টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিম্নের কোনটি আয়নিক যৌগের জন্য সঠিক নয়?

A. আয়নিক যৌগসমূহের গলনাংক ও স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি হয় এবং এরা উদ্বায়ী হয়
B. সকল আয়নিক যৌগ কঠিন অবস্থায় স্ফটিকাকার বা কেলাস অবস্থায় থাকে
C. আয়নিক যৌগসমূহের মধ্যে বিক্রিয়ার গতি অত্যধিক দ্রুত হয়
D. আয়নিক কেলাস বা স্ফটিক ভঙ্গুর হয়
সঠিক উত্তরঃ A. আয়নিক যৌগসমূহের গলনাংক ও স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি হয় এবং এরা উদ্বায়ী হয়
Explanation: আয়নিক যৌগসমূহ সাধারণত উচ্চ গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট হয়, তবে এরা উদ্বায়ী নয়। বাকিগুলো আয়নিক যৌগের বৈশিষ্ট্য সঠিকভাবে বর্ণনা করে।
Another Explanation (5):

আয়নিক যৌগ সম্পর্কে ভুল ধারণা ❌

???য়নিক যৌগ নিয়ে কিছু প্রচলিত ধারণা আছে, যার মধ্যে কিছু ভুল। নিচে একটি ভুল ধারণা এবং এর সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

ভুল ধারণা:

"আয়নিক যৌগসমূহের গলনাংক ও স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি হয় এবং এরা উদ্বায়ী হয়"

সঠিক ব্যাখ্যা: ✅

আয়নিক যৌগগুলোর গলনাংক (Melting Point) এবং স্ফুটনাঙ্ক (Boiling Point) সাধারণত অনেক বেশি হয়ে থাকে। এর কারণ হলো:
  1. আয়নিক বন্ধন: আয়নগুলো শক্তিশালী স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণের মাধ্যমে আবদ্ধ থাকে।
  2. ক্রিস্টাল ল্যাটিস গঠন: আয়নগুলো ত্রিমাত্রিক জালিকা আকারে (Crystal Lattice) সজ্জিত থাকে, যা ভাঙতে অনেক শক্তির প্রয়োজন হয়। 💪
কিন্তু, "এরা উদ্বায়ী হয়" এই অংশটি ভুল। উদ্বায়ী (Volatile) বলতে বোঝায় যে পদার্থ সহজে বাষ্পে পরিণত হতে পারে। আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত উদ্বায়ী হয় না। কারণ:
  • আয়নিক বন্ধন এতটাই শক্তিশালী যে সাধারণ তাপমাত্রায় এই বন্ধন ভেঙে বাষ্পে পরিণত হওয়া প্রায় অসম্ভব।
  • কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে, তবে সাধারণভাবে আয়নিক যৌগ উদ্বায়ী নয়।

তুলনামূলক আলোচনা: 📊

বৈশিষ্ট্য আয়নিক যৌগ সমযোজী যৌগ
গলনাংক ও স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি ⬆️ তুলনামূলকভাবে কম ⬇️
উদ্বায়িতা কম ⬇️ বেশি হতে পারে ⬆️
পরিবাহিতা গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় পরিবাহী 👍 সাধারণত অপরিবাহী 👎

বাস্তব উদাহরণ: 🌍

  • সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl): একটি সাধারণ লবণ, যা উচ্চ তাপমাত্রায়ও সহজে বাষ্পীভূত হয় না। 🔥
  • ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO): এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি, এটিও উদ্বায়ী নয়।

সারসংক্ষেপ: 📝

আয়নিক যৌগসমূহের গলনাংক ও স্ফুটনাঙ্ক বেশি কিন্তু এরা উদ্বায়ী নয়। উদ্বায়িতা কম হওয়াই এই যৌগের মূল বৈশিষ্ট্য। 🎉