টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

F2 জনুতে ১৩:৩ জিনোটাইপিক অনুপাত পাওয়ার কারণ কোনটি?

A.

অসম্পূর্ণ প্রকটতা

B.

পরিপূরক জিন

C.

পলিজেনিক জিন

D.

এপিস্ট্যটিক জিন

সঠিক উত্তরঃ D.

এপিস্ট্যটিক জিন

Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর: "এপিস্ট্যটিক জিন" এর কারণেই F2 জনুতে ১৩:৩ জিনোটাইপিক অনুপাত পাওয়া যায়। এর ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:
  1. এপিস্ট্যটিক জিন কি? এপিস্ট্যটিক জিন হলো এমন জিন যা অন্য জিনের প্রকাশকে নিয়ন্ত্রণ করে বা তাকে প্রভাবিত করে। এটি সাধারণত বিভিন্ন ট্রান্সক্রিপশনাল উপাদান বা রেগুলেটরি জিন হিসেবে থাকে।
  2. প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ: এপিস্ট্যটিক জিন অন্য জিনের কার্যক্রম বা প্রকাশের উপর প্রভাব ফেলে, ফলে নির্দিষ্ট জিনের অ???্রকাশ বা কম প্রকাশ ঘটে।
  3. ফলাফল: এর ফলে, জিনের প্রকাশের ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত বা আলাদা ধরণের ফলাফল দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, কিছু জিনের প্রকাশের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকায়, F2 প্রজন্মে নির্দিষ্ট জিনোটাইপের অনুপাত পরিবর্তিত হয়।
  4. ১৩:৩ অনুপাতের কারণ: সাধারণত এই অনুপাতটি তখন দেখা যায় যখন একটি ট্র্যাভেরজ বা এপিস্ট্যটিক জিন অন্য জিনের প্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে কিছু জিনোটাইপের উপস্থিতি কম বা বেশি হয়, যা ১৩:৩ এর মত অনুপাতে প্রকাশ পায়।
সারসংক্ষেপে, এপিস্ট্যটিক জিনের উপস্থিতি ও কার্যপ্রণালী বিভিন্ন জিনের প্রকাশের উপর নিয়ন্ত্রণ রেখে, F2 প্রজন্মে ১৩:৩ জিনোটাইপিক অনুপাতের সৃষ্টি করে।
Option A Explanation:
  1. অসম্পূর্ণ প্রকটতা: এটি একটি জেনেটিক অবস্থা যেখানে দ্বৈত অণুগুলির মধ্যে একটির প্রভাব অন্যটির উপর সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় না। ফলে, হাইব্রিড প্রজন্মে সাধারণত দুইটি পেরেন্টের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণভাবে দেখা যায় না, বরং একটি মধ্যবর্তী বা মিশ্র বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
  2. এই ধরনের প্রকটতার কারণে, জিনোটাইপের অনুপাত সাধারণত ১:2:1 হয়, যেখানে:
    • প্রথম সংখ্যা: হোমোজিগাস (প্রথম ধরনের জিনের দুটি অভিন্ন কপি)
    • দ্বিতীয় সংখ্যা: হেটেরোজিগাস (দুটি ভিন্ন জিনের কপি)
    • তৃতীয় সংখ্যা: আবার হোমোজিগাস (অন্য ধরনের জিনের দুটি অভিন্ন কপি)
  3. অর্থাৎ, অসম্পূর্ণ প্রকটতার কারণে, হেটেরোজিগাস জেনোটাইপের উপস্থাপনা মধ্যবর্তী প্রকটতার কারণে ১:2:1 অনুপাত সৃষ্টি করে।
Option B Explanation:
  • পরিপূরক জিন: এই জিনগুলো এমন জিন যা একসাথে কাজ করে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য।
  • প্রতিটি জিনের আলাদা আলাদা অপ্রকাশ বা প্রকাশের মাত্রা নির্ধারণ করে বৈশিষ্ট্যের ফলাফল।
  • পরিপূরক জিনের উপস্থিতি বা অভাব নির্ভর করে নির্দিষ্ট জিনোটাইপের অনুপাতের উপর, যেমন 1:2:1।
  • এটি সাধারণত জিনের ক্রোমোসোমাল অবস্থান বা জিনের আন্তঃপ্রভাবের কারণে ঘটে, যা বৈশিষ্ট্য প্রকাশে প্রভাব ফেলে।
Option C Explanation:
  • পলিজেনিক জিন: একাধিক জিনের সমন্বয়ে একটি ট্রেটের প্রভাব বা প্রকাশ ঘটানো হয়।
  • এটি সাধারণত একটি ট্রেটের জন্য একাধিক জিন দায়ী হয়, যার ফলে বিভিন্ন জিনের সমন্বয়ে ট্রেটের ভিন্নতা দেখা যায়।
  • উদাহরণস্বরূপ, উজ্জ্বলতা, উচ্চতা বা রঙের মতো বৈশিষ্ট্যগুলি পলিজেনিক জিনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।
  • এটি জিনের বিভিন্ন আলেল বা জেনোটাইপের সমন্বয়ে ট্রেটের ভিন্ন ভিন্ন অনুপাত তৈরি করে।
Option D Explanation:

এপিস্ট্যটিক জিন (Epistatic Gene) এর ব্যাখ্যা:

  • অর্থ: এপিস্ট্যটিক জিন হলো সেই জিন যা অন্য জিনের কার্যকারিতা বা প্রকাশকে প্রভাবিত বা বন্ধ করে দেয়।
  • প্রভাব: এটি সাধারণত নির্দিষ্ট জিনের কার্যকলাপের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, ফলে অন্য জিনের দ্বারা নির্গত প্রতিক্রিয়া বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশে পরিবর্তন আসে।
  • উদাহরণ: যদি একটি জিন রং নির্ধারণ করে এবং অন্যটি রঙের প্রকাশকে বন্ধ করে দেয়, তবে প্রথম জিনটি এপিস্ট্যটিক হয়।
  • প্রভাবের ধরণ: এপিস্ট্যটিক জিনের কারণে জেনোটাইপ বা জিনের গঠন অনুযায়ী প্রত্যাশিত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হতে পারে।
  • উপকারিতা: এটি জেনেটিক বৈচিত্র্য এবং বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জটিলতা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।