টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন-

A. TSH
B. T3
C. T4
D. প্যারাথাইরয়েড
সঠিক উত্তরঃ D. প্যারাথাইরয়েড
Explanation:


Another Explanation (5):

রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন: প্যারাথাইরয়েড হরমোন (Parathyroid Hormone) 🦴

রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকা অত্যন্ত জরুরি। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে প্যারাথাইরয়েড হরমোন (Parathyroid Hormone বা PTH)। এটি প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।

প্যারাথাইরয়েড হরমোনের কাজগুলো কী কী? 🤔

  • অস্থি থেকে ক্যালসিয়াম নিঃসরণ: যখন রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে যায়, তখন PTH হাড় থেকে ক্যালসিয়াম রক্তে নিয়ে আসে।🦴➡️🩸
  • বৃক্কে ক্যালসিয়ামের পুনঃ absorption বৃদ্ধি: কিডনি থেকে ক্যালসিয়াম শরীর থেকে বের হতে বাধা দেয়, ফলে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়ে। 💧➡️🩸
  • ভিটামিন ডি সক্রিয়করণ: ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে, PTH ভিটামিন ডি-কে সক্রিয় করে তোলে।☀️➡️💊
  • অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণ বৃদ্ধি: প্যারাথাইরয়েড হরমোন ভিটামিন ডি এর মাধ্যমে ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। 🍕➡️🩸

কীভাবে কাজ করে? ⚙️

PTH মূলত তিনটি অঙ্গের উপর কাজ করে:

  1. অস্থি (Bone): অস্টিওক্লাস্ট কোষকে সক্রিয় করে হাড় থেকে ক্যালসিয়াম এবং ফসফেট নিঃসরণে উদ্দীপনা যোগায়।
  2. বৃক্ক (Kidney): ক্যালসিয়ামের পুনঃ absorption বাড়ায় এবং ফসফেটের নিঃসরণ বৃদ্ধি করে।
  3. অন্ত্র (Intestine): ভিটামিন ডি সক্রিয়করণের মাধ্যমে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায়।

ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে কী হয়? 📉

রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে হাইপোক্যালসিমিয়া (Hypocalcemia) হতে পারে। এর লক্ষণগুলো হলো:

  • পেশীতে খিঁচুনি 😖
  • দুর্বলতা 😩
  • হার্টবিট irregular হয়ে যাওয়া 💔

ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে গেলে কী হয়? 📈

রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে গেলে হাইপারক্যালসিমিয়া (Hypercalcemia) হতে পারে। এর লক্ষণগুলো হলো:

  • কোষ্ঠকাঠিন্য 💩
  • বেশি তৃষ্ণা লাগা 🚰
  • ক্লান্তি 😴

সংক্ষেপে 📝

বিষয় কাজ গুরুত্ব
প্যারাথাইরয়েড হরমোন (PTH) রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা 💪
অস্থি ক্যালসিয়াম সরবরাহ ক্যালসিয়ামের ভাণ্ডার 🏦
বৃক্ক ক্যালসিয়াম ধরে রাখা অপচয় রোধ 🚫

সুতরাং, প্যারাথাইরয়েড হরমোন আমাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 👍

Option A Explanation:
  • TSH (থাইরয়েড-stimulating hormone): এটি একটি হরমোন যা পিটুইটারি গ্রন্থি দ্বারা নিঃসরণ হয়।
  • প্রধান কাজ হলো থাইরয়েড গ্রন্থিকে উদ্দীপ্ত করা, যাতে করে এটি থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণ করে।
  • থাইরয়েড হরমোন শরীরের বিপাকক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে।
  • এটি শরীরের পানির সমতা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
Option B Explanation:
  • ট্রাইআয়ডথাইরোনিন (T3) হল একজন থাইরয়েড হরমোন যা শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • এটি মূলত থাইরয়েড গ্রন্থি দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং কণিকা দ্বারা সৃষ্ট হয়।
  • শরীরের মেটাবলিজমের গতি নিয়ন্ত্রণে T3 এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
  • এটি কোষের মধ্যে ক্যালসিয়াম শোষণ ও ব???যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করতে পারে, তবে মূলত রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে প্যারাথাইরয়েড হরমোনই দায়ী।
  • উচ্চ বা নিম্ন T3 স্তর শরীরের বিভিন্ন শারীরিক অবস্থার সূচক হতে পারে, যেমন হাইপারথাইরয়েডিজম বা হাইপোথাইরয়েডিজম।
Option C Explanation:

ট্রাইটোমাইভিরাস ভাইরাস (T4)

  • একটি ডিএনএ ভাইরাস যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্যাথোজেনিক হিসেবে কাজ করে।
  • এটি লম্বা, সরু এবং সুতার মতো আকারের হয়, যার গড় দৈর্ঘ্য প্রায় 200 nm।
  • ভাইরাল কভের মধ্যে একটি হেলিকাল বা শেল্ফের মত গঠন রয়েছে।
  • প্রধানত ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে এবং লিকুইড বা লেটিনের মতো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
  • বিশেষ করে গবেষণায় ব্যবহৃত হয় জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ভাইরাল স্টাডিতে।
Option D Explanation:
  • প্যারাথাইরয়েড হরমোনটি মূলত প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি দ্বারা নিঃসৃত হয়।
  • এটি রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • প্যারাথাইরয়েড হরমোনের কাজ হলো রক্তের ক্যালসিয়াম স্তর বৃদ্ধির জন্য কাজ করা, যেমন:
    • হাড় থেকে ক্যালসিয়াম মুক্ত করে রক্তে ছাড়ানো
    • কিডনি থেকে ক্যালসিয়াম রিসাবোর্ড করার প্রক্রিয়া বাড়ানো
    • অস্টিয়োল্যাসিস (অস্থি ভাঙ্গা) কমিয়ে ক্যালসিয়াম রিলিজ কমানো
  • এটি শরীরের ক্যালসিয়াম ও ফসফেটের ভারসাম্য রক্ষা করে, যার মাধ্যমে হাড়ের গঠন বজায় থাকে এবং স্নায়ু ও পেশীর কার্যক্রম সঠিক থাকে।