লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম (যেমন: বাতাস) থেকে অন্য মাধ্যমে (যেমন: কাঁচ) প্রবেশ করে, তখন এর দিক পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। প্রিজমের ক্ষেত্রে, আলো দুইবার প্রতিসরিত হয় - একবার যখন প্রিজমের মধ্যে প্রবেশ করে এবং আরেকবার যখন প্রিজম থেকে বের হয়। এই প্রতিসরণের কারণেই আলোর বিচ্যুতি ঘটে।🌈
সূর্যরশ্মি সাতটি বর্ণের আলোর সমষ্টি - বেগুনী, নীল, আকাশি, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল। প্রত্যেক বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য (wavelength) ভিন্ন ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের প্রতিসরণের পরিমাণে ভিন্নতা দেখা যায়।
| বর্ণ | তরঙ্গদৈর্ঘ্য (প্রায় nm) | বিচ্যুতি |
|---|---|---|
| বেগুনী 💜 | 380-450 | সর্বোচ্চ |
| নীল 💙 | 450-495 | বেশি |
| সবুজ 💚 | 495-570 | মাঝারি |
| হলুদ 💛 | 570-590 | কম |
| কমলা 🧡 | 590-620 | আরও কম |
| লাল ❤️ | 620-750 | ন্যূনতম |
উপরের তালিকা থেকে স্পষ্ট যে, লাল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বাধিক হওয়ার কারণে এর বিচ্যুতি সর্বনিম্ন। 🥳
প্রিজমের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় লাল আলো সবচেয়ে কম বেঁকে যায়, কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি এবং প্রতিসরাঙ্ক কম। গাণিতিকভাবে বললে, আলোর বিচ্যুতি কোণ (δ) তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (λ) সাথে ব্যস্তানুপাতিক। 💡
আশা করি, বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে! 👍
```