্তর হলো A. অটিজম।

লিথাল জিন (Lethal Gene)

লিথাল জিন হলো সেই জিন যা জীবের মৃত্যু ঘটায়। এই জিন হোমোজাইগাস অবস্থায় জীবের জন্য মারাত্মক হতে পারে। কিছু লিথাল জিন হেটেরোজাইগাস অবস্থায়ও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও তা সরাসরি মৃত্যুর কারণ নাও হতে পারে।

লিথাল জিনের প্রভাব

বিকল্পে দেওয়া অন্যান্য রোগ বা বৈশিষ্ট্যগুলো লিথাল জিনের প্রভাবে ঘটতে পারে:

রোগ/বৈশিষ্ট্য কারণ লিথাল জিনের প্রভাব আছে কিনা
হিমোফিলিয়া রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় জড়িত প্রোটিনের অভাবজনিত জিনগত রোগ। এটি সেক্স-লিংকড রিসেসিভ জিন দ্বারা বাহিত হয়। কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক রক্তক্ষরণ হলে লিথাল হতে পারে, তবে সরাসরি লিথাল জিন দ্বারা সৃষ্ট নয়।
থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে ত্রুটিযুক্ত জিনগত রোগ। এটি অটোজোমাল রিসেসিভ জিন দ্বারা বাহিত হয়। থ্যালাসেমিয়ার মেজর রূপ মারাত্মক হতে পারে এবং চিকিৎসা না করালে শৈশবে মৃত্যু ঘটাতে পারে। এটি লিথাল জিনের প্রভাবে ঘটতে পারে।
ড্রসোফিলার লুপ্তপ্রায় ডানা ড্রসোফিলার একটি বৈশিষ্ট্য যা একটি রিসেসিভ লিথাল জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। হোমোজাইগাস অবস্থায় এই জিনটি ডিম্বাণুর বিকাশের সময় মৃত্যু ঘটায়। হ্যাঁ, এটি লিথাল জিনের একটি উদাহরণ।
অটিজম এটি একটি জটিল স্নায়বিক বিকাশজনিত অবস্থা যা সামাজিক মিথস্ক্রিয়া, যোগাযোগ এবং আচরণের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করে। এর কারণ সম্পূর্ণরূপে জানা যায়নি, তবে জিনগত এবং পরিবেশগত কারণের সংমিশ্রণকে দায়ী করা হয়। অটিজম সরাসরি লিথাল জিনের প্রভাবে ঘটে না। এটি মাল্টিফ্যাক্টরিয়াল ডিসঅর্ডার, যেখানে একাধিক জিন এবং পরিবেশগত কারণ ভূমিকা রাখে।

সিদ্ধান্ত

অটিজম লিথাল জিনের প্রভাবে ঘটে না। এটি একটি জটিল স্নায়বিক বিকাশজনিত অবস্থা, যার সাথে একাধিক জিন এবং পরিবেশগত কারণ জড়িত। অন্যদিকে, হিমোফিলিয়া এবং থ্যালাসেমিয়া জিনগত রোগ হলেও, অটিজম সরাসরি লিথাল জিন দ্বারা সৃষ্ট নয়। ড্রসোফিলার লুপ্তপ্রায় ডানা সরাসরি লিথাল জিনের প্রভাবে ঘটে।

অতএব, সঠিক উত্তর হলো অটিজম, যা লিথাল জিনের প্রভাবে হয় না।

সঠিক উত্তর: A. অটিজম

Option A Explanation:

অটিজম সম্পর্কে ব্যাখ্যা

  • অটিজম: এটি একটি মানসিক বিকাশজনিত বিকলাঙ্গতা, যা সাধারণত শিশুকালেই প্রকাশ পায়।
  • প্রধান লক্ষণসমূহে থাকে ভাষার বিকাশে সমস্যা, সামাজিক যোগাযোগে দুর্বলতা এবং স্বতন্ত্র আচরণ বা আগ্রহের বৈচিত্র্য।
  • অটিজমের পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে, যেমন জেনেটিক কারণ, পরিবেশগত প্রভাব এবং মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা।
  • এটি একটি জেনেটিক বা বংশগত রোগ নয়, তবে কিছু জেনেটিক পরিবর্তন অটিজমের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • অটিজমের জন্য কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ বা সম্পূর্ণ নিরাময় কৌশল এখনো আবিষ্কৃত হয়নি, তবে থেরাপি ও শিক্ষণ পদ্ধতি মাধ্যমে এর প্রভাব কমানো সম্ভব।
Option B Explanation:

হিমোফিলিয়া

  • একটি জেনেটিক রক্তের রোগ যা রক্তের ক্লটিং প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়।
  • এতে রক্তপাতের সমস্যা হয়, বিশেষ করে হাড় বা পেশিতে রক্তক্ষরণ হয়।
  • প্রধানত এটি এক্স-ক্রোমোসোম সংক্রান্ত অটোসোমাল রেসেসিভ বা ডোমিন্যান্ট ধরণের হতে পারে।
  • সাধারণ লক্ষণ: সহজ রক্তপাত, দীর্ঘ সময় ধরে রক্তপাত, হাড় বা পেশিতে রক্তের জমাট বাঁধার অসুবিধা।
  • উপচার: রক্তের ক্লটিং উপাদান বা ফ্যাক্টর ভি এর ইনজেকশন দ্বারা চিকিৎসা হয়।
Option C Explanation:
  • থ্যালাসেমিয়া: এটি একটি জেনেটিক রক্তের রোগ, যেখানে হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন কমে যায় বা বিকৃত হয়।
  • প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে অকাল রক্তাল্পতা, দুর্বলতা, তৃষ্ণা, ও হাড়ের ক্ষয়।
  • এটি সাধারণত লিথাল জিনের প্রভাবে হয় না, বরং এটি একটি জেনেটিক বা অনুপ্রেরণামূলক রোগ।
Option D Explanation:
  1. ড্রসোফিলার লুপ্তপ্রায় ডানা হলো একটি জিনগত অবস্থা যা সাধারণত মানুষের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন বা বিকাশে প্রভাব ফেলে। এটি একটি অপ্রচলিত বা বিরল জিনগত রোগ, যেখানে ড্রসোফিলার বা ড্রসোফিলার প্রভৃতি অঙ্গের গঠন বা কার্যক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  2. এটি মূলত অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠনমূলক বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং অন্য জিনের প্রভাব বাজনিত রোগের মতো নয়।
  3. প্রধানত এটি একটি শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা গঠনগত সমস্যা, যা জেনেটিক পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়।
  4. অতএব, এতে কোনও জিনের প্রভাবে রোগের মতো অটিজম, হিমোফিলিয়া বা থ্যালাসেমিয়া হয় না।