টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটি মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের ব্যতিক্রমের উদাহরণ?

A.

অসম্পূর্ণ প্রকটতা

B.

সম প্রকটতা

C.

এপিস্ট্যাসিস

D.

লিথালজিন

সঠিক উত্তরঃ C.

এপিস্ট্যাসিস

Explanation:


Another Explanation (5): ```html

মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের ব্যতিক্রম: এপিস্ট্যাসিস 🧬

মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র, যা স্বাধীনভাবে বিন্যাসের সূত্র নামেও পরিচিত, বলে যে দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিনগুলো একে অপরের থেকে স্বতন্ত্রভাবে বংশধরে স্থানান্তরিত হয়। কিন্তু এপিস্ট্যাসিস এই সূত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম। 🤔

এপিস্ট্যাসিস কী?

এপিস্ট্যাসিস হলো এমন একটি ঘটনা যেখানে একটি জিনের প্রকাশ অন্য একটি জিনের প্রকাশকে প্রভাবিত করে বা মাস্ক করে দেয়। সহজভাবে বললে, একটি জিন অন্য একটি জিনের কাজে "বাদ সাধে"। 😠

এপিস্ট্যাসিসের প্রকারভেদ 📚

এপিস্ট্যাসিস বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তাদের মধ্যে কয়েকটি প্রধান উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

  • প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস (Recessive Epistasis): এক্ষেত্রে একটি প্রচ্ছন্ন হোমোজাইগাস অ্যালিল অন্য একটি জিনের প্রকাশকে মাস্ক করে। 🤫
  • ডোমিন্যান্ট এপিস্ট্যাসিস (Dominant Epistasis): এক্ষেত্রে একটি প্রভাবশালী অ্যালিল অন্য একটি জিনের প্রকাশকে মাস্ক করে। 🤩
  • ডুপ্লিকেট রিসেসিভ এপিস্ট্যাসিস (Duplicate Recessive Epistasis): যখন দুটি ভিন্ন জিনের হোমোজাইগাস প্রচ্ছন্ন অ্যালিল ফিনোটাইপ তৈরি করে, কিন্তু একটি প্রভাবশালী অ্যালিল ফিনোটাইপ তৈরি করতে বাধা দেয়। 😵‍💫
  • ডুপ্লিকেট ডোমিন্যান্ট এপিস্ট্যাসিস (Duplicate Dominant Epistasis): যখন দুটি ভিন্ন জিনের প্রভাবশালী অ্যালিলগুলো একই ফিনোটাইপ তৈরি করে। 👯

উদাহরণ 🐾

কুকুরের লোমের রঙের ক্ষেত্রে এপিস্ট্যাসিস দেখা যায়। একটি জিন (E/e) লোমের রঙ্গক তৈরি করার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে, যেখানে অন্য একটি জিন (B/b) রঙ্গকের রঙ (কালো বা বাদামী) নির্ধারণ করে। যদি একটি কুকুরের 'ee' জিনোটাইপ থাকে, তবে প্রথম জিনটি দ্বিতীয় জিনের রঙের প্রকাশকে মাস্ক করে দেবে, ফলে লোমের রঙ সোনালী হবে, তা B/b জিনের অ্যালিল যাই হোক না কেন। 🐕‍🦺

এপিস্ট্যাসিসের ফলাফল 📊

এপিস্ট্যাসিসের কারণে মেন্ডেলের সূত্রে বর্ণিত ফিনোটাইপের অনুপাত পরিবর্তিত হয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিসের ক্ষেত্রে ফিনোটাইপের অনুপাত 9:3:4 হতে পারে, যা মেন্ডেলের সাধারণ 9:3:3:1 অনুপাত থেকে ভিন্ন। 🤯

এপিস্ট্যাসিসের তাৎপর্য 💡

এপিস্ট্যাসিস জিনগত জটিলতা এবং বৈশিষ্ট্যের প্রকাশের উপর জিনের মিথস্ক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে। এটি রোগ, অভিযোজন এবং বিবর্তনের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 💪

এপিস্ট্যাসিস সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

  1. এপিস্ট্যাসিস মেন্ডেলের সূত্রের একটি ব্যতিক্রম। ✅
  2. এপিস্ট্যাসিসে একটি জিন অন্য জিনের প্রকাশকে প্রভাবিত করে। 💯
  3. বিভিন্ন ধরনের এপিস্ট্যাসিস দেখা যায়। ➕
  4. এপিস্ট্যাসিস ফিনোটাইপের অনুপাত পরিবর্তন করে। ♻️

