টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
To-do Submit
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ব্রিটিশ “ডোমিনিয়ন” গুলো রাষ্ট্র কেন?

A. জনসমষ্টি আছে
B. ভূখন্ড আছে
C. সরকার আছে
D. সার্বভৌমত্ব আছে
সঠিক উত্তরঃ D. সার্বভৌমত্ব আছে
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ব্রিটিশ ডোমিনিয়ন রাষ্ট্র: একটি ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা কিছু অঞ্চলকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার জন্য "ডোমিনিয়ন" মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। এই মর্যাদা মূলত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যথেষ্ট স্বাধীনতা দিলেও, বৈদেশিক নীতি এবং প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ব্রিটিশ Crown এর প্রতি আনুগত্য বজায় রাখতে হতো। তাই, ডোমিনিয়নগুলো সম্পূর্ণরূপে সার্বভৌম রাষ্ট্র ছিল কিনা, তা একটি আলোচনার বিষয়। 🤔

ডোমিনিয়ন রাষ্ট্র হওয়ার প্রেক্ষাপট

  • ঐতিহাসিক বিবর্তন: উনিশ শতকের শেষ দিকে এবং বিশ শতকের শুরুতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা কলোনিগুলোতে জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটে। এর ফলস্বরূপ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো কলোনিগুলো বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানায়।
  • স্ট্যাটাস অফ ওয়েস্টমিনস্টার ১৯৩১: এই আইনের মাধ্যমে ডোমিনিয়নগুলোর আইন প্রণয়ন এবং বৈদেশিক নীতি নির্ধারণের ক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি করা হয়। এটি তাদের স্ব-সরকার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। 📜
  • সাম্রাজ্যের রূপান্তর: ডোমিনিয়নগুলোর ক্রমাগত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিকাশের ফলে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ধীরে ধীরে একটি স্বেচ্ছাসেবী কমনওয়েলথ অফ নেশনস-এ রূপান্তরিত হয়। 🤝

সার্বভৌমত্বের বৈশিষ্ট্য

একটি রাষ্ট্রকে সার্বভৌম হিসেবে গণ্য করার জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা আবশ্যক:

  1. নিজস্ব ভূখণ্ড 🗺️
  2. স্থায়ী জনসংখ্যা 🧑‍🤝‍🧑
  3. সরকার 🏛️
  4. অন্য কোনো রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ছাড়া অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের ক্ষমতা 🌐

ডোমিনিয়নের ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্বের সীমাবদ্ধতা

যদিও ডোমিনিয়নগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যথেষ্ট স্বাধীনতা ছিল, তবুও কিছু সীমাবদ্ধতা তাদের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে:

বিষয় সীমাবদ্ধতা
বৈদেশিক নীতি ব্রিটিশ সরকারের সাথে সমন্বয় করে বৈদেশিক নীতি নির্ধারণ করতে হতো।
প্রতিরক্ষা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রতিরক্ষার অংশ হিসেবে কাজ করত।
সাংবিধানিক ক্ষমতা ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কিছু ক্ষেত্রে ডোমিনিয়নের সংবিধান পরিবর্তন করতে পারত।
আইন প্রণয়ন ব্রিটিশ আইন কিছু ক্ষেত্রে ডোমিনিয়নের উপর প্রযোজ্য হতে পারত।

চূড়ান্ত বিশ্লেষণ

ডোমিনিয়নগুলো সম্পূর্ণরূপে সার্বভৌম ছিল না, তবে তারা স্ব-সরকারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল। স্ট্যাটাস অফ ওয়েস্টমিনস্টার ১৯৩১ এর মাধ্যমে তারা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে স্বাধীনতা অর্জন করে এবং ধীরে ধীরে পূর্ণ সার্বভৌমত্বের দিকে অগ্রসর হয়। সময়ের সাথে সাথে, তারা কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের ভূমিকা প্রতিষ্ঠা করে। 🌟 ডোমিনিয়নগুলোর এই বিবর্তন প্রমাণ করে যে সার্বভৌমত্ব একটি স্থিতিশীল অবস্থা নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

বর্তমানে, বেশিরভাগ ডোমিনিয়ন রাষ্ট্রই সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন এবং সার্বভৌম। 🥳

```