টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন এক মশার শূককীট পানির তলে সমান্তরালে চিৎ হয়ে ভাসে। শূককীটটি কোন মশার?

A. কিউলেজ
B. অ্যানোফিলিস
C. অ্যাডিস
D. শূককীট দেখে মশা চেনা যায় না
সঠিক উত্তরঃ B. অ্যানোফিলিস
Explanation:
Another Explanation (4):

এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হল B. অ্যানোফিলিস।

ব্যাখ্যা:

  • অ্যানোফিলিস মশা:

    • অ্যানোফিলিস মশার শূককীট পানির তলে সমান্তরালে চিৎ হয়ে ভাসে।
    • এই মশা ম্যালেরিয়া রোগের বাহক।
  • অন্যান্য বিকল্পগুলোর ভুল হওয়ার কারণ:

    • কিউলেক্স মশা: কিউলেক্স মশার শূককীট পানির তলে খাড়াভাবে ঝুলে থাকে।
    • অ্যাডিস মশা: অ্যাডিস মশার শূককীট পানির তলে কোনাকুনিভাবে ঝুলে থাকে।
    • শূককীট দেখে মশা চেনা যায় না: এটি ভুল, কারণ শূককীটের গঠন দেখে বিভিন্ন প্রজাতির মশা চেনা যায়।

তাই, অ্যানোফিলিস মশার শূককীট পানির তলে সমান্তরালে চিৎ হয়ে ভাসে।

অতিরিক্ত তথ্য:

  • মশার শূককীট পানির তলে বিভিন্নভাবে অবস্থান করে, যা তাদের প্রজাতি সনাক্ত করতে সাহায্য করে।
  • মশার শূককীটগুলো সাধারণত ডিম থেকে বের হওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ পানির নিচে থাকে এবং পরে পূর্ণাঙ্গ মশায় পরিণত হয়।
 
Another Explanation (5):

অ্যানোফিলিস মশার শূককীটের বৈশিষ্ট্য 🦟

অ্যানোফিলিস মশার শূককীট অন্যান্য মশার শূককীট থেকে আলাদা কিছু বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল পানির তলে সমান্তরালভাবে চিৎ হয়ে ভাসা। নিচে এর কারণ এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:

কারণ 🧐

  • শ্বাসতন্ত্রের গঠন: অ্যানোফিলিস মশার শূককীটের শ্বাসছিদ্র (spiracles) তাদের দেহের পৃষ্ঠভাগে থাকে।
  • ভাসমান ভঙ্গি: শ্বাস নেওয়ার সুবিধার জন্য এরা পানির সমতলে সমান্তরালভাবে থাকে, যাতে সরাসরি বাতাস থেকে অক্সিজেন নিতে পারে।
  • অন্যান্য মশার শূককীট: কিউলেক্স বা এডিস মশার শূককীট সাধারণত পানির সাথে ৪৫-ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঝুলে থাকে।

অ্যানোফিলিস মশার শূককীটের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝

  1. দেহের গঠন: লম্বাটে এবং সরু।
  2. রঙ: হালকা বাদামী বা ধূসর বর্ণের।
  3. চলার পদ্ধতি: এরা পানিতে ভেসে বেড়ায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চলাচল করে।
  4. খাদ্য: এরা সাধারণত জলজ উদ্ভিদ এবং অন্যান্য জৈব পদার্থ খেয়ে বেঁচে থাকে।🌱
  5. আবাসস্থল: পরিষ্কার পানিতে এদের বসবাস বেশি দেখা যায়, যেমন পুকুর, ডোবা, বা ধীর গতির জলধারা।🏞️

তুলনামূলক আলোচনা (টেবিল) 📊

বৈশিষ্ট্য অ্যানোফিলিস কিউলেক্স/এডিস
ভাসার ভঙ্গি সমান্তরাল (horizontal) 〰️ তির্যক (oblique) ↗️
শ্বাসছিদ্রের অবস্থান পৃষ্ঠভাগে ডর্সাল সাইফনের প্রান্তে
আবাসস্থল পছন্দ পরিষ্কার পানি 💧 নর্দমা বা অপরিষ্কার পানি 🗑️

