টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

যে সব নিউক্লাইডের নিউট্রন সংখ্যা সমান তাদেরকে নিচের কোনটি বলে?

A. আইসোটোন
B. আইসোবার
C. আইসোটোপ
D. আইসোমার
সঠিক উত্তরঃ A. আইসোটোন
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে নিউক্লাইডগুলোর মধ্যে নিউট্রন সংখ্যা সমান হওয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যখন দুটি নিউক্লাইডের নিউট্রন সংখ্যা সমান হয়, তাদেরকে আইসোটোন বল??? হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. আইসোটোন: সঠিক, কারণ এখানে নিউট্রন সংখ্যা সমান, তাই আইসোটোন বলা হয়। B. আইসোবার: ভুল, এটি তখন হয় যখন দুটি নিউক্লাইডের ভর সংখ্যা সমান হয়, নিউট্রন সংখ্যা নয়। C. আইসোটোপ: ভুল, এটি তখন হয় যখন দুটি নিউক্লাইডের আধান সংখ্যা সমান হয়, নিউট্রন সংখ্যা নয়। D. আইসোমার: ভুল, এটি তখন হয় যখন দুটি নিউক্লাইডের কনফিগারেশন বা স্টেট ভিন্ন হয়। নোট: নিউট্রন সংখ্যা সমান হলে আইসোটোন বলা হয়, এটি ভিন্ন ধরণের নিউক্লাইড হতে পারে, তবে নিউট্রন সংখ্যার সমানতা প্রধান বিষয়।
Another Explanation (5):

আইসোটোন: নিউট্রন সংখ্যার সমাহার ⚛️

যে সকল নিউক্লাইডের নিউট্রন সংখ্যা সমান, তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়। এদের পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা) ভিন্ন হওয়ার কারণে এরা ভিন্ন মৌলের পরমাণু।

আইসোটোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝

  • সমান নিউট্রন সংখ্যা: আইসোটোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের নিউট্রন সংখ্যা একই।
  • ভিন্ন পারমাণবিক সংখ্যা: এদের প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এরা আলাদা মৌল।
  • ভিন্ন ভর সংখ্যা: যেহেতু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাই এদের ভর সংখ্যাও ভিন্ন হয়।
  • ভিন্ন রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য: ভিন্ন মৌল হওয়ার কারণে এদের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যগুলোও ভিন্ন হয়ে থাকে।

উদাহরণ 📊

নিচে কয়েকটি আইসোটোনের উদাহরণ দেওয়া হলো, যেখানে নিউট্রন সংখ্যা সমান:

নিউক্লাইড প্রোটন সংখ্যা নিউট্রন সংখ্যা ভর সংখ্যা
3H 1 2 3
4He 2 2 4
14C 6 8 14
16O 8 8 16

আইসোটোন, আইসোবার ও আইসোটোপের মধ্যে পার্থক্য 🤔

নিউক্লাইডগুলোর মধ্যে প্রায়ই আইসোটোন, আইসোবার ও আইসোটোপ নিয়ে confusion তৈরি হয়। এদের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • আইসোটোপ (Isotope): 🧪 এদের প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) একই, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন।
  • আইসোবার (Isobar): ⚖️ এদের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন।
  • আইসোটোন (Isotone): 🧱 এদের নিউট্রন সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন।

এগুলোকে মনে রাখার জন্য "টোন" মানে নিউট্রন, "বার" মানে ভার(ভর), এবং "টোপ" মানে প্রোটোন এভাবে মনে রাখা যেতে পারে।

ব্যবহারিক প্রয়োগ 🚀

আইসোটোনের ব্যবহারিক প্রয়োগ তেমন একটা নেই। তবে নিউক্লিয়ার রসায়ন এবং নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের বিভিন্ন গবেষণায় এদের প্রয়োজন পড়ে।

আশা করি, আইসোটোন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 💡