টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটিতে অবাত শ্বসন ঘটে? 


A.

Ulothrix

B.

Escherichia coli •

C.

Riccia

D.

Agaricus

সঠিক উত্তরঃ B.

Escherichia coli •

Explanation:

Another Explanation (5):

অবাত শ্বসন এবং Escherichia coli

অবাত শ্বসন (Anaerobic respiration) একটি বিপাকীয় প্রক্রিয়া যা অক্সিজেন 🚫O2 এর অনুপস্থিতিতে ঘটে। এই প্রক্রিয়ায়, কোষ অক্সিজেন ব্যবহার না করে অন্য কোনো জারক পদার্থ ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে।

Escherichia coli (E. coli) এবং অবাত শ্বসন

Escherichia coli একটি facultative anaerobic ব্যাকটেরিয়া। এর মানে হল এটি অক্সিজেন 💨O2 এর উপস্থিতিতে সবাত শ্বসন (aerobic respiration) করতে পারে, আবার অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে অবাত শ্বসন করতেও সক্ষম।

অবাত শ্বসনের প্রক্রিয়া:

  1. গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis): গ্লুকোজ ভেঙ্গে পাইরুভেট তৈরি হয়।
  2. পাইরুভেটের বিজারণ: অক্সিজেনের অভাবে পাইরুভেট বিভিন্ন জৈব যৌগে যেমন ল্যাকটেট, অ্যাসিটেট, ইথানল ইত্যাদিতে বিজারিত হয়।
  3. ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন (Electron Transport Chain): অবাত শ্বসনে অক্সিজেন এর পরিবর্তে নাইট্রেট (NO3-), সালফেট (SO42-) অথবা কার্বনেট (CO32-) এর মতো পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে।

E. coli-তে অবাত শ্বসনের সুবিধা:

  • অক্সিজেন 💨O2 এর অভাব হলেও বেঁচে থাকতে পারে।
  • বিভিন্ন পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 🏜️🏞️
  • ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন করতে পারে। 🍕🍺

বিভিন্ন জারক পদার্থ ব্যবহার করে E. coli-এর অবাত শ্বসন:

জারক পদার্থ উৎপাদিত যৌগ উদাহরণ
নাইট্রেট (NO3-) নাইট্রাইট (NO2-), অ্যামোনিয়া (NH3) নাইট্রেট রেসপিরেটরি ♻️
সালফেট (SO42-) হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S) কিছু বিশেষ ce strain এ দেখা যায় 🦠
কার্বনেট (CO32-) মিথেন (CH4) বিরল, তবে কিছু ce strain কার্বনেট ব্যবহার করতে পারে 🧪
ফিউমারেট সাক্সিনেট জেনেটিকালি মডিফাইড ce তে দেখা যায়🧬

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: E. coli সাধারণত মানুষের অন্ত্রে বাস করে এবং এটি আমাদের হজমে সাহায্য করে। তবে কিছু ce strain রোগ সৃষ্টিকারী হতে পারে। ⚠️

আরও জানতে: উইকিপিডিয়া

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি E. coli-তে অবাত শ্বসন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊👍

Option A Explanation:
  • প্রকার: সবুজ শৈবাল (Green algae)
  • অবস্থান: সাধারণত জলজ পরিবেশে, যেমন পুকুর, নদী, খাল ইত্যাদিতে দেখা যায়।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: সাধারণত শাখাযুক্ত বা রশ্মির মতো গঠন থাকে।
  • উচ্চতা: সাধারণত ছোট আকারের, কিন্তু কিছু প্রজাতি বেশ বড় হয়ে যেতে পারে।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এটি কোরালয়েড মূলে বাস করে, অর্থাৎ এটি কোরালয়েড (Coralloid) জাতের শৈবাল, যা মূলত অ্যানাবেনা বা অন্য কিছু শৈবাল থেকে আলাদা।
Option B Explanation:
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া (Bacteria)
  • অবস্থান: অন্তঃস্রাব (Intracellular) বা বাহ্যিক পরিবেশে অবস্থিত হতে পারে
  • শ্বসন প্রক্রিয়া: এরা সাধারণত গ্যাসের বিনিময় জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে, যেমন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা ফাটলের মাধ্যমে গ্যাসের বিনিময় ঘটে
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: সাধারণত কোষের অপ্রধান অংশে শ্বসন প্রক্রিয়া ঘটে, যেখানে অক্সিজেনের গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের নির্গমন হয়
  • উপসংহার: Escherichia coli এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া, যেখানে অবাত শ্বসন ঘটে, অর্থাৎ অক্সিজেনের সরাসরি ব্যবহার বা গ্যাস বিনিময় সঞ্চালিত হয়
Option C Explanation: Riccia এর ব্যাখ্যা

Riccia এর ব্যাখ্যা

  • অর্থ: Riccia হল একটি জলজ শামুকাকারী শাখা, যা ব্রাইওফাইটা (শামুকজাতীয়) গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
  • প্রজাতি: Riccia fluitans সাধারণত দেখা যায়, যা জলজ বা অর্ধজলজ পরিবেশে বাস করে।
  • অবস্থান: এটি সাধারণত অগভীর জলাধার, জলাভূমি, এবং জলাশয়ে পাওয়া যায়।
  • অবয়ব: Riccia এর অংকুরিত শাখা পাতলা ও ঝুলন্ত ধরণের হয়, যা জল বা আকাশের সাথে সংস্পর্শে থাকে।
  • অভিযোজন: এটি জলজ পরিবেশে ভালভাবে অভিযোজিত, যেখানে এটি জলস্তর নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • উপকারিতা: Riccia বিভিন্ন অ্যাকোয়ারিয়াম বা জলজ উদ্যানের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা জলজ পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
Option D Explanation:
  • Agaricus: এটি একটি প্রকারের ছত্রাক (fungus), যা সাধারণত খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • আস্তিরখানার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ধরণের খাওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, অ্যাগারিকাস বোতল বা শৈলশৈলী (Agaricus bisporus) সবচেয়ে পরিচিত ও সাধারণ।
  • বিশ্বব্যাপী রান্নায় বিভিন্ন ধরনের রান্নার উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।