টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

The genome sequence of 'tohsa' jute was discovered by _________.

A. Dr Qudrat e khoda
B. Dr Maqsudul Alam
C. jagadis Chandra Bose
D. P. C Roy
সঠিক উত্তরঃ B. Dr Maqsudul Alam
Explanation:

Another Explanation (5):

পাট Genome আবিষ্কার: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 🌿

তোষা পাটের (Corchorus olitorius) genome sequence আবিষ্কার একটি যুগান্তকারী ঘটনা। ড. মাকসুদুল আলম এই কৃতিত্বের অধিকারী। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

আবিষ্কারক 👨‍🔬

  • নাম: ড. মাকসুদুল আলম
  • পরিচিতি: একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী এবং উদ্ভিদ জিনতত্ত্ববিদ।
  • অবদান: তোষা পাটের genome sequence আবিষ্কারের পাশাপাশি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদের genome উন্মোচনে তার অবদান রয়েছে।

তাৎপর্য ✨

  1. উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন: জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে পাটের ফলন বৃদ্ধিকারী জিনগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে, যা উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবনে সাহায্য করছে। 🌱
  2. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: রোগ প্রতিরোধী জিনগুলো চিহ্নিত করার মাধ্যমে রোগ সহনশীল জাত উদ্ভাবন করা যাচ্ছে, ফলে ফসলের ক্ষতি কম হচ্ছে। 🛡️
  3. গুণগত মান উন্নয়ন: আঁশের গুণগত মান (যেমন - উজ্জ্বলতা, দৃঢ়তা) উন্নয়নের জন্য দায়ী জিনগুলো সনাক্ত করা গেছে। এর ফলে উন্নত মানের পাট উৎপাদন সম্ভব। 🥇
  4. জলবায়ু সহনশীলতা: জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে এমন জিনগুলো খুঁজে বের করে পাটকে প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার উপযোগী করে তোলা যায়। ☀️➡️🌧️

গবেষণার পদ্ধতি 🔬

এই genome sequence আবিষ্কারের ক্ষেত্রে ড. মাকসুদুল আলম এবং তার দল অত্যাধুনিক জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহ??র করেন। তারা বিভিন্ন ধাপে কাজটি সম্পন্ন করেন:

  1. DNA সংগ্রহ: প্রথমে উন্নত মানের তোষা পাটের DNA সংগ্রহ করা হয়।
  2. জিনোম লাইব্রেরি তৈরি: এরপর DNA-কে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে জিনোম লাইব্রেরি তৈরি করা হয়।
  3. সিকোয়েন্সিং: স্বয়ংক্রিয় DNA সিকোয়েন্সার ব্যবহার করে DNA-এর প্রতিটি অংশের sequence বের করা হয়।
  4. অ্যাসেম্বলিং: প্রাপ্ত sequence গুলোকে কম্পিউটারের মাধ্যমে জোড়া দিয়ে সম্পূর্ণ জিনোম তৈরি করা হয়।
  5. Annotation: জিনোমের বিভিন্ন অংশ (জিন, প্রমোটার, ইত্যাদি) চিহ্নিত করা হয় এবং তাদের কাজ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।

ফলাফল 📊

বৈশিষ্ট্য বিবরণ
জিনোম আকার প্রায় ৫৭৭ মেগাবাইট (Mb) 📏
মোট জিনের সংখ্যা প্রায় ৪৩,০০০ 🧬
গুরুত্বপূর্ণ জিন আঁশ উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ, এবং পরিবেশগত সহনশীলতার সাথে জড়িত জিনসমূহ 🧬🌱🛡️☀️

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

  • এই আবিষ্কার পাটের উৎপাদন এবং গুণগত মান বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। 🌠
  • বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, এবং এই গবেষণা সেই ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করবে। 🇧🇩💰
  • ড. মাকসুদুল আলমের এই অবদান বিজ্ঞান জগতে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। 🌟

আরও জানতে: বিভিন্ন বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল এবং ওয়েবসাইট দেখুন। 📚🌐

আশা করি এই ব্যাখ্যাটি তথ্যপূর্ণ ছিল। 😊