টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি C4 উদ্ভিদ?

A. ধান
B. ভূট্টা
C. গম
D. আলু
সঠিক উত্তরঃ B. ভূট্টা
Explanation:

Another Explanation (5):

C4 উদ্ভিদ: ভূট্টা 🌱🌽

C4 উদ্ভিদ সেইসব উদ্ভিদকে বোঝায় যারা সালোকসংশ্লেষণের সময় কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) গ্রহণ এবং ফিক্স করার জন্য একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করে। এই পদ্ধতি C3 উদ্ভিদের তুলনায় বেশি কার্যকর, বিশেষ করে উষ্ণ, শুষ্ক এবং উচ্চ আলো যুক্ত পরিবেশে।

C4 উদ্ভিদ কী? 🧐

C4 উদ্ভিদ কার্বন ফিক্সেশনের জন্য হ্যাচ-স্লেক পথ (Hatch-Slack pathway) ব্যবহার করে। এই প্রক্রিয়ায়, CO2 প্রথমে মেসোফিল কোষে ফসফোইনলপাইরুভেট (PEP) কার্বক্সিলেজ নামক এনজাইমের মাধ্যমে ফিক্সড হয়ে অক্সালোঅ্যাসিটেট (OAA) নামক একটি চার কার্বনযুক্ত যৌগ তৈরি করে। এরপর OAA ম্যালেট বা অ্যাসপার্টেটে রূপান্তরিত হয়ে বান্ডেল শীথ কোষে স্থানান্তরিত হয়। বান্ডেল শীথ কোষে, ম্যালেট বা অ্যাসপার্টেট থেকে CO2 নির্গত হয়, যা রুবিস্কো এনজাইমের মাধ্যমে কেলভিন চক্রে প্রবেশ করে এবং শর্করা তৈরি করে।

ভূট্টা কেন C4 উদ্ভিদ? 🤔

ভূট্টা একটি C4 উদ্ভিদ কারণ: * ভূট্টার মেসোফিল এবং বান্ডেল শীথ কোষে ক্লোরোপ্লাস্টের বিশেষ গঠন বিদ্যমান। 🧬 * ভূট্টা হ্যাচ-স্লেক পথ ব্যবহার ???রে CO2 ফিক্স করে। ✅ * ভূট্টা উচ্চ তাপমাত্রা এবং কম CO2 ঘনত্বে সালোকসংশ্লেষণ চালিয়ে যেতে পারে। ☀️ * ভূট্টার বান্ডেল শীথ কোষগুলো অক্সিজেন এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের প্রতি প্রায় অভেদ্য, যা রুবিস্কোকে অক্সিজনেজের পরিবর্তে কার্বক্সিলেজ হিসেবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং ফটোরেসপিরেশন কমায়। ⬇️

C4 উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:✨

বৈশিষ্ট্য C4 উদ্ভিদ
সালোকসংশ্লেষণের প্রাথমিক CO2 গ্রাহক ফসফোইনলপাইরুভেট (PEP)
প্রথম স্থিতিশীল যৌগ অক্সালোঅ্যাসিটেট (OAA) (৪-কার্বন)
কেলভিন চক্রের স্থান বান্ডেল শীথ কোষ
ফটোরেসপিরেশন কম বা অনুপস্থিত 📉
পানি ব্যবহারের দক্ষতা উচ্চ 💧⬆️

অন্যান্য C4 উদ্ভিদ: 🌾

* আঁখ (Sugarcane) 🍹 * জোয়ার (Sorghum) * বাজরা (Millet)

C4 উদ্ভিদের সুবিধা: 👍

* উচ্চ তাপমাত্রা এবং খরার পরিস্থিতিতে ভালো ফলন। ☀️ * কম CO2 ঘনত্বেও সালোকসংশ্লেষণ করতে সক্ষম। * পানি সাশ্রয়ী। 💧 * ফটোরেসপিরেশন কম হওয়ায় শক্তির অপচয় কম হয়। ⚡ আশা করি এই ব্যাখ্যাটি C4 উদ্ভিদ এবং ভূট্টা সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে! 😊
Option A Explanation:
  • ধান (Oryza sativa)
  • এটি একটি C4 উদ্ভিদ, যার অর্থ হলো এটি একটি C4 প্রক্রিয়ায় ফটোসিনথেসিস করে।
  • সাধারণত, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্যের মধ্যে একটি, যা উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে ভাল বৃদ্ধি পায়।
  • এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর পাতার গড়া এবং রঙের বৈচিত্র্য, যা সূর্যরশ্মির তাপ ও আলোতে কার্যকরভাবে ফটোসিন্থেসিস করতে সক্ষম।
  • প্রধানত, ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলন উচ্চ মানের খাদ্যশস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • উদ্ভিদের ধরণ: ভূট্টা একটি বার্ষিক শস্য উদ্ভিদ।
  • শাখা: এটি একবার ফলন শেষে মারা যায় বা অর্ধবার্ষিকী।
  • নিয়মিত পুনরাবৃত্তি: ভূট্টা প্রতি বছর নতুন করে জন্মায় এবং ফল দেয়।
  • উৎপত্তি: এটি C4 শোষণকারী উদ্ভিদ, যার মাধ্যমে এটি খুব কম পানি ও বেশি আলোতে দ্রুত পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।
  • অধ্যায়: এটি বিশেষ করে শস্যভূমিতে চাষ হয় এবং খাদ্য, পশুখাদ্য ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
  • গম হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ শস্য যা প্রধানত শুষ্ক ও ঠাণ্ডা পরিবেশে উন্নত হয়।
  • এটি C4 উদ্ভিদ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি উচ্চ শোষণ ক্ষমতা ও কম পানি ব্যবহার করে Photosynthesis করে।
  • Gমের Photosynthesis প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইডের শোষণ ও রঙিন জৈব যৌগের উৎপাদন বেশি হয়, যা বেশি সূর্যালোক শোষণের জন্য উপযুক্ত।
  • এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং উচ্চ ফলন দেয়, বিশেষ করে উষ্ণ ও শুষ্ক অঞ্চলে।
  • Gমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি C4 পদ্ধতিতে Photosynthesis করে, যা শাকসবজি ও খাদ্যশস্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
  • আলু: আলু মূলত একটি মূলের উদ্ভিদ যা মাটির নিচে জন্মায়। এটি একটি স্টার্চ সমৃদ্ধ রুট টিউবার, যা উদ্ভিদের স্টো???েজ অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। আলুর এই মূলের অংশ থেকে নতুন গাছ ও শাখা বৃদ্ধি পায়।
  • আলু গাছের মূলের অংশ থেকে উদ্ভিদ জন্মায়, যা সাধারণত মাটির নিচে থাকে।
  • আলু বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ, যেমন কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন C, ও খনিজ পদার্থ।
  • উৎপাদনের জন্য আলু সাধারণত শীতকালীন মৌসুমে চাষ করা হয়।