লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
আমাদের শরীরকে রোগজীবাণুর হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সদা প্রস্তুত। এটি মূলত দুই ধাপে কাজ করে। প্রথম ধাপে কিছু সাধারণ সুরক্ষা থাকে, যা জন্মগতভাবে আমরা পেয়ে থাকি। আর দ্বিতীয় ধাপে, শরীর কোনো নির্দিষ্ট রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। নিচে দ্বিতীয় ধাপের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশগুলো আলোচনা করা হলো:
| উপাদান | কার্যকারিতা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ফ্যাগোসাইটোসিস | জীবাণু ভক্ষণ ও ধ্বংস 🍔 | ম্যাক্রোফেজ, নিউট্রোফিল |
| প্রদাহ | ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি ও জীবাণু ধ্বংস 🩸 | ফোলা, লাল হওয়া, ব্যথা |
| জ্বর | জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ ও প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি 🔥 | ভাইরাস সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ |
| অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রোটিন | জীবাণু ধ্বংস বা বিস্তার রোধ 🧬 | ইন্টারফেরন |
| ন্যাচারাল কিলার সেল | ভাইরাস ও ক্যান্সার কোষ ধ্বংস 🧫 | ভাইরাস আক্রান্ত কোষ |
প্রশ্নটি ছিল, "নিচের কোনটি মানুষের দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা পদ্ধতি নয়?" যেহেতু ফ্যাগোসাইটোসিস, প্রদাহ, জ্বর, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রোটিন এবং ন্যাচারাল কিলার সেল - সবগুলোই দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ, তাই "সবগুলো" অপশনটি সঠিক। কারণ এর মধ্যে একটিও বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। 💯
আশা করি, মানুষের দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। সুস্থ থাকুন! 💖
```