টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

সংক্রমণ ক্ষম??াহীন ভাইরাসকে কী বলা হয় ?

A. Genetic recombination
B. Non - histon protein
C. Nucleocapsid
D. Rubeolla
সঠিক উত্তরঃ C. Nucleocapsid
Explanation:
Another Explanation (5): ```html

সংক্রমণ ক্ষমতাহীন ভাইরাস: নিউক্লিওক্যাপসিড 🦠

ভাইরাসের সংক্রমণ প্রক্রিয়ায় নিউক্লিওক্যাপসিড একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি সংক্রমণ ক্ষমতাহীন ভাইরাস। নিচে এর গঠন ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

নিউক্লিওক্যাপসিড কী? 🤔

নিউক্লিওক্যাপসিড হলো একটি ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) এবং ক্যাপসিডের সমন্বয়ে গঠিত কাঠামো। ক্যাপসিড হলো প্রোটিন দিয়ে তৈরি একটি খোলস যা নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে। যেহেতু নিউক্লিওক্যাপসিডের বাইরে ভাইরাল এনভেলপ (envelope) থাকে না, তাই এটি সরাসরি অন্য কোষকে সংক্রমিত করতে পারে না। 😥

গঠন 🧬

  • নিউক্লিক অ্যাসিড: ভাইরাসের জিনোম (DNA অথবা RNA) 🧬
  • ক্যাপসিড: প্রোটিন সাবইউনিট দিয়ে গঠিত আবরণ। এই প্রোটিন সাবইউনিটগুলোকে ক্যাপসোমিয়ার (capsomere) বলে। 🛡️

নিউক্লিওক্যাপসিডের কাজ 🎯

  1. নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করা। 🛡️
  2. ভাইরাসের গঠন তৈরি করা। 🧱

নিউক্লিওক্যাপসিড এবং সংক্রমণ 🦠➡️🚫

যেহেতু নিউক্লিওক্যাপসিডের বাইরের দিকে কোনো এনভেলপ থাকে না, তাই এটি সরাসরি কোষের সাথে যুক্ত হতে পারে না এবং সংক্রমণ ঘটাতে পারে না। সংক্রমণ ঘটাতে এর একটি এনভেলপ (envelope) প্রয়োজন। 👍

নিউক্লিওক্যাপসিড সমৃদ্ধ ভাইরাসের উদাহরণ 📝

ভাইরাসের নাম বৈশিষ্ট্য
এডেনোভাইরাস (Adenovirus) শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়। 🤧
প্যাপিলোমাভাইরাস (Papillomavirus) ত্বকের আঁচিল সৃষ্টি করে। 🧏

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 💡

  • নিউক্লিওক্যাপসিড হলো ভাইরাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ✅
  • এটি নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে।🛡️
  • ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এনভেলপ প্রয়োজন। 🦠+ ➡️ 🦠

আশা করি, নিউক্লিওক্যাপসিড সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊

```
Option A Explanation:

Genetic Recombination

  • একটি প্রক্রিয়া যেখানে দুইটি বা তার বেশি ডিএনএ বা আরএনএ অণু মিলিত হয়ে নতুন জেনেটিক সংমিশ্রণে পরিবর্তন ঘটে।
  • এটি জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি করতে সাহায্য করে, যা জীবের অভিযোজন এবং বিবর্তনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • সংক্রমণজনিত ভাইরাসে, এই প্রক্রিয়া ভাইরাসের জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করতে পারে, ফলে রোগের প্রাদুর্ভাব বা প্রতিরোধের ক্ষমতা পরিবর্তিত হতে পারে।
  • প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম পদ্ধতিতে এটির মাধ্যমে বিভিন্ন ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান পরিবর্তিত হতে পারে।
Option B Explanation:
  1. নন-হিস্টোন প্রোটিন: এই প্রোটিনগুলো সাধারণত নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থিত হয় এবং ডিএনএ-কে স্থিতিশীল এবং সংরক্ষণের জন্য সাহায্য করে।
  2. বিশেষত্ব: এই প্রোটিনগুলো হিষ্টোনের সাথে নয়, বরং অন্য ধরণের প্রোটিন যা ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান বা কোষের নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায়।
  3. ভূমিকা: তারা ভাইরাসের কভার অথবা নিউক্লিয়াসিডের সুরক্ষা দেয় এবং ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা বা প্রতিরোধ ক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
  4. উপকারিতা: এই প্রোটিনের বৈশিষ্ট্য বা গঠন নির্ণয় করে ভাইরাসের শ্রেণীবিভাগ বা সংক্রমণের পদ্ধতি বোঝা যায়।
Option C Explanation:
  • Nucleocapsid হলো ভাইরাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান (DNA বা RNA) এবং ক্যাপসিডের মধ্যে অবস্থিত।
  • এটি ভাইরাসের জেনেটিক উপাদানকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং ভাইরাসের প্রজননের জন্য অপরিহার্য।
  • নিউক্লিওক্যাপসিডের মাধ্যমে ভাইরাসটি কোষে প্রবেশ করে এবং তার জেনেটিক উপাদানকে কার্যকর করতে সক্ষম হয়।
  • এটি সাধারণত প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত হয়, যা ভাইরাসের ধরণ অনুযায়ী আলাদা হতে পারে।
Option D Explanation:
  • রুবেলা (Rubeola):
  • একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে দেখা যায়।
  • এটি রুবোলা ভাইরাসের মাধ্যমে হয়, যা সংক্রমণের সময় খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে।
  • রুবেলার প্রধান লক্ষণগুলো হলো: চুলকানি, জ্বর, ঠোঁটের মাঝখানে লালচে দাগ বা গুটি দেখা দিতে পারে।
  • এটি একটি সংক্রমণ ক্ষমতা সম্পন্ন ভাইরাস, যার মাধ্যমে সহজে ছড়িয়ে পড়ে।