লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আলফা কণা বিক্ষেপণ পরীক্ষাটি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা। এই পরীক্ষাটি বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড এবং তার সহকর্মীরা (হ্যান্স গাইগার ও আর্নেস্ট মার্সডেন) পরিচালনা করেন। এই পরীক্ষা থেকেই পরমাণুর গঠন সম্পর্কে নতুন ধারণা পাওয়া যায়।
একটি সীসার বাক্সে রাখা আলফা কণা উৎস থেকে নির্গত কণাগুলোকে সোনার পাতের উপর ফেলা হয়। সোনার পাতের চারদিকে জিঙ্ক সালফাইডের পর্দা স্থাপন করা হয়। আলফা কণাগুলো সোনার পাত ভেদ করে যাওয়ার সময় জিঙ্ক সালফাইডের পর্দায় আঘাত করে আলোর ঝলক সৃষ্টি করে, যা থেকে কণার বিক্ষেপণ বোঝা যায়।
| পর্যবেক্ষণ | ফলাফল |
|---|---|
| বেশিরভাগ আলফা কণা সরাসরি সোজা পথে চলে যায়। ➡️ | পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 🌌 |
| কিছু কণা সামান্য কোণে বেঁকে যায়। ↩️ | পরমাণুর কেন্দ্রে ধনাত্মক চার্জ বিদ্যমান। ➕ |
| খুব অল্প সংখ্যক কণা (প্রায় ২০,০০০ এ ১টি) যে পথে এসেছিল প্রায় সেই পথেই ফিরে আসে। 🔙 | পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর এবং ধনাত্মক চার্জ একটি ক্ষুদ্র স্থানে কেন্দ্রীভূত। 📍 |
রাদারফোর্ড এই পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে পরমাণুর একটি নতুন মডেল প্রস্তাব করেন, যা রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল নামে পরিচিত। এই মডেল অনুসারে:
এই পরীক্ষাটি পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। 🏆
আশা করি তোমরা বুঝতে পেরেছ। 📚 Happy Learning! 😄