টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি ব্যাকটিরয়া জনিত রোগ নয়?

A. জলাতংক
B. টাইফয়েড
C. নিউমোনিয়া
D. যক্ষ্মা 
সঠিক উত্তরঃ A. জলাতংক
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়: জলাতঙ্ক

জলাতঙ্ক একটি ভাইরাসজনিত রোগ, ব্যাকটেরিয়াজনিত নয়। ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ও অন্যান্য জীবাণু বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। এদের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস উল্লেখযোগ্য। নিচে ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ এবং ভাইরাসজনিত রোগগুলোর মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করা হলো:

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ 🦠

  • কারণ: ব্যাকটেরিয়া🦠 নামক একককোষী জীব।
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিক💊 দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
  • উদাহরণ:
    • নিউমোনিয়া 🤧
    • টাইফয়েড 🤒
    • কলেরা 🤢
    • যক্ষ্মা (টিউবারকিউলোসিস) 🫁
    • ডায়রিয়া 🤮

ভাইরাসজনিত রোগ ☣️

  • কারণ: ভাইরাস 👾নামক অতি-ক্ষুদ্র জীবাণু।
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিভাইরাল💊💊💊 ওষুধ এবং ভ্যাক্সিন💉 দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
  • উদাহরণ:
    • জলাতঙ্ক (Rabies) 🐶
    • হাম 🤕
    • পোলিও ♿
    • ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) 🤧
    • এইডস (AIDS) 💔
    • করোনাভাইরাস (COVID-19) 😷

জলাতঙ্ক রোগ 🐶 সম্পর্কে বিস্তারিত

জলাতঙ্ক (Rabies) একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি সাধারণত কুকুরের 🐕, বিড়ালের 🐈‍⬛ এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর 🐒 মাধ্যমে ছড়ায়। এই রোগ Rabies virus নামক ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। আক্রান্ত প্রাণীর লালার মাধ্যমে ভাইরাসটি মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।

জলাতঙ্কের লক্ষণসমূহ 🤒

  • জ্বর 🌡️
  • মাথাব্যথা 🤕
  • মাংসপেশিতে ব্যথা 💪
  • দুর্বলতা 😩
  • ক্ষতস্থানে চুলকানি 🩹
  • পানি খেতে ভয় পাওয়া (Hydrophobia) 💧
  • আলো এবং শব্দে সংবেদনশীলতা 💡
  • মানসিক বিভ্রান্তি 😵‍💫
  • খিঁচুনি 痙攣
  • প্যারালাইসিস paralysed

জলাতঙ্ক রোগের প্রতিরোধ 🛡️

  • পশুদের ভ্যাক্সিন দেওয়া 💉
  • আঘাত পেলে দ্রুত ক্ষতস্থান পরিষ্কার করা 🧼
  • জলাতঙ্কের ভ্যাক্সিন নেওয়া 💉💉
  • সচেতনতা বৃদ্ধি করা 📢

ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগের তুলনা ছকে:

বৈশিষ্ট্য ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ 🦠 ভাইরাসজনিত রোগ 👾
কারণ ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস
আকার তুলনামূলকভাবে বড় তুলনামূলকভাবে ছোট
চিকিৎসা অ্যান্টিবায়োটিক অ্যান্টিভাইরাল ও ভ্যাক্সিন
প্রতিরোধ টিকা এবং স্বাস্থ্যবিধি টিকা এবং স্বাস্থ্যবিধি
উদাহরণ টাইফয়েড, কলেরা জলাতঙ্ক, হাম

সুতরাং, জলাতঙ্ক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, এটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। সময়মত ভ্যাক্সিন 💉💉💉 এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগ থেকে বাঁচা সম্ভব।

সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন 😊🙏!

```
Option A Explanation: জলাতংক ব্যাখ্যা

জলাতংক (Rabies) সম্পর্কে তথ্য

জলাতংক একটি জীবাণুজনিত রোগ, যা মূলত ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। এটি সাধারণত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায়, বিশেষ করে কুকুরের কামড়ে।

মূল কারণ:

  • জীবাণু: র্যাবিডিভাইরাস (Rabies virus)
  • প্রাণীর কামড় বা লালা দ্বারা সংক্রমণ হয়

প্রধান লক্ষণ:

  • চুলকানি বা জ্বলজ্বল ভাব
  • বিষণ্ণতা ও অস্থিরতা
  • আতংকিত ও অস্বাভাবিক আচরণ
  • শ্বাসের সমস্যা ও পানিশূন্যতা
  • অবশেষে মৃত্যুর দিকে প্রবণতা

প্রতিরোধ:

  • প্রাণী থেকে রক্ষা
  • কীটনাশক ও টিকা নেওয়া
  • কামড়ের পর দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া
Option B Explanation: টাইফয়েডের ব্যাখ্যা

টাইফয়েডের ব্যাখ্যা

  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ (বাহিরের জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট)
  • সংক্রমণের কারণ: Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়া
  • প্রধান লক্ষণসমূহ: জ্বর, পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা বা কনস্টিপেশন, ক্লান্তি, মাথা ব্যথা
  • সংক্রমণের মাধ্যম: দূষিত পানি ও খাবার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব
  • প্রতিরোধ: পরিষ্কার পানি পান, স্যানিটেশন মান বজায় রাখা, টিকা গ্রহণ
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিকস দ্বারা চিকিৎসা সম্ভব
Option C Explanation:
  • নিউমোনিয়া হল এক ধরনের সংক্রমণ যা ফুসফুসের নিম্নাংশে ঘটে।
  • এটি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হতে পারে, যার মধ্যে ডিপ্লোকক্কাস গণভূক্ত ব্যাকটেরিয়া অন্যতম।
  • ডিপ্লোকক্কাস নিউমোনিয়া সাধারণত Streptococcus pneumoniae নামে পরিচিত।
  • এটি একটি অ-অক্সিজেন-সচেতন ব্যাকটেরিয়া, যা শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • নিউমোনিয়া সংক্রমণের লক্ষণগুলো হলো জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা ইত্যাদি।
  • উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা সম্ভব।
Option D Explanation:
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
  • প্রধান কারণ: Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়া
  • প্রভাবিত অঙ্গ: ফুসফুস প্রধানত, তবে অন্য অঙ্গগুলোও হতে পারে
  • লক্ষণ: দীর্ঘস্থায়ী কাশি, কাশির রক্ত, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, জ্বর ও রাতের ঘাম
  • চিকিৎসা: এন্টিবায়োটিকের মাধ্যমে পুরো কোর্স সম্পন্ন করা জরুরি
  • প্রতিরোধ: টিকা (BCG) ব্যবস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধি