টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অগ্ন্যাশয় হতে নিঃসৃত হয় না-

A. গ্লাইকোজেন
B. গ্লুকাগন
C. ইনসুলিন
D. গ্যাস্ট্রিন
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

অগ্ন্যাশয় (Pancreas) নিঃসৃত নয়: গ্লাইকোজেন ও গ্যাস্ট্রিন - একটি ব্যাখ্যা 🧐

অগ্ন্যাশয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্র গ্রন্থি। এর বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা উভয় প্রকার কাজ রয়েছে। অগ্ন্যাশয় থেকে বিভিন্ন এনজাইম ও হরমোন নিঃসৃত হয় যা পরিপাক ক্রিয়া ও শর্করা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু গ্লাইকোজেন ও গ্যাস্ট্রিন অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় না। নিচে এদের উৎস ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

১. গ্লাইকোজেন (Glycogen) 🍎🍌🍇

  • উৎস: গ্লাইকোজেন প্রধানত যকৃৎ (Liver) এবং পেশী কোষে (Muscle cells) সংশ্লেষিত হয়।
  • কাজ:
    • গ্লাইকোজেন হলো গ্লুকোজের পলিমার।
    • এটি যকৃৎ এবং পেশীতে গ্লুকোজ জমা রাখে, যা প্রয়োজন অনুযায়ী শরীরে শক্তি সরবরাহ করে। 💪
    • রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে যকৃৎ গ্লাইকোজেনকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে এবং রক্তে সরবরাহ করে।
  • অগ্ন্যাশয়ের ভূমিকা: গ্লাইকোজেন উৎপাদনে অগ্ন্যাশয়ের প্রত্যক্ষ কোনো ভূমিকা নেই। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোন গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত হতে সাহায্য করে।

২. গ্যাস্ট্রিন (Gastrin) 🍔🍕🍟

  • উৎস: গ্যাস্ট্রিন প্রধানত পাকস্থলীর (Stomach) জি কোষ (G cells) থেকে নিঃসৃত হয়। এছাড়াও ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনাম (Duodenum) থেকেও সামান্য পরিমাণে নিঃসৃত হতে পারে।
  • কাজ:
    • গ্যাস্ট্রিন একটি পেপটাইড হরমোন।
    • এটি পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষ (Parietal cells) থেকে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) নিঃসরণে উদ্দীপনা যোগায়। 🌶️
    • পাকস্থলীর নড়াচড়া বৃদ্ধি করে এবং হজমে সাহায্য করে।
  • অগ্ন্যাশয়ের ভূমিকা: গ্যাস্ট্রিন নিঃসরণে অগ্ন্যাশয়ের কোনো ভূমিকা নেই।

অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত হরমোন ও এনজাইম 🧪🔬

অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ হরমোন ও এনজাইম:

নাম ধরন কাজ
ইনসুলিন (Insulin) হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়। ⬇️
গ্লুকাগন (Glucagon) হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায়। ⬆️
অ্যামাইলেজ (Amylase) এনজাইম শর্করা পরিপাকে সাহায্য করে।
লাইপেজ (Lipase) এনজাইম ফ্যাট পরিপাকে সাহায্য করে।
ট্রিপসিন (Trypsin) এনজাইম প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে।

সারসংক্ষেপ: গ্লাইকোজেন যকৃৎ ও পেশীতে তৈরি হয় এবং গ্যাস্ট্রিন পাকস্থলীতে। অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন, গ্লুকাগন এবং বিভিন্ন পরিপাক এনজাইম নিঃসরণ করে। তাই, গ্লাইকোজেন ও গ্যাস্ট্রিন অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় না। ✅

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনাদের বোধগম্য হয়েছে। 😊

```
Option A Explanation:
  • গ্লাইকোজেন: গ্লাইকোজেন হলো একটি স্টোরেজ ফর্ম যা মূলত লিভার এবং মাসল টিস্যুতে সংরক্ষিত হয়। এটি কার্বোহাইড্রেটের একটি পলিমার, যা দ্রুত শক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে যখন শরীরের অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়। গ্লাইকোজেন শরীরের শক্তির পর্যাপ্ত সংস্থান হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ বা প্রচণ্ড শারীরিক পরিশ্রমের সময়।
Option B Explanation:
  • নাম: গ্লুকাগন
  • প্রকার: হরমোন
  • উৎপত্তি স্থান: অগ্ন্যাশয়ের α-কোষ থেকে নিঃসৃত
  • মূল কাজ: রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করা, গ্লুকোজের সংরক্ষণ এবং মুক্তি নিয়ন্ত্রণ করে
  • পরিপাক ব্যবস্থায় ভূমিকা: খাদ্য পরিপাকের সময় রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে গেলে গ্লুকাগন নিঃসরণ হয় যাতে গ্লুকোজের পরিমাণ পুনরুদ্ধার করা যায়
Option C Explanation:
  • ইনসুলিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়। এর কাজ হলো রক্তে শর্করা (গ্লুকোজ) এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
  • প্রধানতঃ এটি শরীরের গ্লুকোজ ব্যবহার বা সংরক্ষণে সহায়ক, রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
  • ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দিতে পারে, তবে এটি রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজন হয় না।
Option D Explanation:
  • গ্যাস্ট্রিন: এটি একটি হরমোন যা প্রধানত পাকস্থলীতে উৎপন্ন হয়।
  • এর মূল কাজ হলো পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়ানো, যা খাবার হজমে সহায়ক।
  • এটি পাচনতন্ত্রে খাদ্য গঠনে সহায়তা করে এবং পেটের উপকারে আসে।
  • গ্যাস্ট্রিনের সঠিক মাত্রা বজায় থাকলে হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলে এবং অঙ্গপ্রতঙ্গের কার্যক্রম সুনিয়ন্ত্রিত হয়।