টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

টিস্যু কালচারের জনক কে?

A. এডওয়ার্ড জেনার
B. কুন
C. হেবার ল্যান্ড
D. সাইমন
সঠিক উত্তরঃ C. হেবার ল্যান্ড
Explanation:

Another Explanation (5): ```html টিস্যু কালচার এবং হেবার ল্যান্ড

টিস্যু কালচারে??? জনক: হেবার ল্যান্ড 👨‍🔬

টিস্যু কালচার বা কোষ কলা পালন হলো একটি কৌশল যেখানে উদ্ভিদ বা প্রাণীর কোষ, টিস্যু বা অঙ্গকে একটি কৃত্রিম পুষ্টি মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত পরিবেশে বৃদ্ধি ও বংশবিস্তার করানো হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অল্প সময়ে প্রচুর সংখ্যক চারা উৎপাদন করা সম্ভব।

হেবার ল্যান্ডের অবদান 🌿

গটলিয়েব হেবার ল্যান্ড (Gottlieb Haberlandt), একজন অস্ট্রিয়ান উদ্ভিদবিজ্ঞানী, ১৯০২ সালে প্রথম টিস্যু কালচারের ধারণা দেন। তাই তাকে টিস্যু কালচারের জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি উদ্ভিদের বিচ্ছিন্ন কোষকে পুষ্টি দ্রবণে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। যদিও তিনি সম্পূর্ণরূপে সফল হননি, তার প্রাথমিক গবেষণা ভবিষ্যতের টিস্যু কালচার গবেষণার পথ খুলে দিয়েছিল।

হেবার ল্যান্ডের উল্লেখযোগ্য কাজ:

  • তিনি বিশ্বাস করতেন যে উদ্ভিদের প্রতিটি কোষ তার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধরে রাখতে এবং সম্পূর্ণ গাছ হিসেবে বিকশিত হওয়ার ক্ষমতা রাখে (Totipotency)।
  • তিনি উদ্ভিদের প্যারেনকাইমা কোষ (Parenchyma cells) নিয়ে কাজ করে??? এবং সেগুলোকে পুষ্টি দ্রবণে বাঁচানোর চেষ্টা করেন।
  • যদিও তিনি সম্পূর্ণভাবে সফল হননি, তার কাজ উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা এবং টিস্যু কালচারের ভিত্তি স্থাপন করে।

টিস্যু কালচারের পর্যায়ক্রমিক বিকাশ 🔬

হেবার ল্যান্ডের পর বিভিন্ন বিজ্ঞানী টিস্যু কালচার নিয়ে আরও গবেষণা করেন এবং এর আধুনিক রূপ দেন। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ উল্লেখ করা হলো:

  1. ১৯৩০-এর দশক: হোয়াইট (White) উদ্ভিদের মূলের অগ্রভাগের (root tip) অনির্দিষ্টকাল ধরে বৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হন।
  2. ১৯৪০-এর দশক: স্কুগ (Skoog) এবং তার সহকর্মীরা সাইটোকিনিন (Cytokinin) নামক হরমোন আবিষ্কার করেন যা কোষ বিভাজনকে উদ্দীপিত করে।
  3. ১৯৫০-এর দশক: মুরাশige (Murashige) এবং স্কুগ (Skoog) একটি উন্নত পুষ্টি মাধ্যম (MS medium) তৈরি করেন যা টিস্যু কালচারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
  4. বর্তমান: টিস্যু কালচার এখন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিভিন্ন উদ্ভিদ প্রজাতি উৎপাদনে ব্যবহৃত হচ্ছে।

টিস্যু কালচারের ব্যবহারিক প্রয়োগ 🪴

টিস্যু কালচার বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে:

ক্ষেত্র ব্যবহার
কৃষি রোগমুক্ত চারা উৎপাদন, নতুন জাত উদ্ভাবন
ফার্মাসিউটিক্যাল ঔষধি উপাদান উৎপাদন
সংরক্ষণ বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতি সংরক্ষণ
গবেষণা উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা, জিন প্রকৌশল ইত্যাদি গবেষণা

পরিশেষে, হেবার ল্যান্ডের প্রাথমিক ধারণা এবং গবেষণা টিস্যু কালচারের আধুনিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 🙏

```
Option A Explanation:
  • নাম: এডওয়ার্ড জেনার
  • পেশা: জীববিজ্ঞানী
  • অবদান: টিস্যু কালচারের জনক হিসেবে পরিচিত
  • অভিযান: জীববিজ্ঞানে টিস্যু এবং কোষের ভিত্তিতে গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন
  • উপলব্ধি: জীববিজ্ঞানে গবেষণাকে নতুন দিগন্তে পৌঁছে দিয়েছেন
Option B Explanation:
  • নাম: কুন
  • পেশা: জীববিজ্ঞানী ও গবেষক
  • অধ্যয়ন ক্ষেত্র: টিস্যু সংস্কৃতি উন্নয়ন ও উদ্ভাবন
  • অর্জন: টিস্যু কালচারের জনক হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন
  • অন্য নাম: হারম্যান কুন
Option C Explanation:

হেবার ল্যান্ড

  • নাম: হেবার ল্যান্ড
  • প্রসিদ্ধতা: টিস্যু কালচারের জনক হিসেবে পরিচিত
  • অবদান: জীববিজ্ঞানে টিস্যু কালচারের পদ্ধতি উদ্ভাবন ও উন্নয়ন করেন
  • প্রভাব: এই পদ্ধতি জীববিজ্ঞানে বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
Option D Explanation:
  • নাম: সাইমন
  • অর্থ: সাধারণত এই নামটি বিভিন্ন ব্যক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে রোগতত্ত্ব বা চিকিৎসা ক্ষেত্রে এটি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দেশ করে না।
  • সাধারণ পরিচিতি: এই নামটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপটে এর নির্দিষ্ট পরিচিতি নেই।
  • উল্লেখ্য: প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনের মধ্যে এটি সাধারণত অন্য ব্যক্তিদের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এটি বিশেষ কোনও বৈজ্ঞানিক বা চিকিৎসাগত ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।