টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি প্রােগ্রামড সেল ডেথ?

A. নেক্রোসিস
B. এপেপ্টোসিস
C. এমাইটোসিস
D. মাইটোসিস
সঠিক উত্তরঃ B. এপেপ্টোসিস
Explanation:

কোষের জেনেটিক্যালি মৃত্যু হলো Apoptosis

Another Explanation (5):

প্রোগ্রামড সেল ডেথ কি?

প্রোগ্রামড সেল ডেথ (Programmed Cell Death) হলো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যেখানে কোষ নিজে নিজে মৃত্যুবরণ করে। এটি শরীরের স্বাভাবিক বিকাশ, টিস্যু রক্ষণাবেক্ষণ ও ক্ষত সারানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

প্রোগ্রামড সেল ডেথের ধরণসমূহ 🧬

  • এপেপ্টোসিস (Apoptosis) 🧪 — এটি এক ধরণের প্রোগ্রামড কোষ মৃত্যুকরণ, যা স্বাভাবিকভাবে বা ক্ষতিকর কোষের জন্য ঘটে।
  • অ্যাপোপটোসিস (Necrosis) 💥 — এটি সাধারণত আঘাত বা বিষক্রিয়ার কারণে ঘটে, যা প্রাকৃতিক নয়।

উত্তর: কোনটি প্রোগ্রামড সেল ডেথ? 🤔

উত্তর হলো: এপেপ্টোসিস (Apoptosis)।

বিশদ ব্যাখ্যা 📝

এপেপ্টোসিস হলো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যেখানে কোষ নিজে নিজে নির্দিষ্ট পর্যায়ে মৃত্যুবরণ করে। এটি শরীরের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষের স্থান পরিবর্তন করে শরীরের স্বাস্থ্যের রক্ষা করে।

তালিকা: এপেপ্টোসিসের বৈশিষ্ট্য 🌟

  1. কোষের আকার ছোট হয়।
  2. নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ায় কোষের ডাইসেল হয়ে যায়।
  3. কোষের পরিপাক হয় বা অঙ্গপ্রতঙ্গ নিষ্ক্রিয় হয়।
  4. প্রদাহ বা অপ্রয়োজনীয় ক্ষতি হয় না।

সারণী: প্রোগ্রামড ও অপ্রোগ্রামড সেল ডেথের পার্থক্য ⚖️

বৈশিষ্ট্য এপেপ্টোসিস (প্রোগ্রামড) 🧪 অ্যাপোপটোসিস (অপ্রোগ্রামড) 💥
প্রকৃতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত অপ্রত্যাশিত ও অনিয়ন্ত্রিত
প্রভাব শরীরের স্বাভাবিক বিকাশ ও ক্ষতিকর কোষের অপসারণ আঘাত বা বিষক্রিয়া
প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত ও ধীর আনিয়ন্ত্রিত ও দ্রুত
Option A Explanation: নেক্রোসিসের ব্যাখ্যা

নেক্রোসিসের ব্যাখ্যা

  • নেক্রোসিস হলো কোষ বা টিস্যুর প্রাণহানি বা মৃত্যু, যা সাধারণত গুরুতর আঘাত বা ক্ষতিকর উপাদানের কারণে ঘটে।
  • এটি সাধারণত অস্থায়ী বা স্থায়ী হতে পারে, এবং এর ফলে আক্রান্ত স্থানে প্রদাহ ও ক্ষতি দেখা দেয়।
  • নেক্রোসিসের ফলে কোষের গঠন ভেঙে যায়, কোষের জীবনীশক্তি হারায় এবং কোষের ভিতরের উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • এটি বিভিন্ন রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে, যেমন আঘাত, বিষক্রিয়া, সংক্রমণ, বা পুষ্টির অভাবজনিত অবস্থায়।
  • চিকিৎসায় সাধারণত ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু অপসারণ বা সংশ্লিষ্ট রোগের চিকিৎসা করা হয়।
Option B Explanation:
  • এপেপ্টোসিস একটি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়া যা কোষের মৃত্যুর জন্য দায়ী।
  • এটি একটি প্রোগ্রামড সেল ডেথ, যেখানে কোষগুলি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী নিজেকে ধ্বংস করে, যেন চারপাশের কোষ বা টিস্যুর ক্ষতি না হয়।
  • এপেপ্টোসিস সাধারণত শারীরিক বিকাশ, টিস্যু রক্ষণাবেক্ষণ এবং ক্ষত সারানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • প্রক্রিয়াটিতে কোষের আর্ন, নিউক্লিয়াসের সংকোচন, ডিএনএ এর বিভাজন এবং কোষের ভগ্নাংশে বিভক্তি ঘটে।
  • এপেপ্টোসিসের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো ধ্বংস হয়, যা স্বাভাবিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক।
Option C Explanation:
  • এমাইটোসিস (Mitosis): এটি একটি কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়া যা সাধারণত শরীরের কোষ বৃদ্ধির জন্য এবং ক্ষত স্থান পূরণের জন্য ঘটে।
  • প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে একক কোষ থেকে দুটি জোড়া কোষ সৃষ্টি হয়।
  • প্রক্রিয়াটির মধ্যে বিভিন্ন ধাপ রয়েছে, যেমন: প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ ও সাইটোকিনেসিস।
  • প্রতিটি নতুন কোষের ডিএনএ কপি হয়, যাতে নতুন কোষে জেনেটিক তথ্য ঠিকঠাক থাকে।
  • এটি সাধারণত অজৈব কোষ বিভাজনের জন্য দায়ী, যা শরীরের বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত।
Option D Explanation:
  • মাইটোসিস: এটি একটি কোষের বিভাজনের প্রক্রিয়া, যেখানে একটি মূল কোষ থেকে দুটি ডিএনএ সমানভাবে বিভক্ত হয়ে দুইটি নতুন কোষ তৈরি হয়।
  • প্রক্রিয়াটির ধাপসমূহ অন্তর্ভুক্ত: প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ, এবং সাইটোকাইনেসিস।
  • মাইটোসিস সাধারণত শরীরের কোষের বৃদ্ধির জন্য এবং ক্ষত সারানোর জন্য ঘটে।
  • এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেনেটিক উপাদান বা ডিএনএ সমানভাবে বিতরণ হয়, যাতে নতুন কোষগুলো মূল কোষের মতো একই জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।