টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন উদ্ভিদের পাতা লিগনিন সঞ্চয় করে?

A. কচুরিপানা
B. করবী
C. সাইকাস
D. কলা
সঠিক উত্তরঃ C. সাইকাস
Explanation:

Cycas, Pinus ও ঘাস জাতীয় কিছু উদ্ভিদের পাতায় লিগনিন জমা হতে দেখা যায় । ফুলের পাপড়ি ও ফলত্বকে অ্যান্থোসায়ানিন নামক রঞ্জক থাকে । কোনো কোনো গাছের পত্রত্বকে মিউসিলেজ জমা হয় । সরিষা গোত্রীয় উদ্ভিদের পত্রত্বকে মাইরোসিন এনজাইম নিঃসরণকারী মাইরোসিন কোষ থাকে । কিছু ঘাস ও নলখাগড়া কান্ডের ত্বকীয় কোষে কর্ক ও সিলিকা কোষ থাকতে পারে । গম, ভুট্টা, আখ ইত্যাদি গাছের পাতার ত্বকে বুলিফর্ম কোষ থাকে ।

Another Explanation (5): ```html লিগনিন সঞ্চয়কারী উদ্ভিদ: সাইকাস

লিগনিন সঞ্চয়কারী উদ্ভিদ: সাইকাস

উদ্ভিদ জগতে বিভিন্ন প্রকার কোষ এবং রাসায়নিক উপাদান বিদ্যমান। লিগনিন হলো একটি জটিল পলিমার যা উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরে পাওয়া যায় এবং এটি কাঠকে দৃঢ়তা প্রদান করে। কিছু উদ্ভিদ প্রজাতি তাদের পাতায় লিগনিন সঞ্চয় করে, যার মধ্যে সাইকাস অন্যতম।

সাইকাস (Cycas)

  • সাইকাস হলো নগ্নবীজী উদ্ভিদ (gymnosperm)। 🌴
  • এরা দেখতে পাম গাছের মতো হলেও পাম গাছ নয়।
  • সাইকাসের পাতা যৌগিক এবং চিরসবুজ।
  • এই উদ??ভিদের পাতা লিগনিন সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে বেশ শক্ত হয়। 💪
  • কিছু প্রজাতির সাইকাসের পাতা আলংকারিক কাজে ব্যবহৃত হয়।

পাতায় লিগনিন সঞ্চয়ের কারণ

সাইকাসের পাতায় লিগনিন সঞ্চয়ের কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. শারীরিক দৃঢ়তা: লিগনিন পাতাগুলোকে শক্তিশালী করে এবং প্রতিকূল পরিবেশের (যেমন: ঝড়, খরা) বিরুদ্ধে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
  2. সুরক্ষা: লিগনিন কীটপতঙ্গ এবং রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর আক্রমণ থেকে পাতাকে রক্ষা করে। 🛡️
  3. জল সংরক্ষণ: লিগনিন পাতার জল ধারণ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা শুষ্ক অঞ্চলে বসবাসকারী সাইকাসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
  4. কাঠামো গঠন: লিগনিন পাতার কোষগুলোকে সঠিক কাঠামো দেয় এবং তাদের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

লিগনিনের বৈশিষ্ট্য

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
রাসায়নিক গঠন একটি জটিল পলিমার যা ফিনাইলপ্রোপেন ইউনিট দ্বারা গঠিত। 🧪
দ্রবণীয়তা জৈব দ্রাবকগুলোতে সামান্য দ্রবণীয়, তবে পানিতে অদ্রবণীয়।
কাজ উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরকে দৃঢ়তা প্রদান করা, পানি পরিবহন এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করা।

সুতরাং, সাইকাস উদ্ভিদের পাতা লিগনিন সঞ্চয় করে যা তাদের গঠন, সুরক্ষা এবং টিকে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয়।

```
Option A Explanation:
  • প্রাকৃতিক জলজ উদ্ভিদ: কচুরিপানা সাধারণত জলজ পরিবেশে জন্মে এবং জলাধারে বৃদ্ধি পায়।
  • লিগনিন সঞ্চয়: কচুরিপানা তার পাতা ও দেহে লিগনিন উপাদান সংরক্ষণ করে, যা কাঠামোগত মজবুততা এবং স্থায়িত্ব প্রদান করে।
  • উদ্ভিদের কাঠামো: লিগনিন উদ্ভিদের শেকড়, ডালপালা, এবং পাতার মধ্যে শক্তি ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়।
  • অন্তর্গত গঠন: এই উপাদানটি উদ্ভিদের কোষের দেয়ালকে শক্তিশালী করে এবং তাদের জল ও ঠেকানোর ক্ষমতা বাড়ায়।
Option B Explanation:
  • করবী: করবী হলো একটি ঋতুকালীন উদ্ভিদ যা সাধারণত লুক্কায়িত পত্ররন্দ্র বা কাণ্ডের মধ্যে লুকানো থাকে।
  • এটি মূলতঃ তার মূল কাণ্ডের মধ্যে গোপন থাকে এবং ফুলের জন্য প্রস্তুত হয়।
  • এটি লুক্কায়িত পত্ররন্দ্রের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে ফুল বা কাণ্ডের অংশ বাহিরে দেখা যায় না বা সহজে দৃশ্যমান হয় না।
  • প্রাকৃতিক বা কৃষি প্রক্রিয়ায় এই ধরনের উদ্ভিদ বিশেষ করে ফুলের জন্য পরিচিত।
Option C Explanation:
  • সাইকাস হলো একটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম কাঠামো বা গঠন যা সাধারণত গাছ বা বাঁশের তৈরি হয়।
  • এটি মূলত একটি ধরণের কাঠামো যা বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়, যেমন আশ্রয়, বাহন বা সাজসজ্জার জন্য।
  • সাইকাসের মধ্যে কোনও দ্বিনিষেক বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঘটে না, কারণ এটি মূলত একটি অবজেক্ট বা উপাদান।
  • এটি জীবন্ত নয়, তাই এর মধ্যে কোনও ধরনের ধর্মীয় বা সামাজিক কার্যক্রম সম্ভব নয়।
Option D Explanation:
  • নাম: কলা
  • প্রকার: পার্থেনোকার্পিক ফল
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কলার ফল সাধারণত পুরুষোত্তর বা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে এবং জিবেরেলিন নামক ফাইটোহরমোনের প্রয়োগে এটি পার্থেনোকার্পিক রূপে পরিণত হয়।
  • উৎপত্তি: এই প্রক্রিয়ায় কলা ফলের গাছের নির্দিষ্ট অংশে জিবেরেলিন প্রয়োগ করে ফলের স্বাভাবিক জন্মের সময় ছাড়াই ফলের বৃদ্ধি ঘটানো হয়।
  • ব্যবহার: কৃষি গবেষণা এবং ফলের উৎপাদনে এই প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় যাতে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ফলের মান নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।