এপিস্ট্যাসিস এবং মেন্ডেলের সূত্রের সম্পর্ক:

বৈশিষ্ট্য মেন্ডেলের সূত্র এপিস্ট্যাসিস
জিনের মিথস্ক্রিয়া স্বতন্ত্রভাবে বিন্যস্ত একটি জিন অন্যটিকে প্রভাবিত করে
ফিনোটাইপের অনুপাত 9:3:3:1 (ডাইহাইব্রিড ক্রসে) পরিবর্তিত (যেমন 9:3:4)
উদাহরণ বীজের রঙ, গাছের উচ্চতা কুকুরের লোমের রঙ, মটরশুঁটির শুঁটির রঙ

আশা করি, এপিস্ট্যাসিস সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊

```
Option A Explanation:
  1. অসম্পূর্ণ প্রকটতা: এটি একটি জেনেটিক অবস্থা যেখানে দ্বৈত অণুগুলির মধ্যে একটির প্রভাব অন্যটির উপর সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় না। ফলে, হাইব্রিড প্রজন্মে সাধারণত দুইটি পেরেন্টের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণভাবে দেখা যায় না, বরং একটি মধ্যবর্তী বা মিশ্র বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
  2. এই ধরনের প্রকটতার কারণে, জিনোটাইপের অনুপাত সাধারণত ১:2:1 হয়, যেখানে:
    • প্রথম সংখ্যা: হোমোজিগাস (প্রথম ধরনের জিনের দুটি অভিন্ন কপি)
    • দ্বিতীয় সংখ্যা: হেটেরোজিগাস (দুটি ভিন্ন জিনের কপি)
    • তৃতীয় সংখ্যা: আবার হোমোজিগাস (অন্য ধরনের জিনের দুটি অভিন্ন কপি)
  3. অর্থাৎ, অসম্পূর্ণ প্রকটতার কারণে, হেটেরোজিগাস জেনোটাইপের উপস্থাপনা মধ্যবর্তী প্রকটতার কারণে ১:2:1 অনুপাত সৃষ্টি করে।
Option B Explanation:
  1. সম প্রকটতা (Complete Penetrance): এটি জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের একটি অবস্থা যেখানে একটি নির্দিষ্ট জেনেটিক পরিবর্তন বা অবস্থান থাকলে, সেই বৈশিষ্ট্যটি সব সময়ই প্রকাশ পায়। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি এই জেনেটিক পরিবর্তন বহন করে, তার মধ্যে ঐ বৈশিষ্ট্যটি দেখা যায়।
Option C Explanation:

এপিস্ট্যাসিস (Epistasis)

  • এপিস্ট্যাসিস হলো জেনেটিক ইন্টারঅ্যাকশনের এক প্রকার যেখানে এক জিনের প্রভাব অন্য জিনের প্রকাশের উপর প্রভাব ফেলে।
  • এতে একটি জিনের অস্থিরতা বা অভাব অন্য জিনের ফলাফল বা প্রকাশের উপর প্রভাব ফেলে, ফলে সাধারণ জিনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তিত হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি জিন অন্য একটি জিনের কার্যকলাপের উপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করে, তবে ফলস্বরূপ জিনের নির্দিষ্ট প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট জিনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপরিহার্য হয়ে ওঠে।
  • এপিস্ট্যাসিসের কারণে সাধারণ 9:3:3:1 বা 1:2:1 ইত্যাদি জিনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তিত হয়ে অন্য রকম হতে পারে।
Option D Explanation:
  • লিথালজিন: একটি জেনেটিক উপাদান বা জিন যা সাধারণত জীবের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
  • এটি প্রায়শই এমন জিন বা উপাদান যা কম মাত্রায় থাকলেও জীবের জন্য ক্ষতিকর বা মারাত্মক হতে পারে।
  • উদাহরণস্বরূপ, কিছু লিথালজিনের উপস্থিতি একটি জীবের জন্মের আগে বা জীবনকাল জুড়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে।
  • এটি জেনেটিক বৈচিত্র্য বা mutation এর ফলাফল হতে পারে, যেখানে নির্দিষ্ট জিনের পরিবর্তন জীবের জন্য মারাত্মক ফল আনে।