টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

 অধঃক্ষেপনের জন্য শর্ত : 

A. Ki>Ks
B. Ks>Ki
C. Ks= Ki
D. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তরঃ A. Ki>Ks
Explanation:

Another Explanation (5):

অধঃক্ষেপণ (Precipitation) এর শর্ত: Ki > Ks

অধঃক্ষেপণ একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া। যখন কোনো দ্রবণে একটি কঠিন পদার্থ দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং দ্রবণ থেকে আলাদা হয়ে যায়, তখন তাকে অধঃক্ষেপণ বলে। এই প্রক্রিয়াটি বোঝার জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ টার্ম আলোচনা করা দরকার, আয়নিক গুণফল (Ionic Product, Ki) এবং দ্রাব্যতা গুণফল (Solubility Product, Ks)।

আয়নিক গুণফল (Ki):

আয়নিক গুণফল (Ki) একটি নির্দিষ্ট সময়ে দ্রবণে উপস্থিত আয়নগুলির ঘনত্বের গুণফল। এটি দেখায় যে ঐ বিশেষ মুহূর্তে দ্রবণটি সম্পৃক্ত (Saturated), অসম্পৃক্ত (Unsaturated) নাকি অতিপৃক্ত (Supersaturated) অবস্থায় আছে।

  • সংজ্ঞা: কোনো একটি দ্রবণে উপস্থিত আয়নগুলোর ঘনমাত্রার গুণফলকে আয়নিক গুণফল বলে।
  • গুরুত্ব: Ki এর মান দ্রবণের অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেয়।
  • উদাহরণ: AgCl এর দ্রবণে, Ki = [Ag+][Cl-]

দ্রাব্যতা গুণফল (Ks):

দ্রাব্যতা গুণফল (Ks) একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি কঠিন পদার্থের দ্রাব্যতা নির্দেশ করে। এটি সম্পৃক্ত দ্রবণে আয়নগুলির ঘনত্বের গুণফল। Ks একটি ধ্রুবক মান, যা শুধুমাত্র তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে।

  • সংজ্ঞা: সম্পৃক্ত দ্রবণে আয়নগুলোর ঘনমাত্রার গুণফলকে দ্রাব্যতা গুণফল বলে।
  • গুরুত্ব: Ks এর মান অধঃক্ষেপণ হবে কিনা, তা নির্ধারণ করে।
  • উদাহরণ: AgCl এর সম্পৃক্ত দ্রবণে, Ks = [Ag+][Cl-]

অধঃক্ষেপণের শর্ত: Ki > Ks

অধঃক্ষেপণের মূল শর্ত হলো, যখন আয়নিক গুণফল (Ki) দ্রাব্যতা গুণফল (Ks) থেকে বড় হয় (Ki > Ks)। এর মানে হলো:

  • দ্রবণে আয়নগুলির ঘনত্ব সম্পৃক্ত দ্রবণের তুলনায় বেশি।
  • দ্রবণটি অতিপৃক্ত (Supersaturated) অবস্থায় আছে।
  • অতিরিক্ত আয়নগুলি দ্রবণ থেকে আলাদা হয়ে কঠিন পদার্থ হিসেবে অধঃক্ষিপ্ত হবে। ⬇️

বিভিন্ন অবস্থায় Ki এবং Ks এর সম্পর্ক:

অবস্থা Ki এবং Ks এর সম্পর্ক বর্ণনা
অসম্পৃক্ত দ্রবণ (Unsaturated Solution) Ki < Ks দ্রবণে আরও কঠিন পদার্থ দ্রবীভূত হতে পারে। কোনো অধঃক্ষেপণ হবে না। ✅
সম্পৃক্ত দ্রবণ (Saturated Solution) Ki = Ks দ্রবণটি সর্বোচ্চ পরিমাণে কঠিন পদার্থ ধারণ করতে পারে। কোনো অতিরিক্ত কঠিন পদার্থ দ্রবীভূত হবে না এবং কোনো অধঃক্ষেপণও হবে না। ⚖️
অতিপৃক্ত দ্রবণ (Supersaturated Solution) Ki > Ks দ্রবণে কঠিন পদার্থের পরিমাণ দ্রাব্যতার চেয়ে বেশি। এটি একটি অস্থায়ী অবস্থা এবং অধঃক্ষেপণ শুরু হবে। ⚠️

বাস্তব জীবনে উদাহরণ:

  • নদীর মোহনায় লবণাক্ত পানি ও মিঠা পানির মিশ্রণ: সমুদ্রের লবণাক্ত পানি যখন নদীর মিঠা পানির সাথে মেশে, তখন কিছু লবণ অধঃক্ষিপ্ত হতে পারে। 🌊 + 💧 = 🧱
  • কঠিন পানি (Hard Water): কিছু পানিতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের লবণ বেশি থাকে। এই পানি গরম করলে কার্বনেট লবণ অধঃক্ষিপ্ত হয়ে পাত্রের তলায় জমা হতে পারে। ☕️ = 🧱

সুতরাং, Ki > Ks হলে, দ্রবণ থেকে কঠিন পদার্থ আলাদা হয়ে অধঃক্ষেপণ তৈরি করবে। এই ধারণাটি রসায়ন এবং পরিবেশ বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 🧪🌍