টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন বিবর্তনীয় প্রমাণ নির্দেশ করে ব্যক্তিজনি জাতিজনির পুনরাবৃত্তি করে”?

A.

জিনগত প্ৰমাণ

B.

ভ্রূণতাত্ত্বিক প্ৰমাণ

C.

ভৌগোলিক প্রমাণ

D.

কোষতাত্ত্বিক প্রমাণ

সঠিক উত্তরঃ B.

ভ্রূণতাত্ত্বিক প্ৰমাণ

Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর: **"ভ্রূণতাত্ত্বিক প্ৰমাণ"** **ব্যাখ্যা:** ভ্রূণতত্ত্ব বা এমব্রিওলজি (Embryology) হলো জীবের বিকাশের প্রক্রিয়া ও তার বিভিন্ন পর্যায়ের অধ্যয়ন। এই প্রমাণটি জীবের বিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ:
  • সদ্যোজাতের বিকাশের পুনরাবৃত্তি: জীবের বিকাশের সময়ে embryo বা ভ্রূণটি তার পূর্বপুরুষের বৈশিষ্ট্যগুলির কিছু পুনরাবৃত্তি করে। উদাহরণস্বরূপ, মানুষ ও অন্যান্য স্তন্যপায়ীর embryo-তে কিছু অঙ্গের গঠন বা বৈশিষ্ট্য দেখা যায় যা তাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক বা প্রাগৈতিহাসিক পূর্বপুরুষদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
  • ফিনের অঙ্গসংস্থান: মাছের embryo-তে যেমন ফিনের অঙ্গের গঠন দেখা যায়, যা পরবর্তীতে অদৃশ্য হয়ে যায় বা পরিবর্তিত হয়। এটি জীবের বিবর্তনীয় ইতিহাসের দৃষ্টান্ত।
  • ক্লাডাল বৈশিষ্ট্য: বিভিন্ন জীবের embryo-তে দেখা যায় ক্লাডাল বৈশিষ্ট্য, যেমন গলার কাটা বা গলার অঙ্গ, যা বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে সাধারণ কিন্তু পরবর্তীতে ভিন্ন রূপে বিকশিত হয়।
**উপসংহার:** এমব্রিওলজির এই দিকটি দেখায় যে জীবের বিকাশের প্রক্রিয়ায় তার বিবর্তনীয় ইতিহাসের ছাপ লুকানো থাকে। এই বিবর্তনীয় প্রমাণটি বলে দেয় যে জীবের embryo-র গঠন ও বিকাশের মাধ্যমে আমরা তার পূর্বপুরুষ ও বিবর্তনের পথের ব্যাপারে তথ্য পেতে পারি, যা "ব্যক্তিজনি জাতিজনির পুনরাবৃত্তি" এর ধারণাকে সমর্থন করে।
Option A Explanation:
  • জিনগত প্ৰমাণ: এই প্রমাণটি বিবর্তনের ধারাকে বোঝাতে সাহায্য করে কারণ এটি জীবের জীনগত কাঠামো এবং ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে জীবের বিবর্তনীয় ইতিহাস ও সম্পর্কের প্রমাণ প্রদান করে।
  • আনুবংশিকতা: বিভিন্ন জীবের জিনের অনুরূপতা থেকে বোঝা যায় তারা সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে বিবর্তিত।
  • প্রাচীন জীবের জিনোমের অনুসন্ধান: পুরনো জীবের জিনের কাঠামো বর্তমান জীবের তুলনায় বিশ্লেষণ করে বিবর্তনের ধারাকে সমর্থন করা হয়।
  • জিনের পরিবর্তন ও অপ্রচলিততা: বিবর্তনের সময় জিনের পরিবর্তন বা অপ্রচলিততা দেখা যায়, যা প্রমাণ করে জীবের বিবর্তনীয় পরিবর্তন।
  • উপসংহার: এই প্রমাণটি জীবের বিবর্তনীয় ইতিহাসে জিনের পরিবর্তন ও সম্পর্কের স্পষ্ট ছবি প্রদান করে, যা ব্যক্তিজনি জাতিজনির পুনরাবৃত্তি নির্দেশ করে।
Option B Explanation:

ভ্রূণতাত্ত্বিক প্ৰমাণ

  • অর্থ: ভ্রূণতত্ত্বের মাধ্যমে দেখা যায় যে, বিভিন্ন প্রাণীর ভ্রূণ একসাথে অনেক সময়ে একই রকমের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
  • প্রমাণের উপাদান: বিভিন্ন প্রাণীর শৈশবকালীন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের গঠন ও বিকাশের ধাপগুলো মিলেমিশে থাকে।
  • উদাহরণ: মানব, কুমির, পেঙ্গুইন ও মাছের ভ্রূণের গঠন অনেকটাই একই রকম, যা তাদের সাধারণ পূর্বপুরুষের অস্তিত্ব নির্দেশ করে।
  • অর্থনৈতিক গুরুত্ব: এই প্রমাণটি বিবর্তনের ধারনা সমর্থন করে, যেখানে জীবের উন্নয়ন ও বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির ভ্রূণীয় বৈশিষ্ট্য পুনরাবৃত্তি হয়।
Option C Explanation:

ভৌগোলিক প্রমাণ

  • প্রাকৃতিক পরিবেশে বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির জীবের অবস্থান লক্ষ্য করা যায়।
  • অন্য অঞ্চলের প্রজাতিগুলির মধ্যে পার্থক্য বা সাদৃশ্য দেখা যায়, যা বিবর্তনের ধারাকে নির্দেশ করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, বিভিন্ন মহাদেশে অবস্থিত সরাসরি সংযোগবিহীন দ্বীপপুঞ্জের জীববৈচিত্র্য দেখে বোঝা যায় যে, জীবের স্থানীয় পরিবেশ অনুযায়ী বিবর্তিত হয়েছে।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরণের জীবের উদ্ভব ও বিবর্তন ঘটে, যা বিবর্তনের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • অতএব, ভৌগোলিক অবস্থান ও জীববৈচিত্র্যের বিন্যাস বিবর্তনের ধারাকে সমর্থন করে।
Option D Explanation:
  • কোষতাত্ত্বিক প্রমাণ: কোষতত্ত্বের মাধ্যমে দেখা যায় যে, সব জীবের কোষের গঠন ও কার্যপ্রণালী প্রায় একই রকম।
  • এটি নির্দেশ করে যে, জীবের মূল গঠন ও কার্যপ্রণালী একসাথে বিকশিত হয়েছে এবং জীবের মধ্যে এক মূল সত্তার থেকে আলাদা আলাদা বিবর্তন হয়েছে।
  • বিশেষ করে, জীবের কোষের নিউক্লিয়াস, ডিএনএ, রিবোসোম ইত্যাদির গঠন ও কার্যপ্রণালী প্রায় একই রকম থাকায় বোঝা যায় যে, জীবের বিবর্তনের প্রাথমিক ধাপে এই উপাদানগুলো এক রকম ছিল।
  • এই প্রমাণ দ্বারা বোঝা যায় যে, বিভিন্ন জীবের মধ্যে জেনেটিক ও কোষগত গড়নগত সম্পর্ক বিদ্যমান, যা জীবের পুনরাবৃত্তি ও বিবর্তনের ধারাকে নির্দেশ করে।