লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ভাইরাস, জীব ও জড়ের মাঝে এক রহস্যময় সত্তা।🦠🦠🦠 এটি জীবিত কোষের বাইরে একেবারে নিষ্ক্রিয় এবং সংক্রমণ ক্ষমতাহীন থাকতে পারে। সংক্রমণ ক্ষমতাহীন ভাইরাস বলতে মূলত ভাইরাসের সেই গঠনকে বোঝায়, যার মধ্যে জেনেটিক উপাদান (DNA বা RNA) একটি প্রোটিন শেলের (ক্যাপসিড) মধ্যে আবদ্ধ থাকে কিন্তু ভাইরাসের বাইরের আবরণ (এনভেলপ) থাকে না অথবা ভাইরাসের সংক্রমণ করার ক্ষমতা থাকেনা। একে নিউক্লিওক্যাপসিড বলা হয়।🧬
নিউক্লিওক্যাপসিড হলো ভাইরাসের মূল গঠন, যা দুটি প্রধান উপাদান দিয়ে গঠিত:
কিছু ভাইরাসের নিউক্লিওক্যাপসিডের বাইরে একটি অতিরিক্ত স্তর থাকে, যাকে এনভেলপ বলা হয়। কিন্তু, যেসব ভাইরাসের এনভেলপ থাকে না, তাদের নিউক্লিওক্যাপসিডই হলো ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতাহীন রূপ। 😥
নিউক্লিওক্যাপসিডের গঠন বিভিন্ন ভাইরাসের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। ক্যাপসিডগুলো ছোট ছোট প্রোটিন সাবইউনিট দিয়ে তৈরি, যাদের ক্যাপসোমেরেস (capsomeres) বলে। এই ক্যাপসোমেরেসগুলো বিভিন্ন জ্যামিতিক আকারে সজ্জিত হয়ে ক্যাপসিড গঠন করে। নিচে কয়েকটি সাধারণ গঠন উল্লেখ করা হলো:
নিউক্লিওক্যাপসিডের প্রধান কাজগুলো হলো:
যদিও নিউক্লিওক্যাপসিড ভাইরাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এটি একা সংক্রমণ ঘটাতে পারে না। সংক্রমণের জন্য ভাইরাসের সম্পূর্ণ গঠন (নিউক্লিওক্যাপসিড + এনভেলপ, যদি থাকে) এবং অন্যান্য সহায়ক প্রোটিন প্রয়োজন। নিউক্লিওক্যাপসিড মূলত ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান বহন করে এবং কোষের মধ্যে প্রবেশে সাহায্য করে, কিন্তু ভাইরাসের প্রতিলিপি তৈরি এবং বিস্তার করার জন্য অন্যান্য উপাদানের প্রয়োজন।
কিছু ভাইরাসের উদাহরণ যেখানে নিউক্লিওক্যাপসিড দেখা যায়:
| ভাইরাসের নাম | গঠন | বিশেষত্ব |
|---|---|---|
| পিকোর্নাভাইরাস (Picornavirus) | আইকোসাহেড্রাল | ছোট RNA ভাইরাস, যেমন পোলিওভাইরাস। |
| প্যাপোভাভাইরাস (Papovavirus) | আইকোসাহেড্রাল | DNA ভাইরাস, যেমন প্যাপিলোমাভাইরাস। |
| রিওভাইরাস (Reovirus) | আইকোসাহেড্রাল | ডাবল-স্ট্র্যান্ডেড RNA ভাইরাস। |
আশা করি, নিউক্লিওক্যাপসিড সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। ✨