টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোষের রাইবোজোমের সংখ্যা কোনটির উপর নির্ভর করে? 

A. DNA
B. RNA
C. Fatty acid
D. Amino acid
সঠিক উত্তরঃ D. Amino acid
Explanation:

Another Explanation (5):

কোষে রাইবোজোমের সংখ্যা: একটি ব্যাখ্যা 🧬

কোষের রাইবোজোমের সংখ্যা বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে। "অ্যামিনো অ্যাসিড" এর প্রাপ্যতা এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

রাইবোজোম সংখ্যা নির্ধারণকারী বিষয়সমূহ 📝

  1. অ্যামিনো অ্যাসিডের প্রাপ্যতা: রাইবোজোম প্রোটিন তৈরি করে। প্রোটিন তৈরির মূল উপাদান হলো অ্যামিনো অ্যাসিড। কোষে পর্যাপ্ত অ্যামিনো অ্যাসিড না থাকলে প্রোটিন সংশ্লেষণ ব্যাহত হয়, ফলে রাইবোজোমের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। 📉
  2. প্রোটিনের চাহিদা: কোষের প্রোটিনের চাহিদা বাড়লে রাইবোজোমের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। যেমন, দ্রুত বর্ধনশীল কোষ অথবা অ্যান্টিবডি উৎপাদনকারী কোষগুলোতে রাইবোজোমের সংখ্যা বেশি থাকে। 📈
  3. mRNA-এর পরিমাণ: mRNA (মেসেঞ্জার রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) প্রোটিন তৈরির নির্দেশনা বহন করে। mRNA-এর পরিমাণ বাড়লে রাইবোজোম সেই অনুযায়ী প্রোটিন তৈরি করার জন্য বেশি সংখ্যায় প্রয়োজন হয়। 🧬
  4. কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন: কোষ যখন বৃদ্ধি পায় এবং বিভাজিত হয়, তখন নতুন কোষের জন্য প্রোটিন দরকার হয়। এই কারণে রাইবোজোমের সংখ্যা বেড়ে যায়। 👶
  5. শারীরবৃত্তীয় অবস্থা: কোষের সার্বিক শারীরিক অবস্থা, যেমন - তাপমাত্রা, pH এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের প্রাপ্যতা রাইবোজোমের সংখ্যাকে প্রভাবিত করে। 🌡️
  6. জিন এক্সপ্রেশন: রাইবোজোমাল RNA (rRNA) এবং রাইবোসোমাল প্রোটিন তৈরির জন্য দায়ী জিনগুলোর সক্রিয়তা রাইবোজোমের সংখ্যা নির্ধারণ করে। ⚙️

অ্যামিনো অ্যাসিডের ভূমিকা 🧪

অ্যামিনো অ্যাসিড হলো প্রোটিনের বিল্ডিং ব্লক। রাইবোজোম এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে পেপটাইড বন্ডের মাধ্যমে যুক্ত করে প্রোটিন তৈরি করে। যদি কোষে পর্যাপ্ত অ্যামিনো অ্যাসিড না থাকে, তাহলে:

  • রাইবোজোমের কার্যকারিতা কমে যাবে।
  • প্রোটিন সংশ্লেষণ ধীর হয়ে যাবে।
  • কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন বাধাগ্রস্থ হবে।

সংক্ষেপে 📊

বিষয় প্রভাব
অ্যামিনো অ্যাসিডের অভাব রাইবোজোমের সংখ্যা কম ⬇️
প্রোটিনের উচ্চ চাহিদা রাইবোজোমের সংখ্যা বেশি ⬆️
পর্যাপ্ত mRNA রাইবোজোমের সংখ্যা বাড়ে ➕

সুতরাং, অ্যামিনো অ্যাসিডের পর্যাপ্ত সরবরাহ কোষের সঠিক কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ✅

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊

Option A Explanation:
  • DNA (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লেইক অ্যাসিড): DNA হলো একটি জৈবিক অণু যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে। এটি ডাবল হেলিক্যাল আকারে গঠিত এবং জীবের বৃদ্ধি, বিকাশ, পুনরুত্পাদন ও প্রজননের জন্য অপরিহার্য।
  • গঠন: DNA এর মূল উপাদান হলো নিউক্লিওটাইড, যা নিউক্লোটাইডের সংমিশ্রণে গঠিত। প্রতিটি নিউক্লিওটাইডে থাকে একটি ফসফেট গ্রুপ, একটি শর্করা (ডিঅক্সিরাইবো), এবং একটি নাইট্রোজেন বেস।
  • কার্যপ্রণালী: DNA এর মাধ্যমে জীবের জেনেটিক তথ্য প্রেরিত হয় এবং এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • প্রকার: বিভিন্ন ধরনের DNA রয়েছে, যেমন চROMOSোমের মধ্যে থাকা ডি.এন.এ., মাইটোকন্ড্রিয়াল ডি.এন.এ, ইত্যাদি।
Option B Explanation:
  • RNA (রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড): ভিরয়েডের গাঠনিক উপাদান হলো RNA। এটি এক ধরনের ক্ষুদ্র, সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড নিউক্লিক অ্যাসিড যা ডিএনএ’র তুলনায় খুবই ছোট।
  • প্রোটিনের অভাব: ভিরয়েডের মধ্যে কোনও প্রোটিনের উপস্থিতি দেখা যায় না। তারা কেবলমাত্র RNA দ্বারা গঠিত।
  • গঠন: ভিরয়েডের RNA সাধারণত সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড এবং বাঁকানো বা ক্রস-সেকশনাল গঠন ধারণ করে, যা তাদের স্থিতিশীলতা ও কার্যকলাপে সহায়তা করে।
Option C Explanation:
  • Fatty acid: ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মেমব্রেনের গঠন এবং কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি লিপিডের একটি মৌলিক উপাদান, যা সেল মেমব্রেনের ফ্লুইডিটি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক।
  • ফ্যাটি অ্যাসিডের প্রকারভেদ, পরিমাণ এবং গঠন কোষের মেমব্রেনের গঠন ও কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
  • অতএব, ফ্যাটি অ্যাসিডের উপস্থিতি এবং তার বৈচিত্র্য কোষের প্রকার ও কার্যকলাপের উপর নির্ভর করে।
Option D Explanation:

অ্যামিনো অ্যাসিডের উপর ভিত্তি করে রাইবোজোমের সংখ্যা নির্ভর করে:

  • প্রোটিন synthesis: রাইবোজোম হলো প্রোটিন তৈরির জন্য দায়ী কোষের অণু। অ্যামিনো অ্যাসিড প্রোটিনের মূল উপাদান, যা রাইবোজোমে যুক্ত হয়ে সঠিক প্রোটিন গঠন করে।
  • অ্যামিনো অ্যাসিডের প্রাপ্যতা: রাইবোজোমের সংখ্যা বেশি থাকলে কোষে বেশি প্রোটিন তৈরি সম্ভব হয়, যা নির্ভর করে অ্যামিনো অ্যাসিডের সরবরাহের উপর।
  • প্রোটিনের গুণমান ও পরিমাণ: অ্যামিনো অ্যাসিডের উপস্থিতি ও বৈচিত্র্য রাইবোজোমের কার্যক্ষমতা ও সংখ্যার উপর প্রভাব ফেলে।
  • জেনেটিক কোড ও ট্রান্সলেশন: অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্রম নির্ধারণে রাইবোজোমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, তাই এর সংখ্যা সংশ্লিষ্ট।