টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অ্যাক্সন কোথায় বিদ্যমান থাকে?

A. লোহিত রক্তকণিকা
B. ডিম্বাণু
C. শুক্রাণু
D. স্নায়ুকোষ
সঠিক উত্তরঃ D. স্নায়ুকোষ
Explanation:

Another Explanation (5):

অ্যাক্সন: অবস্থান ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা 🧠

অ্যাক্সন প্রধানত স্নায়ুকোষে (নিউরন) বিদ্যমান থাকে। এটি নিউরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা তথ্য পরিবহনে সহায়তা করে। নিচে এর অবস্থান ও কার্যাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

অ্যাক্সনের অবস্থান 📍

  • স্নায়ুকোষের মূল অংশ: অ্যাক্সন নিউরনের কোষদেহ (cell body) থেকে উৎপন্ন হয়ে লম্বা সরু সুতার মতো বিস্তৃত থাকে।
  • বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তার: এটি মস্তিষ্কের বি???িন্ন অংশে, সুষুম্নাকাণ্ডে (spinal cord) এবং পেরিফেরাল নার্ভ সিস্টেমে (peripheral nerve system) বিস্তৃত থাকে।
  • টার্মিনাল প্রান্তে সিনাপ্স: অ্যাক্সনের শেষ প্রান্তে অ্যাক্সন টার্মিনাল থাকে, যা অন্য নিউরন অথবা পেশী কোষের সাথে সিনাপ্স (synapse) তৈরি করে।

অ্যাক্সনের গঠন 🔬

  1. অ্যাক্সন হিলক (Axon Hillock): এটি কোষদেহের যে অংশ থেকে অ্যাক্সন শুরু হয়।
  2. মায়েলিন শীথ (Myelin Sheath): কিছু অ্যাক্সন মায়েলিন শীথ নামক একটি চর্বিযুক্ত পদার্থ দ্বারা আবৃত থাকে, যা তথ্য পরিবহনের গতি বাড়ায়। 🚄
  3. nodes of Ranvier: মায়েলিন শীথযুক্ত অ্যাক্সনে কিছু বিরতি থাকে, এগুলোকে nodes of Ranvier বলে।
  4. অ্যাক্সোপ্লাজম (Axoplasm): অ্যাক্সনের ভিতরের সাইটোপ্লাজমকে অ্যাক্সোপ্লাজম বলে।

অ্যাক্সনের কার্যাবলী ⚙️

কাজ বিবরণ
সংবেদী সংকেত প্রেরণ: অ্যাক্সন নিউরনের মাধ্যমে সংবেদী অঙ্গ থেকে মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। 🗣️
মোটর সংকেত প্রেরণ: এটি মস্তিষ্ক থেকে পেশী এবং গ্রন্থিগুলোতে মোটর সংকেত প্রেরণ করে। 💪
তথ্য পরিবহন: অ্যাক্সন বৈদ্যুতিক এবং রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য পরিবহন করে। ⚡
যোগাযোগ স্থাপন: এটি একটি নিউরনের সাথে অন্য নিউরনের সংযোগ স্থাপন করে। 🤝

অ্যাক্সন সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

  • অ্যাক্সনের দৈর্ঘ্য কয়েক মাইক্রোমিটার থেকে শুরু করে এক মিটারের বেশিও হতে পারে। 📏
  • অ্যাক্সনের মাধ্যমে তথ্য পরিবহনের গতি প্রতি সেকেন্ডে ০.৫ থেকে ১২০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। 🚀
  • অ্যাক্সনের ক্ষতি হলে স্নায়ু দুর্বলতা এবং প্যারালাইসিস (paralysis) হতে পারে। 🤕

আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে অ্যাক্সন সম্পর্কে আপনার একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়েছে। 😊 আরও কিছু জানার থাকলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

অ্যাক্সন সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য জানতে চান?

অ্যাক্সন রিজেনারেশন (axon regeneration) নিয়ে বর্তমানে অনেক গবেষণা চলছে। বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করছেন, কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অ্যাক্সনকে পুনরায় তৈরি করা যায়। 🌱