অ্যানোফিলিস মশা সম্পর্কিত কিছু তথ্য ℹ️

  • অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগের বাহক। 🦟➡️🤕
  • এদের কামড় সাধারণত রাতে বেশি দেখা যায়। 🌃
  • মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি। 🧹

এই তথ্যগুলো অ্যানোফিলিস মশার শূককীট সনাক্তকরণ এবং মশা নিয়ন্ত্রণ কৌশল নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে। 👍

আরও জানতে ভিজিট করুন: মশা বিষয়ক ওয়েবসাইট

ধন্যবাদ! 🙏

Option A Explanation:
  • কিউলেজ: কিউলেজ হলো একটি ধরণের মশার শূককীট যা সাধারণত পানির মধ্যে সমান্তরালভাবে ভাসে।
  • এটি সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং এর দেহের গঠন such that এটি পানির মধ্যে সমান্তরালে ভাসতে সুবিধাজনক।
  • কিউলেজ শূককীটের দেহের গঠন ও ভাসার পদ্ধতি এর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত।
Option B Explanation:
  1. অ্যানোফিলিস: অ্যানোফিলিস হলো একটি প্রজাতির মাছি যা সাধারণত মশার প্রজননস্থলে দেখা যায়। এটি মূলত মশার ডিম ও লার্ভা খাওয়ার জন্য পরিচিত।
  2. অ্যানোফিলিস মাছিরা প্রজননের জন্য পানিতে ডিম দেয় এবং জলাশয়ে থাকা অপ্রয়োজনীয় অণুবীক্ষণ উপাদানগুলো খেয়ে থাকে।
  3. এটি কিছু রোগের বাহক হিসেবে কাজ করতে পারে, তবে সাধারণত এটি প্রজনন ও জীববৈচিত্র্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত।
  4. অ্যানোফিলিস মাছি মানবদেহে প্রবেশ করে না, তাই এটি মূলত পরিবেশের অংশ।
Option C Explanation:
  • অ্যাডিস মশা: এটি একটি সাধারণ ও পরিচিত মশা প্রজাতি যা বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী।
  • প্রজনন: অ্যাডিস মশা সাধারণত পানির উপর বা পানির উপরে ভাসতে পছন্দ করে, যেখানে তারা ডিম দেয়।
  • শূককীটের বৈশিষ্ট্য: অ্যাডিসের শূককীট পানির নিচে সমান্তরালে ভাসে, যা তাদের শারীরিক গঠন ও জীবনচক্রের জন্য স্বাভাবিক।
  • আবাসের স্থান: তারা সাধারণত ঘরের অভ্যন্তরীণ বা গৃহের আশেপাশে পানির জমা স্থানগুলোতে বাস করে।
  • উপকারিতা ও ক্ষতি: অ্যাডিস মশা বিভিন্ন রোগ যেমন ডেঙ্গু, জি??া, চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি ছড়ায়।
Option D Explanation:
  • অজ্ঞাতনামা বা অনির্ধারিত তথ্য: এই অপশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শূককীট দেখে মশা চেনা সম্ভব নয়।
  • প্রত্যক্ষদর্শনের অভাব: শূককীটের বৈশিষ্ট্য বা চেহারা জানা না থাকলে, এটি কোন ধরণের মশার, তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়।
  • প্রকারভেদে পার্থক্য: বিভিন্ন মশার শূককীটের গঠন ও আচরণ আলাদা হতে পারে, কিন্তু এই তথ্য না থাকলে তা নির্ণয় করা যায় না।
  • নির্ধারিত বৈশিষ্ট্যবিহীনতা: এই অপশনে কোন নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা তথ্য দেওয়া হয়নি, ফলে মশার প্রকার চিনতে পারা সম্ভব নয়।