লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ডায়াচৌম্বক পদার্থ সেই সকল পদার্থ যাদের চৌম্বক প্রবেশ্যতা (Magnetic Permeability) শূন্য মাধ্যমের প্রবেশ্যতার চেয়ে কম। অর্থাৎ, এদের আপেক্ষিক প্রবেশ্যতা (Relative Permeability), μr < 1.
প্রবেশ্যতা হলো কোনো পদার্থের মধ্যে দিয়ে চৌম্বক ক্ষেত্র (Magnetic Field) তৈরি হওয়ার ক্ষমতা। এটি একটি ভৌত রাশি যা নির্দেশ করে কোনো পদার্থ কত সহজে চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। একে μ (mu) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
কিছু ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ:
আপেক্ষিক প্রবেশ্যতা হলো কোনো পদার্থের প্রবেশ্যতা এবং শূন্য মাধ্যমের প্রবেশ্যতার অনুপাত।
μr = μ / μ0
যেখানে:
| বৈশিষ্ট্য | ডায়াচৌম্বক পদার্থ | প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ | ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ |
|---|---|---|---|
| চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাব | বিকর্ষিত (Repelled) ↩️ | আকর্ষিত (Attracted) attraction➡️ | strongly আকর্ষিত (Strongly Attracted) 🧲🧲🧲 |
| আপেক্ষিক প্রবেশ্যতা (μr) | < 1 📉 | > 1 (কিন্তু খুব সামান্য) 📈 | খুব বেশি (Very High) 🚀 |
| চৌম্বকীয় প্রবণতা (χm) | ঋণাত্মক (Negative) ➖ | ধনাত্মক (Positive) ➕ | ধনাত্মক এবং অনেক বেশি (Positive and Very High) ➕➕➕ |
| উদাহরণ | পানি, কপার, স্বর্ণ 💧🌿🥇 | অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম 🔩⚙️ | লোহা, নিকেল, কোবাল্ট 🧱⛓️ |
ডায়াচৌম্বক পদার্থ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন:
আশা করি, ডায়াচৌম্বক পদার্থ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পারলাম। 😊
```