লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা কিছু অঞ্চলকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার জন্য "ডোমিনিয়ন" মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। এই মর্যাদা মূলত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যথেষ্ট স্বাধীনতা দিলেও, বৈদেশিক নীতি এবং প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ব্রিটিশ Crown এর প্রতি আনুগত্য বজায় রাখতে হতো। তাই, ডোমিনিয়নগুলো সম্পূর্ণরূপে সার্বভৌম রাষ্ট্র ছিল কিনা, তা একটি আলোচনার বিষয়। 🤔
একটি রাষ্ট্রকে সার্বভৌম হিসেবে গণ্য করার জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা আবশ্যক:
যদিও ডোমিনিয়নগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যথেষ্ট স্বাধীনতা ছিল, তবুও কিছু সীমাবদ্ধতা তাদের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে:
| বিষয় | সীমাবদ্ধতা |
|---|---|
| বৈদেশিক নীতি | ব্রিটিশ সরকারের সাথে সমন্বয় করে বৈদেশিক নীতি নির্ধারণ করতে হতো। |
| প্রতিরক্ষা | ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রতিরক্ষার অংশ হিসেবে কাজ করত। |
| সাংবিধানিক ক্ষমতা | ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কিছু ক্ষেত্রে ডোমিনিয়নের সংবিধান পরিবর্তন করতে পারত। |
| আইন প্রণয়ন | ব্রিটিশ আইন কিছু ক্ষেত্রে ডোমিনিয়নের উপর প্রযোজ্য হতে পারত। |
ডোমিনিয়নগুলো সম্পূর্ণরূপে সার্বভৌম ছিল না, তবে তারা স্ব-সরকারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল। স্ট্যাটাস অফ ওয়েস্টমিনস্টার ১৯৩১ এর মাধ্যমে তারা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে স্বাধীনতা অর্জন করে এবং ধীরে ধীরে পূর্ণ সার্বভৌমত্বের দিকে অগ্রসর হয়। সময়ের সাথে সাথে, তারা কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের ভূমিকা প্রতিষ্ঠা করে। 🌟 ডোমিনিয়নগুলোর এই বিবর্তন প্রমাণ করে যে সার্বভৌমত্ব একটি স্থিতিশীল অবস্থা নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।
বর্তমানে, বেশিরভাগ ডোমিনিয়ন রাষ্ট্রই সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন এবং সার্বভৌম। 🥳
```