টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বাংলাদেশের বিজ্ঞানীগণ যে উদ্ভিদটির জেনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করেন তার নাম-

A. Oryza sativa
B. Zea mays
C. Chorchorus olitorius
D. Chorchorus capsularis
E. Pisum sativum
সঠিক উত্তরঃ C. Chorchorus olitorius
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের অর্জনের Academic ব্যাখ্যা: Chorchorus olitorius (পাট) এর জিনোম সিকোয়েন্সিং

বাংলাদেশের বিজ্ঞানীগণ Chorchorus olitorius (তোষা পাট) এর জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করেছেন। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। 🥳🎉 এই অর্জনের ফলে পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন, রোগ প্???তিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ফলন বাড়ানোর ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

জিনোম সিকোয়েন্সিং কি? 🤔

জিনোম সিকোয়েন্সিং হলো একটি জীবের সম্পূর্ণ জিনগত উপাদান (DNA) এর ক্রম (sequence) নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া। জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে একটি জীবের বৈশিষ্ট্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যায়। 🧬🔬

Chorchorus olitorius (তোষা পাট) সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • বৈজ্ঞানিক নাম: Chorchorus olitorius 🌱
  • সাধারণ নাম: তোষা পাট, Golden Fiber 🎗️
  • গুরুত্ব: বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল 💰
  • ব্যবহার: বস্ত্র, কাগজ, Sackcloth (বস্তা), এবং অন্যান্য শিল্পে ব্যবহৃত হয় 💼

জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের উদ্দেশ্য 🎯:

  1. উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন 🌾
  2. রোগ ও পোকামাকড় প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি 💪
  3. জলবায়ু সহনশীল জাত তৈরি 🌦️
  4. পাট গাছের গুণগত মান উন্নয়ন 🥇

এই গবেষণার গুরুত্ব 🌟:

এই জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা পাটের জিন (gene) সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। এর ফলে তারা জিন প্রকৌশলের (genetic engineering) মাধ্যমে উন্নত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন পাট গাছ তৈরি করতে পারবেন। 🌱➡️🚀

ফলাফল এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা 🔮:

এই গবেষণার ফলে বাংলাদেশের পাট শিল্পে বিপ্লব ঘটবে। উন্নত জাতের পাট উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে। 📈 বাংলাদেশ পাট উৎপাদনে আরও এগিয়ে যাবে। 🇧🇩

গবেষণায় জড়িত বিজ্ঞানীদের তালিকা 🧑‍🔬👩‍🔬:

বিজ্ঞানীর নাম পদবি গবেষণার ক্ষেত্র
(নাম 1) অধ্যাপক জিনোম বিশ্লেষণ
(নাম 2) গবেষক জিন প্রকৌশল
(নাম 3) সহকারী অধ্যাপক উদ্ভিদ প্রজনন

আমরা আমাদের বিজ্ঞানীদের এই অসাধারণ অর্জনে গর্বিত। 🤩👏

```
Option A Explanation:
  • অন্য নাম: চাল
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ধানজাতীয় শস্য, যা মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে উৎপন্ন হয়।
  • ব্যবহার: খাদ্য হিসেবে প্রধানত ভাত হিসেবে খাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার হয়।
  • উৎপত্তি: এশিয়া মহাদেশে এর উৎপত্তি।
  • উৎপাদনকারী দেশসমূহ: চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো।
Option B Explanation:
  • নাম: Zea mays
  • সাধারণ নাম: मकা (মাকা) বা ভুট্টা
  • উৎপত্তি: মূলত মধ্য ও উত্তর আমেরিকা থেকে উদ্ভূত
  • পরিবার: গম (Poaceae) পরিবারের অন্তর্গত
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: উচ্চতায় অনেক বড় হয়, এর দানা খাদ্য ও পশু-পালনের জন্য ব্যবহৃত হয়
  • ব্যবহার: ??ূলত খাদ্য, পশুখাদ্য ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়
Option C Explanation:
  • নাম: Chorchorus olitorius
  • পরিবার: মালভূমি পরিবারের (Malvaceae)
  • উপকারিতা: এটি একটি খাদ্যবৃদ্ধি উদ্ভিদ, সাধারণত তরমুজের মতো দেখতে পাতায় ভরা হয় এবং প্রাচীনকাল থেকেই খাদ্য ও ঔষধি ব্যবহারে ব্যবহৃত হয়।
  • জেনোম সিকোয়েন্স: বাংলাদেশে এই উদ্ভিদের সম্পূর্ণ জেনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন হয়েছে, যা গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
  • অন্য নাম: আরবিতে এটির নাম "মুতুল" (Mulukhiyah) হিসেবে পরিচিত।
Option D Explanation:
  • নাম: Chorchorus capsularis
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি উদ্ভিদ যা সাধারণত তন্তু উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
  • পরিবেশ: এটি একটি উদ্ভিদ প্রকার, যা মূলত ফলমূল বা শাকসবজি হিসেবে পরিচিত।
  • বৈচিত্র্য: এর অন্যান্য প্রজাতির মধ্যে বিভিন্ন ঔষধি ও খাদ্যগুণ রয়েছে।
  • উপযোগিতা: সাধারণত এর শিকড়, পাতা বা ফলের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে তন্তু উৎপাদনের জন্য নয়।
Option E Explanation:
  • অভ্যাস: পিঁয়াজ, রসুন, সরষে ইত্যাদি ক্রুসিফেরি গোত্রের অন্তর্গত নয়।
  • উৎপত্তি: Pisum sativum মূলত ফলিকুলা গোত্রের অন্তর্গত, যা মূলত ভুট্টা বা শাকসবজি হিসেবে পরিচিত।
  • বৈশিষ্ট্য: এই উদ্ভিদটি সাধারণত শাকসবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বীজের নাম 'শিম' বা 'অলৌ'।
  • উৎপত্তিস্থল: এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • উপযোগিতা: খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এবং এর পুষ্টিগু?? বেশ মূল্যবান।