টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আলফা কণা বিক্ষেপণ পরীক্ষা করেন কে?

A. থমসন
B. রাদারফোর্ড
C. বোর
D. বেকরেল
সঠিক উত্তরঃ B. রাদারফোর্ড
Explanation:

Another Explanation (5):

আলফা কণা বিক্ষেপণ পরীক্ষা: রাদারফোর্ডের যুগান্তকারী আবিষ্কার ⚛️

আলফা কণা বিক্ষেপণ পরীক্ষাটি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা। এই পরীক্ষাটি বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড এবং তার সহকর্মীরা (হ্যান্স গাইগার ও আর্নেস্ট মার্সডেন) পরিচালনা করেন। এই পরীক্ষা থেকেই পরমাণুর গঠন সম্পর্কে নতুন ধারণা পাওয়া যায়।

পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য 🎯

  • পরমাণুর ভেতরের গঠন সম্পর্কে ধারণা লাভ করা।
  • Thomson-এর প্লাম পুডিং মডেল যাচাই করা।

পরীক্ষার উপকরণ ⚙️

  1. আলফা কণা উৎস (যেমন: রেডিয়াম) ☢️
  2. সোনার পাত (খুব পাতলা, প্রায় কয়েক পরমাণু পুরু) 🥇
  3. জিঙ্ক সালফাইড পর্দা (আলফা কণা সনাক্ত করার জন্য) 🧪
  4. একটি সীসার বাক্স (আলফা কণা উৎসকে সুরক্ষিত রাখার জন্য) 🛡️

পরীক্ষার পদ্ধতি 🔬

একটি সীসার বাক্সে রাখা আলফা কণা উৎস থেকে নির্গত কণাগুলোকে সোনার পাতের উপর ফেলা হয়। সোনার পাতের চারদিকে জিঙ্ক সালফাইডের পর্দা স্থাপন করা হয়। আলফা কণাগুলো সোনার পাত ভেদ করে যাওয়ার সময় জিঙ্ক সালফাইডের পর্দায় আঘাত করে আলোর ঝলক সৃষ্টি করে, যা থেকে কণার বিক্ষেপণ বোঝা যায়।

পর্যবেক্ষণ 👀

পর্যবেক্ষণ ফলাফল
বেশিরভাগ আলফা কণা সরাসরি সোজা পথে চলে যায়। ➡️ পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 🌌
কিছু কণা সামান্য কোণে বেঁকে যায়। ↩️ পরমাণুর কেন্দ্রে ধনাত্মক চার্জ বিদ্যমান। ➕
খুব অল্প সংখ্যক কণা (প্রায় ২০,০০০ এ ১টি) যে পথে এসেছিল প্রায় সেই পথেই ফিরে আসে। 🔙 পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর এবং ধনাত্মক চার্জ একটি ক্ষুদ্র স্থানে কেন্দ্রীভূত। 📍

ফলাফল ও সিদ্ধান্ত 💡

রাদারফোর্ড এই পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে পরমাণুর একটি নতুন মডেল প্রস্তাব করেন, যা রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল নামে পরিচিত। এই মডেল অনুসারে:

  1. পরমাণুর কেন্দ্রে একটি ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস থাকে, যা ধনাত্মক চার্জযুক্ত এবং পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর এখানেই কেন্দ্রীভূত। ☢️⚡
  2. ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের চারপাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে। 🛰️
  3. পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 🌠

গুরুত্ব ✨

  • পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি নতুন ধারণা দেয়। ✅
  • পরবর্তীকালে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বিকাশে সাহায্য করে। ⚛️
  • নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের ভিত্তি স্থাপন করে। ☢️

এই পরীক্ষাটি পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। 🏆

আশা করি তোমরা বুঝতে পেরেছ। 📚 Happy Learning! 😄