টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

পুঞ্জাক্ষির কোন অংশটি আলোক গ্রহণ করে?

A.

কর্নিয়া

B.

কর্নিয়াজেন কোষ

C.

ক্রিস্টালাইন কোষ

D. র‍্যাবডোম
সঠিক উত্তরঃ D. র‍্যাবডোম
Explanation:


Another Explanation (5):

পুঞ্জাক্ষির র‍্যাবডোম: আলোক সংবেদী অঙ্গাণু 👁️‍🗨️

পুঞ্জাক্ষি (Compound eye) বহুসংখ্যক ওমাটিডিয়াম (Ommatidia) নামক ছোট ছোট একক দিয়ে গঠিত। প্রতিটি ওমাটিডিয়াম একটি ক্ষুদ্র চক্ষু সদৃশ। র‍্যাবডোম (Rhabdom) হলো এই ওমাটিডিয়ামের আলোক সংবেদী অংশ।

র‍্যাবডোম কী?

  • র‍্যাবডোম হলো আলোক সংবেদী অঙ্গাণু।
  • এটি ওমাটিডিয়ামের একেবারে কেন্দ্রে অবস্থিত।
  • র‍্যাবডোম রড-আকৃতির র‍্যাবডোমিয়ার (Rhabdomere) দিয়ে গঠিত।
  • র‍্যাবডোমিয়ারগুলিতে রোডোপসিন (Rhodopsin) নামক আলোক সংবেদী রঞ্জক পদার্থ থাকে।

র‍্যাবডোমের গঠন 🧬

উপাদান বৈশিষ্ট্য কাজ
র‍্যাবডোমিয়ার (Rhabdomere) ক্ষুদ্র রড-আকৃতির গঠন আলো শোষণ এবং আলোক সংবেদনে সাহায্য করে।
রোডোপসিন (Rhodopsin) আলোক সংবেদী রঞ্জক পদার্থ আলোর ফোটন শোষণ করে এবং দর্শনের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

আলোকরশ্মি যেভাবে কাজ করে 🔆

  1. আলোকরশ্মি কর্নিয়া (Cornea) ও ক্রিস্টালাইন কোণ (Crystalline cone) ভেদ করে র‍্যাবডোমে পৌঁছায়।
  2. র‍্যাবডোমের রোডোপসিন আলোক ফোটন শোষণ করে।
  3. রোডোপসিনের গঠন পরিবর্তিত হয়, যা একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু করে।
  4. এই রাসায়নিক বিক্রিয়া নার্ভ ইম্পালস (Nerve impulse) তৈরি করে।
  5. নার্ভ ইম্পালস অপটিক নার্ভের (Optic nerve) মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
  6. মস্তিষ্ক এই ইম্পালস বিশ্লেষণ করে প্রতিবিম্ব তৈরি করে। 🧠

গুরুত্ব 🤔

* পুঞ্জাক্ষির মাধ্যমে পোকামাকড় 🦋, ক্রাস্টাসিয়ান 🦀 এবং অন্যান্য আর্থ্রোপডরা 🕷️ তাদের চারপাশের পরিবেশ দেখতে পায়। * র‍্যাবডোম ছাড়া আলো গ্রহণ ও দেখা সম্ভব নয়। * এটি শিকারী ও শিকার উভয়কেই দ্রুত নড়াচড়া শনাক্ত করতে সাহায্য করে। 🏃‍♀️ ➡️ 🏃‍♂️

সুতরাং, র‍্যাবডোম পুঞ্জাক্ষির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ, যা আলোক সংবেদনের মাধ্যমে প্রাণীদের দেখতে সাহায্য করে। ✅

Option A Explanation:
  • কর্নিয়া: চোখের উপরের অংশে অবস্থিত একটি স্বচ্ছ ঝিল্লি যা চোখের প্রাকৃতিক লেন্সের সামনে অবস্থান করে।
  • প্রধান কাজ: আলোকে ফোকাস করে রেটিনা পর্যন্ত পৌঁছাতে সাহায্য করে, ফলে স্পষ্ট দৃষ্টি সম্ভব হয়।
  • গঠন: কর্নিয়া মূলত কোণাকোণ বা অর্ধচন্দ্রাকার আকারের একটি স্বচ্ছ টিস্যু, যা চোখের বাইরের অংশের সাথে সংযুক্ত।
  • অপটিক্যাল বৈশিষ্ট্য: এটি আলোকে যথাযথভাবে প্রবাহিত করে এবং দৃষ্টির স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
Option B Explanation:
  • কর্নিয়াজেন কোষ:
    • প্রতিটি কর্নিয়াজেন কোষ একটি ছোট, স্বচ্ছ, লেন্সের মতো গঠন।
    • এটি ঘাসফড়িংয়ের চোখের মধ্যে আলো প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
    • এই কোষগুলো আলোকে সংকুচিত করে বা বিকৃত করে, যাতে চোখের অভ্যন্তরীণ অংশে আলো সঠিকভাবে পৌঁছাতে পারে।
    • অতএব, কর্নিয়াজেন কোষগুলো লেন্সের মতো কাজ করে, যা আলোকে বেঁকে বা ফোকাস করে চোখের ভিতর প্রবেশের জন্য উপযোগী করে তোলে।
Option C Explanation:
ক্রিস্টালাইন কোষ
  • পুঞ্জাক্ষির প্রধান অংশ যা আলোকের প্রতিফলন ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি মূলত ক্ষুদ্র কোষের সমন্বয়ে গঠিত, যা আলোকের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং চোখের দৃষ্টিসম্পন্নতা নিশ্চিত করে।
  • ক্রিস্টালাইন কোষের কার্যকলাপের মাধ্যমে আলোক রশ্মি পুঞ্জাক্ষির ভিতর দিয়ে প্রবেশ করে রেটিনা (নেত্রের পেছনের অংশে) পৌঁছায়।
  • এটি চোখের অপটিক্যাল ফাংশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা স্পষ্ট ও সুস্পষ্ট দৃষ্টি প্রদান করে।
Option D Explanation:
  1. র‍্যাবডোম (Rhabdom): এটি ঘাসফড়িংয়ের ওমাটিডিয়ামে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা আলোর সংবেদনশীলতা প্রদান করে।
  2. র‍্যাবডোম লেন্সের মতো কাজ করে, কারণ এটি আলোর আভা বা দৃষ্টিকে কেন্দ্রীভূত করে এবং রেটিনার মতো কাজ করে, ফলে ফড়িংয়ের দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয়।
  3. এটি সূক্ষ্ম আলোর পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে এবং ফড়িংয়ের দৃষ্টিশক্তি স্বচ্ছ ও স্পষ্ট হয়।