টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

শব্দের কোন বৈশিষ্ট্যের জন্য তীব্র ভূমিকম্পের সময় ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যায়? 

A. স্বরকম্প 
B. মুক্ত কম্পন 
C. পরবশ কম্পন 
D. তীব্রতা 
সঠিক উত্তরঃ C. পরবশ কম্পন 
Explanation:

Another Explanation (5):

ভূমিকম্পের তীব্রতায় ঘরবাড়ি ভাঙার কারণ: পরবশ কম্পন (Resonance)

ভূমিকম্পের সময় ঘরবাড়ি ভাঙার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পরবশ কম্পন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ভূমিকম্পের তীব্রতা এবং কাঠামোর দুর্বলতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

পরবশ কম্পন কী? 😲

পরবশ কম্পন (Resonance) হলো এমন একটি ঘটনা, যেখানে কোনো বস্তুর স্বাভাবিক কম্পন হার (Natural Frequency) এবং বাইরের কোনো কম্পনের হার মিলে গেলে বস্তুটি খুব বেশি амплиচুডে (Amplitude) কাঁপতে শুরু করে।

ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে পরবশ কম্পন 🤔

ভূমিকম্পের সময় বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সির (Frequency) তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। কোনো একটি নির্দিষ্ট এলাকার মাটি এবং সেখানকার বাড়িঘরের একটি স্বাভাবিক কম্পন হার থাকে। যদি ভূমিকম্পের তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি কোনো বাড়ির স্বাভাবিক কম্পন হারের সাথে মিলে যায়, তাহলে সেই বাড়িটি পরবশ কম্পনের কারণে মারাত্মকভাবে কাঁপতে শুরু করে।

পরবশ কম্পনের প্রভাব 💥

  • বিল্ডিংয়ের ক্ষতি: পরবশ কম্পনের ফলে বিল্ডিংয়ের প্রতিটি তলা অস্বাভাবিকভাবে কাঁপতে থাকে, যার কারণে কলাম, বিম এবং দেয়াল দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে। 🏢➡️🏚️
  • ভূমিকম্পের তীব্রতা বৃদ্ধি: এটি স্থানীয়ভাবে ভূমিকম্পের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়, যা কাঠামোগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।
  • ভূমিধস: পাহাড়ী এলাকায় পরবশ কম্পনের কারণে ভূমিধসের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ⛰️➡️🌋
  • তরলীকরণ (Liquefaction): কিছু ক্ষেত্রে, মাটির কণাগুলো তাদের দৃঢ়তা হারিয়ে তরলের মতো আচরণ করতে শুরু করে, যার ফলে স্থাপনা দেবে যায় বা উল্টে যায়। 🌊➡️🏗️

পরবশ কম্পন কিভাবে কাজ করে? ⚙️

  1. ভূমিকম্পের তরঙ্গ সৃষ্টি: ভূমিকম্পের কারণে বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়।
  2. মাটির কম্পন: এই তরঙ্গগুলো মাটির মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় মাটিকে কাঁপায়।
  3. বিল্ডিংয়ের কম্পন: মাটির কম্পনের কারণে বিল্ডিংগুলোও কাঁপতে শুরু করে।
  4. ফ্রিকোয়েন্সি ম্যাচ: যদি ভূমিকম্পের তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি এবং বিল্ডিংয়ের স্বাভাবিক কম্পন হার মিলে যায়, তাহলে পরবশ কম্পন শুরু হয়।
  5. ক্ষতি: পরবশ কম্পনের কারণে বিল্ডিংয়ের কম্পন অনেক বেড়ে যায় এবং এটি ভেঙে পড়তে পারে।

পরবশ কম্পন রোধের উপায় 🛡️

  • ভূমিকম্প সহনশীল ডিজাইন: বিল্ডিং তৈরির সময় ভূমিকম্প সহনশীল ডিজাইন ব্যবহার করা উচিত, যা কম্পনের প্রভাব কমাতে পারে।
  • ড্যাম্পার ব্যবহার: বিল্ডিংয়ে ড্যাম্পার (Damper) ব্যবহার করলে কম্পন শক্তি শোষণ করা যায় এবং পরবশ কম্পন কমানো যায়।
  • মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা: নির্মাণের আগে মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করে দুর্বল মাটি চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ: বিল্ডিংয়ের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলে কাঠামোগত দুর্বলতা এড়ানো যায়।

বিভিন্ন উপাদানের উপর কম্পনের প্রভাব

উপাদান ক্ষতির ধরণ প্রতিরোধের উপায়
কলাম (Column) ফেটে যাওয়া বা বেঁকে যাওয়া 🤕 শক্তিশালী কলাম তৈরি, ভালো মানের সিমেন্ট ব্যবহার
বিম (Beam) ভেঙে যাওয়া বা স্থানচ্যুত হওয়া 😫 বিমের সঠিক ডিজাইন, সঠিক স্থানে স্থাপন
দেয়াল (Wall) দেয়ালে ফাটল ধরা বা ধসে যাওয়া 😥 ভূমিকম্প সহনশীল দেয়াল তৈরি, দেয়ালে সাপোর্ট যোগ করা

পরিশেষে, পরবশ কম্পন একটি জটিল বিষয়, যা ভূমিকম্পের সময় বিল্ডিংয়ের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই, এই বিষয়ে সচেতনতা এবং সঠিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব। 🙏