টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

রিকম্বিনেন্ট DNA এর ব্যবহার দ্বারা কোন উদ্দেশ্য সাধিত হয়?

A. নতুন প্রজাতি গঠন
B. একই প্রজাতির নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত উন্নতকরণ
C. কাঙ্ক্ষিত কোনো জীবের মতো হুবহু একই রকম জীবের সৃষ্টিকরণ
D. একই প্রজাতির উন্নতিকরণ ও হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ উভয়ই
সঠিক উত্তরঃ D. একই প্রজাতির উন্নতিকরণ ও হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ উভয়ই
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি জেনেটিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টি করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. নতুন প্রজাতি গঠন: ভুল, এটি প্রজাতি পরিবর্তন করে না। B. একই প্রজাতির নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত উন্নতকরণ: আংশিক সঠিক, তবে আরও কিছু করা যায়। C. হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ: আংশিক সঠিক, তবে শুধুমাত্র ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে। D. উভয়ই: সঠিক, কারণ এটি উন্নতিকরণ এবং ক্লোনিং দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। নোট: এই প্রযুক্তি ওষুধ, কৃষি ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে।
Another Explanation (5): রিকম্বিনেন্ট DNA এর ব্যবহার

রিকম্বিনেন্ট DNA এর ব্যবহার দ্বারা উদ্দেশ্য

রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যসমূহ সাধিত হয়ঃ

  • 🥇 একই প্রজাতির উন্নতিকরণ – অর্থাৎ, নির্দিষ্ট গুণাগুণ বা বৈশিষ্ট্য আরও উন্নত বা পরিবর্তিত করার জন্য।
  • 🎯 হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ – অর্থাৎ, জেনেটিকালি একই জীব বা ক্লোন তৈরি করা।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি ব্যবহারে বিজ্ঞানীরা নির্দিষ্ট জেন বা জিনকে অন্য জীবের মধ্যে যোগ করে বা পরিবর্তন করে থাকেন। এর মাধ্যমে:

উদ্দেশ্য বর্ণনা উদাহরণ
একই প্রজাতির উন্নতিকরণ উন্নত বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী যোগ করে প্রজাতির উন্নতি সাধন। জৈবিক রোগ নিরাময়ে উন্নত জাতের ধান বা গমের উদ্ভাবন।
হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ (ক্লোনিং) একই জেনেটিক স্ট্রাকচার সম্পন্ন জীব তৈরি। ডেইজি গরুর ক্লোনিং।

অতএব, রিকম্বিনেন্ট DNA এর মূল লক্ষ্য হলো একই প্রজাতির উন্নতি ও হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ। এই প্রযুক্তি বৈজ্ঞানিক গবেষণা, কৃষি উন্নয়ন, ও মেডিকেল ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 🚀🌱

Option A Explanation:

নতুন প্রজাতি গঠনের জন্য রিকম্বিনেন্ট DNA এর ব্যবহার:

  • রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি বিভিন্ন জৈবিক উপাদান বা জেনেটিক উপাদান সংযোগ করে নতুন জেনেটিক ক্রোমোসোম তৈরি করে।
  • এটি বিভিন্ন জীবের DNA এর অংশগুলোকে একত্রিত করে নতুন ধরনের জেনেটিক স্ট্রাকচার তৈরি করতে সহায়ক।
  • নতুন প্রজাতির সৃষ্টি বা গঠন করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির বৈশিষ্ট্য সংমিশ্রিত হয়।
  • এটি সাধারণত জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে উদ্ভাবিত হয়, যেখানে জীবের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন বা নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়।
  • সাধারণত, এই পদ্ধতিতে তৈরি জীব বা প্রজাতি সম্পূর্ণ আলাদা বা নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হতে পারে।
Option B Explanation:
  • উদ্দেশ্য: একই প্রজাতির মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করে তাদের উন্নত করা।
  • প্রক্রিয়া: রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন জেনের অংশগুলো একত্রিত করে নতুন বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ ডিএনএ তৈরি করা হয়।
  • ফলাফল: প্রজাতির বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায় এবং পরিবেশের চাহিদা অনুযায়ী জীবের কার্যক্ষমতা বা গুণাবলী উন্নত হয়।
  • উপকারিতা: কৃষি, গবেষণা ও রোগ নিরাময়ে নতুন জাত বা স্ট্রেন তৈরি করে জীবের কার্যক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হয়।
Option C Explanation:
  • এই অপশনটি নির্দেশ করে যে, রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি জীবের জেনেটিক উপাদান সম্পূর্ণরূপে আলাদা জীবের মধ্যে প্রতিস্থাপিত বা স্থানান্তর করা হয়।
  • এটি মূলত জীবের জেনেটিক বৈশিষ্ট্যগুলোকে পরিবর্তন বা প্রতিলিপি করতে ব্যবহৃত হয় যাতে সেই জীবের মতো একই বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, কোনও নির্দিষ্ট রোগবিরোধী বা উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত জীবের জেনেটিক উপাদান অন্য জীবের মধ্যে প্রতিস্থাপন করে সেই জীবের মূল বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা বা উন্নত করা হয়।
  • এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূল জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো অপরিবর্তিত রেখে একই ধরনের জীবের সৃষ্টির উদ্দেশ্য সাধিত হয়।
Option D Explanation:
  • উন্নতিকরণ: রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ ব্যবহার করে একই প্রজাতির মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্য সংযোজন বা উন্নত করা সম্ভব। এটি প্রজনন বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে প্রজাতির উন্নয়ন ঘটায়।
  • হুবহু একই জীবের সৃষ্টি: একই জেনেটিক কোডের মাধ্যমে সম্পূর্ণ একই জীব বা ক্লোন তৈরি করা যায়, যা সাধারণত ক্লোনিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
  • দুটি উদ্দেশ্যই সাধিত হয়: অর্থাৎ, একই প্রজাতির উন্নতি সাধন এবং একই জীবের ক্লোন তৈরি, উভয়ই এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্জিত হয়।