টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মশকীবাহিত দুইটি রোগের মধ্যে একটি রক্তের অনুচক্রিকা ধ্বংস করে এবং অন্যটি রক্তশূন্যতা তৈরি করে।

উদ্দীপকে প্রথম রোগটির নাম কী?

A. কলেরা
B. চিকুনগুনিয়া
C.

ডেঙ্গু

D. পীতজ্বর
সঠিক উত্তরঃ C.

ডেঙ্গু

Another Explanation (5): প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মশকীবাহিত দুই রোগের মধ্যে একটি রক্তের অনুচক্রিকা ধ্বংস করে এবং অন্যটি রক্তশূন্যতা তৈরি করে। এই ক্ষেত্রে, প্রথম রোগের নাম হলো ডেঙ্গু। ব্যাখ্যা:
  1. ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে রক্তের অ্যানোফিলিস মশক দ্বারা সংক্রমিত হয়।
  2. এটি রক্তের থrombocyte বা প্লেটলেট ধ্বংস করে, ফলে রক্তের অনুচক্রিকা কমে যায়।
  3. এতে রক্তের স্বাভাবিক গঠন ও কার্যক্ষমতা ব্যাহত হয়, যা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করে।
Option A Explanation:
  • কলেরা: এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ভাইরাসের পরিবর্তে ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae দ্বারা সৃষ্ট।
  • প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে দ্রুত ডিহাইড্রেশন, জলজুলুস, এবং গুরুতর জলশোষণজনিত সমস্যা।
  • সাধারণত দূষিত পানি ও খাবার থেকে ছড়ায়।
  • উপশমের জন্য rehydration therapy, অ্যান্টিবায়োটিক্স, এবং পরিষ্কার পানি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
Option B Explanation:
  • চিকুনগুনিয়া হলো একটি ভাইরাল রোগ যা মূলত এডিনো ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট।
  • এটি মূলত মশকীবাহিত হয়, বিশেষ করে অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে।
  • চিকুনগুনিয়া রোগের প্রধান লক্ষণগুলি হলো জ্বর, ব্যথা, ব্যথা সহ পেশী ও জয়েন্টে ব্যথা, যা সাধারণত শরীরের বিভিন্ন অংশে অনুভূত হয়।
  • এই রোগে রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লেটলেটের সংখ্যা খুব বেশি কমে যায় না, তবে কিছু ক্ষেত্রে হালকা রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে।
  • চিকুনগুনিয়া সাধারণত গুরুতর নয়, তবে এর ব্যথা ও অস্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনুযায়ী উপসর্গ ও প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।
Option C Explanation:
  • প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
  • কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
  • চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • পীতজ্বর: এটি একটি ভাইরাল রোগ যা মূলত পাতলা ও লিভার সংক্রমণের মাধ্যমে ঘটে।
  • প্রভাব: এই রোগে রক্তের মধ্যে পিত্তজ্বরের ভাইরাসের উপস্থিতি দেখা যায়।
  • প্রধান উপসর্গ: জ্বর, শরীরের ক্ষত, চোখের সাদা অংশে হলুদভাব, পেট ব্যথা, বমি ও গা ঠাণ্ডা থাকা।
  • প্রতিরোধ: টিকা নেওয়া ও জীবাণুমুক্ত খাবার ও পানীয়ের দ্বারা সংক্রমণ এড়ানো যায়।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: মশকীবাহিত, বিশেষ করে আখি-মশা দ্বারা ছড়ায়।