লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
আলোর বিচ্ছুরণ একটি চমৎকার ঘটনা। যখন সূর্যরশ্মি ☀️ কোনো প্রিজমের মধ্যে দিয়ে যায়, তখন এটি সাতটি ভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়ে যায়। এই সাতটি রঙের সমষ্টিকে বর্ণালি বা স্পেকট্রাম বলা হয়। এসো, এই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
আলোর বিচ্ছুরণ হলো একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে আলোকরশ্মি কোনো মাধ্যমে প্রবেশ করার পর তার constituent wavelength অনুযায়ী বিভিন্ন দিকে বেঁকে যায়। এই বাঁকানোর পরিমাণ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভরশীল। যেহেতু বিভিন্ন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন, তাই তারা বিভিন্ন কোণে বেঁকে যায় এবং আলাদা হয়ে যায়।
বর্ণালীতে আমরা সাধারণত যে সাতটি রঙ দেখতে পাই, সেগুলি হলো:
সহজে মনে রাখার জন্য "বেনীআসহকলা" শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
প্রিজম হলো স্বচ্ছ কাঁচ বা অন্য কোনো স্বচ্ছ উপাদানের তৈরি একটি ত্রিমাত্রিক বস্তু। এর দুটি তল একটি নির্দিষ্ট কোণে আনত থাকে। যখন আলো প্রিজমের প্রথম পৃষ্ঠে আপতিত হয়, তখন আলোর প্রতিসরণ ঘটে এবং এটি বেঁকে যায়। দ্বিতীয় পৃষ্ঠে আলোকরশ্মি আরও একবার প্রতিসরিত হয় এবং আরও বেশি বেঁকে যায়। যেহেতু বিভিন্ন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন, তাই তাদের প্রতিসরণের পরিমাণও ভিন্ন হয়। এর ফলে বর্ণালীর সৃষ্টি হয়।
আলোর বি???্ছুরণের মূল কারণ হলো আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতা এবং মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক (refractive index)। কোনো মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। সাধারণত, ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো (যেমন: বেগুনী) বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো (যেমন: লাল) এর চেয়ে বেশি বেঁকে যায়।
| রঙ | তরঙ্গদৈর্ঘ্য (ন্যানোমিটার) |
|---|---|
| বেগুনী | 380 - 450 |
| নীল | 450 - 485 |
| আকাশী | 485 - 500 |
| সবুজ | 500 - 565 |
| হলুদ | 565 - 590 |
| কমলা | 590 - 625 |
| লাল | 625 - 740 |
আশা করি, আলোর বিচ্ছুরণ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়েছে। ✨
আরও জানতে বিজ্ঞান বিষয়ক বই এবং ওয়েবসাইট দেখুন। 📚💻
হ্যাপি লার্নিং! 😃🎉
```