টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মানুষের যক্ষ্মা রোগের জীবানু-

A. Escherichia coli
B. Bacillus anthracis
C. Mycobacterium tuberculosis
D. Shigella dysenteriae
সঠিক উত্তরঃ C. Mycobacterium tuberculosis
Explanation: মানুষের যক্ষ্মা রোগের জীবাণু হলো Mycobacterium tuberculosis। সুতরাং সঠিক উত্তর Option C। Option A (Escherichia coli) অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া; Option B (Bacillus anthracis) অ্যানথ্রাক্স রোগের কারণ; Option D (Shigella dysenteriae) শিগেলোসিস রোগের কারণ। নোট: Mycobacterium tuberculosis শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটিয়ে যক্ষ্মার সৃষ্টি করে।
Another Explanation (5):

মানুষের যক্ষ্মা রোগের জীবাণু 🦠

যক্ষ্মা (Tuberculosis) একটি সংক্রামক রোগ যা মূলত ফুসফুসে আঘাত করে থাকে। এই রোগের মূল জীবাণু হলো Mycobacterium tuberculosis। এটি একটি ধনাত্মক, অঙ্গবৈচিত্র্যপ্রদানকারী জীবাণু যা মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়।

বিশ্লেষণ: Mycobacterium tuberculosis 🧫

  • অণুবীক্ষণযোগ্য ব্যাকটেরিয়া 🦠
  • অম্ল-অ্যালকোহল প্রতিরোধী শক্তিশালী কোষের প্রাচীর আছে 🧱
  • আদর্শ পরিবেশে বৃদ্ধি পায় 🏞️
  • প্রধানত শ্বাসনালী দিয়ে ছড়ায় 🌬️

সরল টেবিল: Mycobacterium tuberculosis-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ

বৈশিষ্ট্য বিবরণ
প্রজাতি Mycobacterium tuberculosis
আকার প্রায় 2-4 মাইক্রোমিটার লম্বা 🧬
অঙ্গবৈচিত্র্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অম্ল-অ্যালকোহল প্রতিরোধী 🛡️
প্রজনন অবশ্যই জীবাণুর বৃদ্ধি জন্য তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা প্রয়োজন ☀️💧
সংক্রমণ মাধ্যম শ্বাসের মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে 🌫️

সারসংক্ষেপ 📝

অতএব, মানুষের যক্ষ্মা রোগের জীবাণু হলো Mycobacterium tuberculosis 🦠। এই জীবাণু মূলত শ্বাসনালী দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে এবং ফুসফুসে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। এর বৈশিষ্ট্য ও আচরণ বোঝার মাধ্যমে রোগের প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সহজ হয়।

Option A Explanation:
  • Escherichia coli (E. coli) হলো একটি সাধারণ ব্যাকটেরিয়া যা জীববিজ্ঞান গবেষণায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
  • এটি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিতে জিন স্থানান্তরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • এ. coli এর বিভিন্ন স্ট্রেইন, যেমন E. coli DH5α, যুক্ত করে ডিএনএ ক্লোনিং, পিএসএফ তৈরির জন্য সহজে ব্যবহার করা যায়।
  • এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সহজে পরিচালিত হয়, যা জিন সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণে সুবিধাজনক।
  • এছাড়াও, এর জিনোমে সহজে পরিমার্জন ও ট্রান্সফার সম্ভব, যা জিন প্রযুক্তির জন্য অত্যন্ত উপযোগী করে তোলে।
Option B Explanation:
  • নাম: Bacillus anthracis
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া (ব্যাসিলাস প্রজাতির)
  • অস্তিত্বের স্থান: সাধারণত মৃত পশু বা পশুর উপাদান দ্বারা সংক্রমিত হয়, তবে কিছু পরিস্থিতিতে জল বা মাটি দ্বারা পরিবহন হতে পারে।
  • আক্রমণের উপায়: সাধারণত পশুর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়, তবে জল বা খাবার দ্বারাও সংক্রমণ ঘটতে পারে।
  • প্রভাব: এটি মূলত প্রাণীজনিত রোগ সৃষ্টি করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
  • রোগের নাম: অ্যানথ্রাক্স (Anthrax)
  • চিকিৎসা: অ্যানথ্রাক্সের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ও টিকা পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
  • Mycobacterium tuberculosis মূলত টিবি বা কাশি রোগের জীবাণু।
  • এটি মূলত শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়, যেখানে এটি ফুসফুসে স্থায়ী ক্ষতি করে।
  • তবে, এই জীবাণুটি সাধারণত খাবার বা পানির মাধ্যমে সংক্রামিত হয় না।
  • এটি মূলত টিস্যু থেকে টিস্যু বা বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
  • অতএব, ভেলপুরি বা খোলা দোকান থেকে খাবার খেয়ে এই সংক্রমণের সম্ভবনা কম।
Option D Explanation:
  • নাম: Shigella dysenteriae
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া (Bacteria)
  • পরিবার: Enterobacteriaceae
  • আকার ও গঠন: ছোট, গ্রাম-নেগেটিভ, রড-আকৃতির ব্যাকটেরিয়া
  • প্রজনন: অপ্রতুল বা অস্বাভাবিকভাবে অণুজীবের মাধ্যমে
  • সংক্রমণ: সাধারণত খাদ্য বা পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়, যা শিগেলোসিস বা ডায়েরিয়ার কারণ হয়
  • লক্ষণ: জলীয় ডায়েরিয়া, পেটব্যথা, জ্বর, রক্তাক্ত ও শ্লৈষ্মিক মল
  • উৎপত্তি ও রোগের কারণ: এই ব্যাকটেরিয়া শিগেলোসিস রোগের কারণ হয়, যা অন্ত্রের সংক্রমণ
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিক ও হাইড্রেশন প্রয়োজন