টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

CH4 এর মধ্যে কোন বন্ধন বিদ্যমান?

A. আয়নিক
B. সমযোজী 
C. ধাতব
D. সন্নিবেশ সমযোজী 
সঠিক উত্তরঃ B. সমযোজী 
Explanation:

CH4  যৌগটিতে সমযোজী বন্ধন বিদ্যমান।

Another Explanation (5):

CH4 (মিথেন)-এ বিদ্যমান বন্ধন: সমযোজী বন্ধন 🧪

মিথেন (CH4) একটি সরল জৈব যৌগ। এর মধ্যে কার্বন (C) পরমাণু চারটি হাইড্রোজেন (H) পরমাণুর সাথে যুক্ত থাকে। এই বন্ধনটি সমযোজী বন্ধন (Covalent Bond) নামে পরিচিত। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

সমযোজী বন্ধন কী? 🤔

সমযোজী বন্ধন হলো দুটি পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে গঠিত রাসায়নিক বন্ধন। এক্ষেত্রে কোনো পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ বা বর্জন করে না, বরং উভয় পরমাণুই ইলেকট্রন ব্যবহার করে স্থিতিশীল ইলেকট্রন বিন্যাস লাভ করে।🤝

মিথেনে সমযোজী বন্ধন কেন? 🧐

  • কার্বনের ইলেকট্রন বিন্যাস: কার্বনের শেষ কক্ষপথে ৪টি ইলেকট্রন থাকে। স্থিতিশীল হতে এর আরও ৪টি ইলেকট্রন প্রয়োজন।
  • হাইড্রোজেনের ইলেকট্রন বিন্যাস: হাইড্রোজেনের শেষ কক্ষপথে ১টি ইলেকট্রন থাকে। স্থিতিশীল হতে এর আরও ১টি ইলেকট্রন প্রয়োজন।
  • ইলেকট্রন শেয়ারিং: কার্বন প্রতিটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে একটি করে ইলেকট্রন শেয়ার করে। এর ফলে কার্বনের শেষ কক্ষপথে ৮টি এবং প্রতিটি হাইড্রোজেনের শেষ কক্ষপথে ২টি ইলেকট্রন হয়, যা উভয়কেই স্থিতিশীল করে।🥳

বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে 👣

  1. কার্বন পরমাণু (C) কেন্দ্রে থাকে।
  2. চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু (H) কার্বনের চারপাশে আসে।
  3. কার্বন প্রতিটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে একটি করে ইলেকট্রন শেয়ার করে।
  4. ফলে চারটি C-H সমযোজী বন্ধন গঠিত হয়।
  5. মিথেন (CH4) অণু তৈরি হয়।🎉

মিথেনের গঠন (Structure) 🏘️

মিথেনের গঠন চতুস্তলকীয় (Tetrahedral) হয়ে থাকে। কার্বন পরমাণু কেন্দ্রে থাকে এবং চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু চতুস্তলকের চারটি শীর্ষবিন্দুতে অবস্থান করে। প্রতিটি H-C-H বন্ধন কোণ ১০৯.৫°।📐

সমযোজী বন্ধনের বৈশিষ্ট্য 📝

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
বন্ধন শক্তি (Bond Energy) সাধারণত দুর্বল প্রকৃতির।
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক (Melting & Boiling Point) তুলনামূলকভাবে কম।
দ্রবণীয়তা (Solubility) পোলার দ্রাবকে অদ্রবণীয়, কিন্তু অপোলার দ্রাবকে দ্রবণীয়।
পরিবাহিতা (Conductivity) বিদ্যুৎ অপরিবাহী।

সুতরাং, মিথেনে বিদ্যমান বন্ধন হলো সমযোজী বন্ধন। যা কার্বন ও হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে গঠিত।👍

আরও জানতে চাও? 🤔